যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে পুনরায় হামলা-পাল্টা হামলার ফলে বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এর পরিণতিতে, ইতিহাসের বৃহত্তম সরবরাহ সংকটে জর্জরিত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার নতুন করে এক গুরুতর ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছে।
জাহাজ চলাচল বিষয়ক তথ্য প্রদানকারী সংস্থা লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স গতকাল বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছে যে, গত মঙ্গলবার থেকে কোনো বৃহৎ বাণিজ্যিক জাহাজ নিজেদের অবস্থান জানান না দিয়ে এই প্রণালি অতিক্রম করেনি। এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে।
লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্সের তথ্যানুসারে, ৭ই জুলাইয়ের পর থেকে ১০ হাজার ডিডব্লিউটি (ডেডওয়েট টন)-এর বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন কোনো জাহাজ তাদের অবস্থান শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (এআইএস) সক্রিয় রেখে তথাকথিত ‘সাউদার্ন হাইওয়ে’ অতিক্রম করেনি। তবে অনুমান করা হচ্ছে যে, কমপক্ষে দুটি জাহাজ তাদের শনাক্তকরণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় রেখে এই পথ পার হয়েছে।
আঞ্চলিক এই তীব্র উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থা সত্ত্বেও আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল, যদিও এর আগে বেশ কয়েকদিন ধরে দাম ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ছিল। আজ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেল ৭৬ ডলার ৩৭ সেন্টে দাঁড়িয়েছে, যা গতকালের দামের প্রায় সমান এবং গত বুধবারের তুলনায় প্রায় ২ শতাংশ কম।
সামুদ্রিক গোয়েন্দা প্ল্যাটফর্ম উইন্ডওয়ার্ড গত বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, গত সোমবার যেখানে ৪৫টি জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করেছিল, সেখানে গত বুধবার এবং গতকাল ভোরে মাত্র ৫টি জাহাজের পারাপারের নথি পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্বে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলাচল করত।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে যে, বর্তমান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে জাহাজ পরিবহন সংস্থাগুলো চরম সতর্কতামূলক অবস্থান গ্রহণ করেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে জাহাজ চলাচলের উপর।
জাপানের ইয়োকাশুকা কাউন্সিল অন এশিয়া প্যাসিফিক স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক জন ব্র্যাডফোর্ড আল-জাজিরাকে বলেছেন যে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, যদি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সময় ধরে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে জাহাজ পরিবহন সংস্থাগুলো হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে অন্যান্য বন্দর ও পথ ব্যবহারের স্থায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।
গত মঙ্গল ও বুধবার ইরানের ডজনখানেক লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন হামলার পর, গতকাল দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক মার্কিন কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, এই হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনী জড়িত ছিল না। এখন পর্যন্ত কোনো দেশ বা গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
এর আগে গতকাল সকালে ইরানি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমসমূহ জানায় যে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে একাধিক হামলার জবাবে ওয়াশিংটন যে আক্রমণ চালিয়েছিল, তার প্রতিশোধ হিসেবে তেহরানের সামরিক বাহিনী বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্ডান এবং ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনায় আঘাত হেনেছে।
জাহাজ চলাচল বিষয়ক তথ্য প্রদানকারী সংস্থা লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স গতকাল বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছে যে, গত মঙ্গলবার থেকে কোনো বৃহৎ বাণিজ্যিক জাহাজ নিজেদের অবস্থান জানান না দিয়ে এই প্রণালি অতিক্রম করেনি। এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে।
লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্সের তথ্যানুসারে, ৭ই জুলাইয়ের পর থেকে ১০ হাজার ডিডব্লিউটি (ডেডওয়েট টন)-এর বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন কোনো জাহাজ তাদের অবস্থান শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (এআইএস) সক্রিয় রেখে তথাকথিত ‘সাউদার্ন হাইওয়ে’ অতিক্রম করেনি। তবে অনুমান করা হচ্ছে যে, কমপক্ষে দুটি জাহাজ তাদের শনাক্তকরণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় রেখে এই পথ পার হয়েছে।
আঞ্চলিক এই তীব্র উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থা সত্ত্বেও আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল, যদিও এর আগে বেশ কয়েকদিন ধরে দাম ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ছিল। আজ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেল ৭৬ ডলার ৩৭ সেন্টে দাঁড়িয়েছে, যা গতকালের দামের প্রায় সমান এবং গত বুধবারের তুলনায় প্রায় ২ শতাংশ কম।
সামুদ্রিক গোয়েন্দা প্ল্যাটফর্ম উইন্ডওয়ার্ড গত বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, গত সোমবার যেখানে ৪৫টি জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করেছিল, সেখানে গত বুধবার এবং গতকাল ভোরে মাত্র ৫টি জাহাজের পারাপারের নথি পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্বে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলাচল করত।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে যে, বর্তমান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে জাহাজ পরিবহন সংস্থাগুলো চরম সতর্কতামূলক অবস্থান গ্রহণ করেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে জাহাজ চলাচলের উপর।
জাপানের ইয়োকাশুকা কাউন্সিল অন এশিয়া প্যাসিফিক স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক জন ব্র্যাডফোর্ড আল-জাজিরাকে বলেছেন যে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, যদি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সময় ধরে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে জাহাজ পরিবহন সংস্থাগুলো হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে অন্যান্য বন্দর ও পথ ব্যবহারের স্থায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।
গত মঙ্গল ও বুধবার ইরানের ডজনখানেক লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন হামলার পর, গতকাল দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক মার্কিন কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, এই হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনী জড়িত ছিল না। এখন পর্যন্ত কোনো দেশ বা গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
এর আগে গতকাল সকালে ইরানি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমসমূহ জানায় যে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে একাধিক হামলার জবাবে ওয়াশিংটন যে আক্রমণ চালিয়েছিল, তার প্রতিশোধ হিসেবে তেহরানের সামরিক বাহিনী বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্ডান এবং ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনায় আঘাত হেনেছে।