ইসলামে নিষিদ্ধ – সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে।
নবী করিম (সাঃ) চাল-চলনে ছিলেন অত্যান্ত বিনয়ীভাব। অহংবোধের লেশ মাত্র ছিল না তাঁর চরিত্রে। বরং তিনি ছিলেন, উত্তম চরিত্রের আধার। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মহানুভবতায় ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছেন অগণিত কাফের।
একজন জানতে চেয়েছেন, আমরা দেখতে পাই যে, বিভিন্ন সাহাবায়ে একরাম (রা.) এর মৃত্যুর পর অন্যান্য সাহাবীগণ তাদের স্ত্রীদের বিয়ে করেছেন এবং খোদ আমাদের প্রিয় নবী (সা.) ও আবু তালহা (রা.) এর বিবি আম্মাজান উম্মে সালমা (রা.) কে বিয়ে করেছিলেন।
অর্থাৎ ‘হারাম শরিফ’ এর যে অংশ শুধু মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয় তারা যদি সে অংশেই নামাজ পড়েন এবং পুরুষদের সঙ্গে না দাঁড়ান তাহলে তারাও প্রতি রাকাতে লাখো রাকাতের সওয়াব পাবেন।
দশটি সূরা – আল্লাহ মানুষকে বিভিন্ন সময় নানা বিপদে ফেলে পরীক্ষা করে থাকে। শুধু ইহকালে নয় আল্লাহ মানুষকে পরকালেও পাপের শাস্তি দেবেন। ইহকালের বিপদ কিংবা পরকালের শাস্তির হাত থেকে তৎক্ষণাত রক্ষা পাওয়ার উপায় বলে দেয়া আছে আল কোরআনে।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা নিজেকে উজাড় করে দিয়ে আল্লাহর ইবাদতে মোশগুল থাকেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আমল করার সুবিধার্থে বুখারী শরীফ ও মিশকাত শরীফের ২টি হাদিস উল্লেখ করা হলো-