বুকে আকস্মিক ব্যথা অনুভূত হলে প্রায়শই সেটিকে সাধারণ গ্যাসজনিত অস্বস্তি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং অনেকে অ্যান্টাসিড সেবন করে উপশমের প্রতীক্ষায় থাকেন। তবে, প্রতিটি বুকব্যথাই গ্যাসের কারণে সৃষ্টি হয় না; বরং কখনো কখনো এটি প্রাণঘাতী হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক ইঙ্গিত হতে পারে। এই দুই অবস্থার মধ্যে সঠিক পার্থক্য নিরুপণ তাই জীবন রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গ্যাস বা অ্যাসিডিটির কারণে সৃষ্ট বুকব্যথা সাধারণত বুকের মধ্যভাগে জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর, পেটফাঁপা এবং খাবার গ্রহণের পর অস্বস্তি আকারে প্রকাশ পায়। বিশেষত, শয়ন করার পর অথবা ঝাল ও চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণের পর এর উপসর্গগুলি বৃদ্ধি পেতে পারে এবং অ্যান্টাসিড বা গ্যাস উপশমকারী ঔষধ সেবনে সাময়িক স্বস্তি অনুভূত হতে পারে।
বিপরীতে, হার্ট অ্যাটাকের ব্যথা প্রায়শই বুকের মধ্যভাগে এক তীব্র চাপ, ভারী বোঝা বা শক্ত করে চেপে ধরার মতো সংবেদন তৈরি করে। এই ব্যথা বাম হাত, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল অথবা পিঠে ছড়িয়ে যেতে পারে। এর পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, বমিভাব, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক দুর্বলতার মতো লক্ষণগুলি পরিলক্ষিত হতে পারে। বিশেষত, হাঁটাচলা, সিঁড়ি ভাঙা বা অন্য কোনো শারীরিক পরিশ্রমের সময় যদি এই ধরনের ব্যথা শুরু হয়, তবে তাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্মরণ রাখা আবশ্যক যে, সকল হার্ট অ্যাটাক একই রূপে প্রকাশ পায় না। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং নারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় শুধুমাত্র শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ক্লান্তি, বমিভাব অথবা এক ধরনের সাধারণ অস্বস্তিই একমাত্র লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে। সুতরাং, কেবল তীব্র বুকব্যথা থাকলেই যে হার্ট অ্যাটাক হবে এমন ধারণা সঠিক নয়।
যদি বুকব্যথা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের অধিক সময় ধরে স্থায়ী হয়, বিশ্রামের পরেও এর তীব্রতা না কমে, অথবা এর সঙ্গে ঘাম, শ্বাসকষ্ট কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়, তবে এক মুহূর্তও বিলম্ব না করে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করা অত্যাবশ্যক। নিজে থেকে গ্যাসের ঔষধ সেবন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রমাণিত হতে পারে।
স্মরণ রাখা প্রয়োজন যে, প্রতিটি বুকব্যথাই হার্ট অ্যাটাক নির্দেশ করে না, তবে প্রতিটি বুকব্যথাকেই বিচক্ষণতার সাথে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কেননা, সময়োচিত ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা হার্ট অ্যাটাকের মতো পরিস্থিতিতে জীবন ও মৃত্যুর মাঝে নির্ণায়ক পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
গ্যাস বা অ্যাসিডিটির কারণে সৃষ্ট বুকব্যথা সাধারণত বুকের মধ্যভাগে জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর, পেটফাঁপা এবং খাবার গ্রহণের পর অস্বস্তি আকারে প্রকাশ পায়। বিশেষত, শয়ন করার পর অথবা ঝাল ও চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণের পর এর উপসর্গগুলি বৃদ্ধি পেতে পারে এবং অ্যান্টাসিড বা গ্যাস উপশমকারী ঔষধ সেবনে সাময়িক স্বস্তি অনুভূত হতে পারে।
বিপরীতে, হার্ট অ্যাটাকের ব্যথা প্রায়শই বুকের মধ্যভাগে এক তীব্র চাপ, ভারী বোঝা বা শক্ত করে চেপে ধরার মতো সংবেদন তৈরি করে। এই ব্যথা বাম হাত, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল অথবা পিঠে ছড়িয়ে যেতে পারে। এর পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, বমিভাব, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক দুর্বলতার মতো লক্ষণগুলি পরিলক্ষিত হতে পারে। বিশেষত, হাঁটাচলা, সিঁড়ি ভাঙা বা অন্য কোনো শারীরিক পরিশ্রমের সময় যদি এই ধরনের ব্যথা শুরু হয়, তবে তাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্মরণ রাখা আবশ্যক যে, সকল হার্ট অ্যাটাক একই রূপে প্রকাশ পায় না। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং নারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় শুধুমাত্র শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ক্লান্তি, বমিভাব অথবা এক ধরনের সাধারণ অস্বস্তিই একমাত্র লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে। সুতরাং, কেবল তীব্র বুকব্যথা থাকলেই যে হার্ট অ্যাটাক হবে এমন ধারণা সঠিক নয়।
যদি বুকব্যথা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের অধিক সময় ধরে স্থায়ী হয়, বিশ্রামের পরেও এর তীব্রতা না কমে, অথবা এর সঙ্গে ঘাম, শ্বাসকষ্ট কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়, তবে এক মুহূর্তও বিলম্ব না করে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করা অত্যাবশ্যক। নিজে থেকে গ্যাসের ঔষধ সেবন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রমাণিত হতে পারে।
স্মরণ রাখা প্রয়োজন যে, প্রতিটি বুকব্যথাই হার্ট অ্যাটাক নির্দেশ করে না, তবে প্রতিটি বুকব্যথাকেই বিচক্ষণতার সাথে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কেননা, সময়োচিত ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা হার্ট অ্যাটাকের মতো পরিস্থিতিতে জীবন ও মৃত্যুর মাঝে নির্ণায়ক পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
