স্পেনের ফুটবল মানচিত্রে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু এবং সেভিয়ার রামোন সানচেজ পিসহুয়ানের ভৌগোলিক দূরত্ব সামান্য হলেও, লা লিগার সাম্প্রতিক আর্থিক হিসাবের খাতা খুললে তাদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একদিকে যেমন সম্পদের প্রাচুর্য, অন্যদিকে তেমনি কেবল অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম।
এই আর্থিক বৈষম্য নতুন না হলেও, আসন্ন মৌসুমের জন্য লা লিগার ঘোষিত বেতনসীমা পরিস্থিতিকে আরও বেশি স্পষ্ট করেছে। রিয়াল মাদ্রিদ এক্ষেত্রে বরাবরই অনেক এগিয়ে। তাদের নতুন বেতনসীমা বর্তমানে ৮৩ কোটি ইউরো, যা পূর্ববর্তী মৌসুমের ৭৬ কোটি ১০ লাখ ইউরো থেকে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এটিই প্রমাণ করে কেন তারা ইউরোপে ব্যয়ের ক্ষেত্রে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখেছে।
অন্যদিকে, বার্সেলোনার চিত্র ভিন্ন। একসময় আর্থিক সংকটের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত কাতালান ক্লাবটি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের বেতনসীমা বিস্ময়করভাবে মাইনাস ১৪ কোটি ৪০ লাখ ইউরোতে নেমে গিয়েছিল। সেই চরম প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে বার্সেলোনার এবারের বাজেট ৫৮ কোটি ২০ লাখ ইউরোতে উন্নীত হয়েছে।
লা লিগার শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলির বেতনসীমা পর্যবেক্ষণ করলে আর্থিক সক্ষমতার বৈষম্য আরও সুস্পষ্ট হয়। রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার ঠিক পরেই অবস্থান করছে আতলেতিকো মাদ্রিদ, যাদের বাজেট ৩৬ কোটি ১২ লাখ ইউরো। এর পরবর্তীতে রয়েছে ভিয়ারিয়াল (১৭ কোটি ৫ লাখ ইউরো) এবং রিয়াল বেতিস (১৪ কোটি ২৮ লাখ ইউরো)। তবে, অবাক করার মতো বিষয় হলো সেভিয়ার অবস্থা। একসময় ইউরোপা লিগের শিরোপা যাদের প্রায় নিজস্ব সম্পত্তি ছিল, সেই ক্লাবটির এবারের বাজেট মাত্র দুই কোটি এক লাখ ইউরো, যা তাদের অতীতের সাফল্যের তুলনায় নগণ্য।
উল্লেখ্য, বার্সেলোনার উপর এখনো আড়াইশো কোটি ইউরোর এক বিশাল ঋণের বোঝা বিদ্যমান। নিউইয়র্ক টাইমস তাদের বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত ক্লাব হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তা সত্ত্বেও, ফোর্বসের সবচেয়ে মূল্যবান ক্লাবগুলির তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদের ঠিক পরেই তাদের অবস্থান। বিগত কয়েকটি মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ আয় এই বিপুল দেনা সামলে তাদের অগ্রগতির পথ সুগম করেছে। লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাসও এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন, ‘আমি প্রায়শই বার্সেলোনার বিশাল ঋণের খবর শুনি। কিন্তু আসল বিষয় হলো, আপনার আয় এবং সেই ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা। বার্সেলোনার একশো কোটি ইউরো আয় রয়েছে এবং নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য তাদের প্রয়োজনীয় সামর্থ্যও আছে।’
২০১৩ সালে প্রবর্তিত এই নিয়মটি মূলত ক্লাবের আয়, ব্যয় এবং ঋণের সামগ্রিক হিসাবের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। এটি মূল দল, রিজার্ভ দল, একাডেমির খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদের বেতন বাবদ ব্যয়ের একটি সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়। এই নিয়মের উদ্দেশ্য অত্যন্ত স্পষ্ট: অতিরিক্ত ব্যয় রোধ করা এবং লিগে একটি সুষম প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখা।
এই আর্থিক বৈষম্য নতুন না হলেও, আসন্ন মৌসুমের জন্য লা লিগার ঘোষিত বেতনসীমা পরিস্থিতিকে আরও বেশি স্পষ্ট করেছে। রিয়াল মাদ্রিদ এক্ষেত্রে বরাবরই অনেক এগিয়ে। তাদের নতুন বেতনসীমা বর্তমানে ৮৩ কোটি ইউরো, যা পূর্ববর্তী মৌসুমের ৭৬ কোটি ১০ লাখ ইউরো থেকে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এটিই প্রমাণ করে কেন তারা ইউরোপে ব্যয়ের ক্ষেত্রে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখেছে।
অন্যদিকে, বার্সেলোনার চিত্র ভিন্ন। একসময় আর্থিক সংকটের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত কাতালান ক্লাবটি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের বেতনসীমা বিস্ময়করভাবে মাইনাস ১৪ কোটি ৪০ লাখ ইউরোতে নেমে গিয়েছিল। সেই চরম প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে বার্সেলোনার এবারের বাজেট ৫৮ কোটি ২০ লাখ ইউরোতে উন্নীত হয়েছে।
লা লিগার শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলির বেতনসীমা পর্যবেক্ষণ করলে আর্থিক সক্ষমতার বৈষম্য আরও সুস্পষ্ট হয়। রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার ঠিক পরেই অবস্থান করছে আতলেতিকো মাদ্রিদ, যাদের বাজেট ৩৬ কোটি ১২ লাখ ইউরো। এর পরবর্তীতে রয়েছে ভিয়ারিয়াল (১৭ কোটি ৫ লাখ ইউরো) এবং রিয়াল বেতিস (১৪ কোটি ২৮ লাখ ইউরো)। তবে, অবাক করার মতো বিষয় হলো সেভিয়ার অবস্থা। একসময় ইউরোপা লিগের শিরোপা যাদের প্রায় নিজস্ব সম্পত্তি ছিল, সেই ক্লাবটির এবারের বাজেট মাত্র দুই কোটি এক লাখ ইউরো, যা তাদের অতীতের সাফল্যের তুলনায় নগণ্য।
উল্লেখ্য, বার্সেলোনার উপর এখনো আড়াইশো কোটি ইউরোর এক বিশাল ঋণের বোঝা বিদ্যমান। নিউইয়র্ক টাইমস তাদের বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত ক্লাব হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তা সত্ত্বেও, ফোর্বসের সবচেয়ে মূল্যবান ক্লাবগুলির তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদের ঠিক পরেই তাদের অবস্থান। বিগত কয়েকটি মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ আয় এই বিপুল দেনা সামলে তাদের অগ্রগতির পথ সুগম করেছে। লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাসও এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন, ‘আমি প্রায়শই বার্সেলোনার বিশাল ঋণের খবর শুনি। কিন্তু আসল বিষয় হলো, আপনার আয় এবং সেই ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা। বার্সেলোনার একশো কোটি ইউরো আয় রয়েছে এবং নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য তাদের প্রয়োজনীয় সামর্থ্যও আছে।’
২০১৩ সালে প্রবর্তিত এই নিয়মটি মূলত ক্লাবের আয়, ব্যয় এবং ঋণের সামগ্রিক হিসাবের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। এটি মূল দল, রিজার্ভ দল, একাডেমির খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদের বেতন বাবদ ব্যয়ের একটি সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়। এই নিয়মের উদ্দেশ্য অত্যন্ত স্পষ্ট: অতিরিক্ত ব্যয় রোধ করা এবং লিগে একটি সুষম প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখা।
