ইসলাম

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু

টঙ্গীর তুরাগ তীরে বাদ ফজর থেকে শুরু হওয়া শূরায়ী নেজামের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় ধাপ সোমবার শুরু হয়েছে। সাধারণত, ইজতেমার প্রথম দিন বাদ ফজর থেকে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে আমবয়ান করা হয়, তবে এবার এই ধাপে তা হয়নি। এর পরিবর্তে, মুসল্লিরা খিত্তার সাথীদের সঙ্গে মুজাক্কারা (আলোচনা) করছেন এবং সকাল ১০টায় ভারতের মাওলানা আহমেদ হোসাইন নজমের জামাতের সাথীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করবেন।

আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো ইজতেমার প্রথম পর্ব

গাজীপুরের টঙ্গী তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমা, যার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত শুরু হয় সকাল ৯টা ১১ মিনিটে এবং শেষ হয় ৯টা ৩৬ মিনিটে। মাওলানা জুবায়ের আহমেদ এই মোনাজাত পরিচালনা করেন, যাতে মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং মুসলিম উম্মাহ ও দেশের কল্যাণ কামনা করা হয়। মোনাজাতের সময় তুরাগ তীরে উপস্থিত লাখো মুসল্লি তাদের দোয়া এবং প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করেন।

বিশ্ব ইজতেমায় যৌতুকবিহীন বিয়ে

আজ ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিন। আজকের আয়োজনে বিকালে অনুষ্ঠিত হবে যৌতুকবিহীন বিয়ে। বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিন আজ শনিবার ফজরের নামাজের পর শুরু হয়েছে বয়ান। বয়ানে দ্বীন প্রতিষ্ঠা এবং দ্বীনের বাণী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার পদ্ধতি এবং মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করার বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবেন বিভিন্ন দেশের বিদেশি অতিথি

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা, যেখানে দেশি-বিদেশি মুসল্লিরা ইতোমধ্যে আসতে শুরু করেছেন। এখন পর্যন্ত ৩৬টি দেশের ৭০১ জন বিদেশি মেহমান ইজতেমা ময়দানে অবস্থান করছেন এবং আরও আসছেন। ২৯ জানুয়ারি রাত ৯টায় ইজতেমার বিদেশি খিত্তায় দায়িত্বরত এক সরকারি কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মিরাজের রাতে মহানবী (সা.) যেসব দান লাভ করেছিলেন

হিজরতের এক বা দেড় বছর আগে, নবীজির মেরাজের ঐতিহাসিক ঘটনার সময় মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে বিশেষ উপহার প্রদান করেন। এর মধ্যে প্রথম উপহার ছিল পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, যা ফজিলত অনুযায়ী ৫০ ওয়াক্ত নামাজের সমান। মুসা (আ.)-এর পরামর্শে ও নবীজির আবেদনের পর এটি পাঁচটি ওয়াক্তে পরিবর্তিত হয়। দ্বিতীয় উপহার হিসেবে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত দেওয়া হয়, যা উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য আল্লাহর অশেষ রহমত এবং শয়তানের আক্রমণ থেকে রক্ষাকারী। এই আয়াত দুটি দ্বারা শয়তান ঘরের কাছেও আসতে পারে না, বিশেষত যখন এগুলো তিন রাত তিলাওয়াত করা হয়।

মা আমেনা ইন্তেকাল যেমন ছিল

মা আমেনা ইন্তেকাল যেমন ছিল