অভিনেত্রী স্বাগতাকে সর্বজনীনভাবে তার অভিনয় প্রতিভার জন্য চেনা হলেও, তার ব্যক্তিত্বের আরও বহু দিক রয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি সফলভাবে মডেলিং, উপস্থাপনা এবং সংগীত চর্চা করছেন। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছিল; তার প্রয়াত পিতা খোদা বক্স সানুও ছিলেন একজন প্রসিদ্ধ সংগীতজ্ঞ।
স্বাগতার কর্মজীবনে এক অনালোকিত অধ্যায় রয়েছে যা জনসাধারণের কাছে তেমন পরিচিত নয়। মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়স থেকে সাত বছর বয়সের মধ্যে তিনি চারটি চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। এই চলচ্চিত্রগুলি হলো ‘লিনজা’, ‘সতীপুত্র আবদুল্লাহ’, ‘সম্মান’ এবং ‘টপ মাস্তান’ (Top Mastan)।
শৈশবে চলচ্চিত্র জগতে আগমনের কারণ সম্পর্কে স্বাগতা জানান, মূলত তার মা-বাবার অনুপ্রেরণাতেই এত অল্প বয়সে তার অভিনয়ে হাতেখড়ি হয়।
বাল্যকালে স্বাগতা তরঙ্গ ললিতকলা একাডেমিতে অভিনয়ের নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তবে তার প্রথম ভালোবাসা ছিল সংগীত। বাবার কাছেই তিনি সংগীতের প্রাথমিক পাঠ গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে অনীল কুমার সাহার তত্ত্বাবধানে শাস্ত্রীয় সংগীতে দীক্ষা লাভ করেন।
স্বাগতা বলেন, "সংগীতের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক বহু বছরের। যদিও দর্শক আমাকে একজন অভিনেত্রী হিসেবেই বেশি চেনেন, তবুও আমি সংগীতকে কখনোই পরিত্যাগ করিনি।"
তার অভিনয় জীবনের মোড় ঘুরে যায় স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আল মামুনের হাত ধরে। তিনি স্বাগতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং একদিন একটি টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন।
সেই সময় স্বাগতার প্রধান লক্ষ্য ছিল একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হওয়া, তাই তিনি অভিনয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। তবে আবদুল্লাহ আল মামুন তাকে উৎসাহিত করে বলেন যে, অভিনয় করলেও তার অন্যান্য কাজ করার পথে কোনো বাধা আসবে না।
স্যারের কথায় আশ্বস্ত হয়ে স্বাগতা শেষ পর্যন্ত অভিনয়ে রাজি হন এবং আবদুল্লাহ আল মামুনের রচনায় 'এক জনমে' ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। দুই দশকেরও অধিক পূর্বে নির্মিত এই ধারাবাহিকটি স্বাগতার অভিনয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় স্থান দখল করে আছে।
স্বাগতা এই ধারাবাহিক সম্পর্কে বলেন, "এটি আমার জন্য একটি বিশাল সুযোগ ছিল। চিত্রনাট্য ছিল অসাধারণ, অভিনয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ ছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ফেরদৌসী মজুমদারের মতো কিংবদন্তী অভিনেত্রীসহ আরও অনেক গুণী শিল্পীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করা আমার জন্য একটি বিরল প্রাপ্তি।"
এরপর তিনি ধীরে ধীরে অভিনয়ে নিজের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। তিনি নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গেও কাজ করেছেন এবং খ্যাতিমান পরিচালক কাজী হায়াতের চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। তার মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বশেষ চলচ্চিত্র 'দেয়ালের দেশ'।
বর্তমানে তার অভিনীত 'মানুষের বাগান' চলচ্চিত্রটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে, যার সেন্সর ছাড়পত্র ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তবে স্বাগতার অভিনয় জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হলো প্রয়াত নায়ক মান্নার বিপরীতে অভিনয়। 'শত্রু শত্রু খেলা' চলচ্চিত্রে তিনি মান্নার নায়িকা হিসেবে কাজ করেন এবং চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন।
মান্নার সঙ্গে কাজের স্মৃতিচারণ করে স্বাগতা বলেন, "মান্না ভাইয়ের সঙ্গে অভিনয় করে আমি সবার কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলাম।"
