কলম্বিয়ার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলার ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিনেই দেশটিতে দুটি বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে কেড়ে নিয়েছে এবং আরও অনেককে আহত করেছে। কট্টর ডানপন্থী এই নেতা শুক্রবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ক্যালি শহরে শপথ গ্রহণ করেন। শপথ গ্রহণের পর তিনি 'কোনো আপস ছাড়াই মাদক-সন্ত্রাস দমন' এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যেকোনো শান্তি আলোচনা বন্ধ করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ফার্ক গেরিলা গোষ্ঠীর সদস্যরা গতকাল শনিবার ভোরে ক্যালির কাছে একটি মহাসড়কের টোল বুথ বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয়। এই হামলায় দুজন নিরাপত্তাকর্মী সামান্য আহত হয়েছেন। কলম্বিয়ার অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড গেরিলা কমান্ডার ইভান মোরোদিসকোর নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীরা ওই টোল বুথের আশপাশের এলাকায় সক্রিয় বলে জানা গেছে। সান্তান্দের দে কিলিচাও পৌরসভার মধ্য দিয়ে বিস্তৃত প্যান-আমেরিকান মহাসড়কের ওপর এই টোল বুথটি নির্মাণাধীন ছিল। মোরোদিসকো এমন একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দেন, যারা ২০১৬ সালের ফার্ক এবং কলম্বিয়া সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) বলেন, 'দেশের অবকাঠামোতে হামলা মানে দেশের অগ্রগতির ওপর সরাসরি আঘাত'। দায়ীদের প্রতি তাঁর স্পষ্ট বার্তা ছিল— 'তাদের কোনো আশ্রয় দেওয়া হবে না, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং তারা কোনোভাবেই শাস্তি এড়াতে পারবে না'।
এদিকে, প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে উত্তরাঞ্চলীয় সেসার প্রদেশে গতকাল শনিবার ভোরে আরেকটি বোমা হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন ব্যবহার করে একটি পুলিশ স্টেশনে এই হামলা চালানো হয়, যার ফলে এই মর্মান্তিক প্রাণহানি ঘটে। যদিও কর্তৃপক্ষ এখনো সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে পারেনি, তবে দে লা এসপ্রিয়েলা পুনরায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, 'তারা কেউই শাস্তি এড়াতে পারবে না'।
রাজনৈতিক অঙ্গনে নবাগত দে লা এসপ্রিয়েলার আক্রমণাত্মক অবস্থান কলম্বিয়ায় সক্রিয় গেরিলা গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের কঠোর বিরোধিতার মুখে পড়েছে। তিনি প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নাইব বুকেলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বুকেলের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দে লা এসপ্রিয়েলাও বিশাল কারাগার নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সহায়তায় কলম্বিয়ায় সক্রিয় গেরিলা গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের ওপর বিমান হামলা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
কলম্বিয়ায় গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা চলার মধ্যেই দে লা এসপ্রিয়েলা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের এক দশক পরও কলম্বিয়ার কিছু এলাকা এখনো ভিন্নমতাবলম্বী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যারা বিশ্বব্যাপী কোকেন উৎপাদনের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
বোমা হামলার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন টোল বুথের পাশের এলাকার বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মী রবার্তো সান্দোভাল। তিনি এএফপিকে বলেন, 'আমরা সবাই আতঙ্কের মধ্যে আছি। পরিস্থিতি খুবই উত্তেজনাপূর্ণ এবং আমরা ভীষণ উদ্বিগ্ন'। ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা, ৬৮ বছর বয়সী গৃহিণী সোনিয়া জাপাতার বাড়ির জানালার কাচ বিস্ফোরণের ধাক্কায় ভেঙে বিছানার ওপর ছড়িয়ে পড়েছিল। সোনিয়া জাপাতা বলেন, 'আমি খুবই আতঙ্কিত, খুব ভয় লাগছে'।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ফার্ক গেরিলা গোষ্ঠীর সদস্যরা গতকাল শনিবার ভোরে ক্যালির কাছে একটি মহাসড়কের টোল বুথ বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয়। এই হামলায় দুজন নিরাপত্তাকর্মী সামান্য আহত হয়েছেন। কলম্বিয়ার অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড গেরিলা কমান্ডার ইভান মোরোদিসকোর নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীরা ওই টোল বুথের আশপাশের এলাকায় সক্রিয় বলে জানা গেছে। সান্তান্দের দে কিলিচাও পৌরসভার মধ্য দিয়ে বিস্তৃত প্যান-আমেরিকান মহাসড়কের ওপর এই টোল বুথটি নির্মাণাধীন ছিল। মোরোদিসকো এমন একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দেন, যারা ২০১৬ সালের ফার্ক এবং কলম্বিয়া সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) বলেন, 'দেশের অবকাঠামোতে হামলা মানে দেশের অগ্রগতির ওপর সরাসরি আঘাত'। দায়ীদের প্রতি তাঁর স্পষ্ট বার্তা ছিল— 'তাদের কোনো আশ্রয় দেওয়া হবে না, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং তারা কোনোভাবেই শাস্তি এড়াতে পারবে না'।
এদিকে, প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে উত্তরাঞ্চলীয় সেসার প্রদেশে গতকাল শনিবার ভোরে আরেকটি বোমা হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন ব্যবহার করে একটি পুলিশ স্টেশনে এই হামলা চালানো হয়, যার ফলে এই মর্মান্তিক প্রাণহানি ঘটে। যদিও কর্তৃপক্ষ এখনো সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে পারেনি, তবে দে লা এসপ্রিয়েলা পুনরায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, 'তারা কেউই শাস্তি এড়াতে পারবে না'।
রাজনৈতিক অঙ্গনে নবাগত দে লা এসপ্রিয়েলার আক্রমণাত্মক অবস্থান কলম্বিয়ায় সক্রিয় গেরিলা গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের কঠোর বিরোধিতার মুখে পড়েছে। তিনি প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নাইব বুকেলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বুকেলের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দে লা এসপ্রিয়েলাও বিশাল কারাগার নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সহায়তায় কলম্বিয়ায় সক্রিয় গেরিলা গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের ওপর বিমান হামলা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
কলম্বিয়ায় গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা চলার মধ্যেই দে লা এসপ্রিয়েলা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের এক দশক পরও কলম্বিয়ার কিছু এলাকা এখনো ভিন্নমতাবলম্বী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যারা বিশ্বব্যাপী কোকেন উৎপাদনের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
বোমা হামলার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন টোল বুথের পাশের এলাকার বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মী রবার্তো সান্দোভাল। তিনি এএফপিকে বলেন, 'আমরা সবাই আতঙ্কের মধ্যে আছি। পরিস্থিতি খুবই উত্তেজনাপূর্ণ এবং আমরা ভীষণ উদ্বিগ্ন'। ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা, ৬৮ বছর বয়সী গৃহিণী সোনিয়া জাপাতার বাড়ির জানালার কাচ বিস্ফোরণের ধাক্কায় ভেঙে বিছানার ওপর ছড়িয়ে পড়েছিল। সোনিয়া জাপাতা বলেন, 'আমি খুবই আতঙ্কিত, খুব ভয় লাগছে'।
