গত শনিবার, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দান ক্যালিফোর্নিয়ার একটি সমুদ্র সৈকতে এক ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শতাধিক প্রশিক্ষিত কুকুর অংশ নিয়েছিল।
এই আসরের নাম 'ওয়ার্ল্ড ডগ সার্ফিং চ্যাম্পিয়নশিপ', যা বিগত কয়েক বছর ধরে ক্যালিফোর্নিয়ায় নিয়মিতভাবে আয়োজিত হয়ে আসছে।
শনিবারের এই আয়োজনে কয়েক শত দর্শক উচ্ছ্বসিত হয়ে সার্ফার কুকুরদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা প্রত্যক্ষ করেছেন এবং করতালি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করেছেন।
ছোট স্প্যানিয়েল থেকে শুরু করে বিশাল ল্যাব্রাডর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রজাতির কুকুর এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সার্ফবোর্ডে তাদের টিকে থাকার সময়কাল, ঢেউ সামলানোর ক্ষমতা এবং সার্ফিংয়ের সময় তাদের আত্মবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে বিচারকরা তাদের মূল্যায়ন করেন।
দশ বছর ধরে সান ফ্রান্সিসকো থেকে প্রায় ১৪ মাইল (২২ কিলোমিটার) দক্ষিণে অবস্থিত প্যাসিফিকা শহরটি এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো পোষা প্রাণী দত্তক নিতে মানুষকে উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় প্রাণিকল্যাণমূলক সংস্থাগুলোর জন্য তহবিল সংগ্রহ করা।
রঙিন লাইফ জ্যাকেট পরিহিত কুকুরগুলি তাদের সার্ফবোর্ডে আরোহণ করে প্রস্তুত থাকে। প্রতিটি সার্ফার কুকুরের সঙ্গে একজন সহায়তাকারী মানুষ থাকেন, যিনি সঠিক ঢেউ নির্বাচন করেন, যাতে কুকুরটি সফলভাবে ঢেউয়ের উপর ভেসে তীরে পৌঁছাতে পারে।
যখন কোনো কুকুর সফলভাবে ঢেউয়ে ভেসে সার্ফিং সম্পন্ন করে, তখন দর্শকরা উচ্চস্বরে করতালি ও উল্লাসধ্বনি করে তাদের অভিনন্দন জানান।
ক্যালিফোর্নিয়ার হান্টিংটন বিচের বাসিন্দা সোফিয়া সাডলোস্কি জানান, তার মিনিয়েচার পিনশার জাতের কুকুর 'রাস্টি' যখন শাবক ছিল, তখন মজার ছবি তোলার উদ্দেশ্যে তিনি প্রথমবার সেটিকে তার সার্ফবোর্ডে দাঁড় করিয়েছিলেন।
সাডলোস্কি স্মরণ করেন, 'এরপর থেকে সে আর বোর্ড থেকে নামতে চাইতো না। আমি তাকে সৈকতে নিয়ে গিয়ে একটি ঢেউয়ের ওপর ছেড়ে দিলাম, আর সে সাবলীলভাবে সেই ঢেউয়ের উপর চড়েই সার্ফিং করে ফেলল।'
প্রতিযোগিতার প্রাথমিক পর্বে ছোট, মাঝারি ও বড়—এই তিন আকারের কুকুরদের পৃথক বিভাগে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি বিভাগ থেকে নির্বাচিত সেরা প্রতিযোগীরা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে আরও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যেমন: একাধিক কুকুরের একই বোর্ডে সার্ফিং এবং মানুষ ও কুকুরের একসাথে সার্ফবোর্ড ভাগাভাগি করে পরিবেশনা।
রাস্টির লাইফ জ্যাকেট ছিল সবুজ রঙের, যার উপর পশুর চামড়ার নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। এর পিঠের অংশটি হাঙরের পাখনার মতো উঁচু হয়ে ছিল এবং তার চোখে থাকা গগলস দেখে মনে হচ্ছিল, সে অন্য প্রতিযোগীদের চ্যালেঞ্জ জানাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
সাডলোস্কি উল্লেখ করেন যে, মাত্র চার মাস বয়সেই রাস্টি তার প্রথম সার্ফিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল।
সাডলোস্কি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, 'ওর বয়স যখন চার মাস ছিল, তখন সে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল। সেই থেকে আমরা সার্ফিং চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছি।'