সংগীত থেকে অভিনয়—এই দুই মাধ্যমেই স্বাগতা তার নিজস্ব পথ তৈরি করেছেন। আর শৈশবে চারটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সেই অনালোকিত অধ্যায় তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের এক ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর গল্প।
স্বাগতার কর্মজীবনে এক অনালোকিত অধ্যায় রয়েছে যা জনসাধারণের কাছে তেমন পরিচিত নয়। মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়স থেকে সাত বছর বয়সের মধ্যে তিনি চারটি চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। এই চলচ্চিত্রগুলি হলো ‘লিনজা’, ‘সতীপুত্র আবদুল্লাহ’, ‘সম্মান’ এবং ‘টপ মাস্তান’ (Top Mastan)।
শৈশবে চলচ্চিত্র জগতে আগমনের কারণ সম্পর্কে স্বাগতা জানান, মূলত তার মা-বাবার অনুপ্রেরণাতেই এত অল্প বয়সে তার অভিনয়ে হাতেখড়ি হয়।
বাল্যকালে স্বাগতা তরঙ্গ ললিতকলা একাডেমিতে অভিনয়ের নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তবে তার প্রথম ভালোবাসা ছিল সংগীত। বাবার কাছেই তিনি সংগীতের প্রাথমিক পাঠ গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে অনীল কুমার সাহার তত্ত্বাবধানে শাস্ত্রীয় সংগীতে দীক্ষা লাভ করেন।
স্বাগতা বলেন, "সংগীতের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক বহু বছরের। যদিও দর্শক আমাকে একজন অভিনেত্রী হিসেবেই বেশি চেনেন, তবুও আমি সংগীতকে কখনোই পরিত্যাগ করিনি।"
তার অভিনয় জীবনের মোড় ঘুরে যায় স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আল মামুনের হাত ধরে। তিনি স্বাগতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং একদিন একটি টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন।
সেই সময় স্বাগতার প্রধান লক্ষ্য ছিল একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হওয়া, তাই তিনি অভিনয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। তবে আবদুল্লাহ আল মামুন তাকে উৎসাহিত করে বলেন যে, অভিনয় করলেও তার অন্যান্য কাজ করার পথে কোনো বাধা আসবে না।
স্যারের কথায় আশ্বস্ত হয়ে স্বাগতা শেষ পর্যন্ত অভিনয়ে রাজি হন এবং আবদুল্লাহ আল মামুনের রচনায় 'এক জনমে' ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। দুই দশকেরও অধিক পূর্বে নির্মিত এই ধারাবাহিকটি স্বাগতার অভিনয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় স্থান দখল করে আছে।
স্বাগতা এই ধারাবাহিক সম্পর্কে বলেন, "এটি আমার জন্য একটি বিশাল সুযোগ ছিল। চিত্রনাট্য ছিল অসাধারণ, অভিনয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ ছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ফেরদৌসী মজুমদারের মতো কিংবদন্তী অভিনেত্রীসহ আরও অনেক গুণী শিল্পীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করা আমার জন্য একটি বিরল প্রাপ্তি।"
এরপর তিনি ধীরে ধীরে অভিনয়ে নিজের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। তিনি নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গেও কাজ করেছেন এবং খ্যাতিমান পরিচালক কাজী হায়াতের চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। তার মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বশেষ চলচ্চিত্র 'দেয়ালের দেশ'।
বর্তমানে তার অভিনীত 'মানুষের বাগান' চলচ্চিত্রটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে, যার সেন্সর ছাড়পত্র ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তবে স্বাগতার অভিনয় জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হলো প্রয়াত নায়ক মান্নার বিপরীতে অভিনয়। 'শত্রু শত্রু খেলা' চলচ্চিত্রে তিনি মান্নার নায়িকা হিসেবে কাজ করেন এবং চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন।
মান্নার সঙ্গে কাজের স্মৃতিচারণ করে স্বাগতা বলেন, "মান্না ভাইয়ের সঙ্গে অভিনয় করে আমি সবার কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলাম।"
সংগীত থেকে অভিনয়—এই দুই মাধ্যমেই স্বাগতা তার নিজস্ব পথ তৈরি করেছেন। আর শৈশবে চারটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সেই অনালোকিত অধ্যায় তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের এক ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর গল্প।
