দীর্ঘদিন স্থবিরতার পর, অবশেষে রূপালি ইলিশের আগমনে চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট তার চিরচেনা কর্মব্যস্ততা ফিরে পাচ্ছে। টানা কয়েক দিনের প্রতিকূল আবহাওয়া, প্রবল বৃষ্টিপাত এবং সমুদ্রে আরোপিত সতর্কসংকেত উপকূলীয় জেলেদের জীবনযাপনকে সম্পূর্ণরূপে অচল করে দিয়েছিল। তাদের জাল ছিল অলস, এবং মৎস্য আহরণের সকল কার্যক্রম স্থগিত ছিল।
তবে, বর্তমানে সমুদ্রের রুদ্ররূপ শান্ত হয়েছে এবং সকল সতর্কসংকেত প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই স্বস্তির পরিপ্রেক্ষিতে জেলেরা আবারও গভীর সমুদ্রে তাদের জাল ফেলছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরূপ, জালে ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ রুপালি ইলিশ, যা চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট নতুন মাছ বাজারে ধীরে ধীরে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনছে। যদিও বর্তমানে মাছের সরবরাহ কিছুটা সীমিত, তবুও জেলে ও ব্যবসায়ীরা আসন্ন ভালো মৌসুমের আশায় বুক বাঁধছেন, যেখানে ইলিশের প্রাচুর্য বাজারকে আরও সচল করে তুলবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তবে, বর্তমানে সমুদ্রের রুদ্ররূপ শান্ত হয়েছে এবং সকল সতর্কসংকেত প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই স্বস্তির পরিপ্রেক্ষিতে জেলেরা আবারও গভীর সমুদ্রে তাদের জাল ফেলছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরূপ, জালে ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ রুপালি ইলিশ, যা চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট নতুন মাছ বাজারে ধীরে ধীরে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনছে। যদিও বর্তমানে মাছের সরবরাহ কিছুটা সীমিত, তবুও জেলে ও ব্যবসায়ীরা আসন্ন ভালো মৌসুমের আশায় বুক বাঁধছেন, যেখানে ইলিশের প্রাচুর্য বাজারকে আরও সচল করে তুলবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।