এই আসরের নাম 'ওয়ার্ল্ড ডগ সার্ফিং চ্যাম্পিয়নশিপ', যা বিগত কয়েক বছর ধরে ক্যালিফোর্নিয়ায় নিয়মিতভাবে আয়োজিত হয়ে আসছে।
শনিবারের এই আয়োজনে কয়েক শত দর্শক উচ্ছ্বসিত হয়ে সার্ফার কুকুরদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা প্রত্যক্ষ করেছেন এবং করতালি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করেছেন।
ছোট স্প্যানিয়েল থেকে শুরু করে বিশাল ল্যাব্রাডর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রজাতির কুকুর এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সার্ফবোর্ডে তাদের টিকে থাকার সময়কাল, ঢেউ সামলানোর ক্ষমতা এবং সার্ফিংয়ের সময় তাদের আত্মবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে বিচারকরা তাদের মূল্যায়ন করেন।
দশ বছর ধরে সান ফ্রান্সিসকো থেকে প্রায় ১৪ মাইল (২২ কিলোমিটার) দক্ষিণে অবস্থিত প্যাসিফিকা শহরটি এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো পোষা প্রাণী দত্তক নিতে মানুষকে উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় প্রাণিকল্যাণমূলক সংস্থাগুলোর জন্য তহবিল সংগ্রহ করা।
রঙিন লাইফ জ্যাকেট পরিহিত কুকুরগুলি তাদের সার্ফবোর্ডে আরোহণ করে প্রস্তুত থাকে। প্রতিটি সার্ফার কুকুরের সঙ্গে একজন সহায়তাকারী মানুষ থাকেন, যিনি সঠিক ঢেউ নির্বাচন করেন, যাতে কুকুরটি সফলভাবে ঢেউয়ের উপর ভেসে তীরে পৌঁছাতে পারে।
যখন কোনো কুকুর সফলভাবে ঢেউয়ে ভেসে সার্ফিং সম্পন্ন করে, তখন দর্শকরা উচ্চস্বরে করতালি ও উল্লাসধ্বনি করে তাদের অভিনন্দন জানান।
ক্যালিফোর্নিয়ার হান্টিংটন বিচের বাসিন্দা সোফিয়া সাডলোস্কি জানান, তার মিনিয়েচার পিনশার জাতের কুকুর 'রাস্টি' যখন শাবক ছিল, তখন মজার ছবি তোলার উদ্দেশ্যে তিনি প্রথমবার সেটিকে তার সার্ফবোর্ডে দাঁড় করিয়েছিলেন।
সাডলোস্কি স্মরণ করেন, 'এরপর থেকে সে আর বোর্ড থেকে নামতে চাইতো না। আমি তাকে সৈকতে নিয়ে গিয়ে একটি ঢেউয়ের ওপর ছেড়ে দিলাম, আর সে সাবলীলভাবে সেই ঢেউয়ের উপর চড়েই সার্ফিং করে ফেলল।'
প্রতিযোগিতার প্রাথমিক পর্বে ছোট, মাঝারি ও বড়—এই তিন আকারের কুকুরদের পৃথক বিভাগে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি বিভাগ থেকে নির্বাচিত সেরা প্রতিযোগীরা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে আরও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যেমন: একাধিক কুকুরের একই বোর্ডে সার্ফিং এবং মানুষ ও কুকুরের একসাথে সার্ফবোর্ড ভাগাভাগি করে পরিবেশনা।
রাস্টির লাইফ জ্যাকেট ছিল সবুজ রঙের, যার উপর পশুর চামড়ার নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। এর পিঠের অংশটি হাঙরের পাখনার মতো উঁচু হয়ে ছিল এবং তার চোখে থাকা গগলস দেখে মনে হচ্ছিল, সে অন্য প্রতিযোগীদের চ্যালেঞ্জ জানাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
সাডলোস্কি উল্লেখ করেন যে, মাত্র চার মাস বয়সেই রাস্টি তার প্রথম সার্ফিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল।
সাডলোস্কি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, 'ওর বয়স যখন চার মাস ছিল, তখন সে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল। সেই থেকে আমরা সার্ফিং চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছি।'
