যখন দলের অন্য কোনো ব্যাটসম্যান পঞ্চাশের কোটা অতিক্রম করতে পারেননি, এবং তানজিদ হাসান ও মুশফিকুর রহিমের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা শূন্য রানে ফিরে গেছেন, ঠিক তখনই সপ্তম উইকেটে ব্যাট করতে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ দলকে একাই টেনে নিয়ে যাওয়ার পথে একটি অসাধারণ শতরান তুলে নিয়েছেন। মারারা ওভালে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে মিরাজ যখন ক্রিজে আসেন, তখন বাংলাদেশ মাত্র ১০৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ভীষণ সংকটে ছিল।
সেই সংকটময় মুহূর্তে, মিরাজ একাই দলকে টেনে তোলার নিরন্তর চেষ্টা করেন। যদিও অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে তিনি উল্লেখযোগ্য সমর্থন পাননি, এবং একপর্যায়ে ১৯৪ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর দুইশ রানের নিচেই ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। তবে অদম্য মিরাজ, শেষ উইকেটে খালেদ আহমেদের সাথে এক মূল্যবান ৬৯ রানের জুটি গড়ে তোলেন, যা বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহকে সম্মানজনক ২৬৩ রানে পৌঁছে দেয়।
দিনের খেলা শেষে, বিসিবি কর্তৃক প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় মিরাজ তার ব্যাটিং কৌশল এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তিনি বলেন, “শুরুটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমি শুধু বলের যোগ্যতা অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি। প্রতিপক্ষের বোলাররা চমৎকার লাইনে এবং লেন্থে বোলিং করেছে।”
ইনিংসের শুরুতে, মিরাজ কিছুটা সতর্কতার সাথে খেলেন এবং ৭৫ বলে তার অর্ধশতক পূরণ করেন। এরপর, শতরানের লক্ষ্যে পৌঁছাতে তিনি পরের পঞ্চাশ রান সংগ্রহ করেন মাত্র ৫৩ বলে, যা তার আক্রমণাত্মক মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা এই ব্যাটসম্যান, ১৪১ বলে ১১টি চার এবং ৪টি ছক্কার সাহায্যে অসাধারণ ১০৯ রান করেন।
অস্ট্রেলিয়ায় প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে মিরাজের এই শতরান নিঃসন্দেহে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস। দিন শেষে, এই অসামান্য পারফরম্যান্স কতটা কঠিন ছিল, সে বিষয়ে মিরাজ অকপটে বলেন, “এটা আমার জন্য কিছুটা কঠিন ছিল, কারণ এই প্রথম আমি এমন কন্ডিশনে খেলছি। আমি উইকেটের সাথে মানিয়ে নেওয়ার এবং ভালো জুটি গড়ার চেষ্টা করেছি। শুরুর দিকে আমি রান করার চেয়ে উইকেটে টিকে থাকার ওপরই বেশি মনোযোগ দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে যখন সুযোগ পেয়েছি, তখন রান করা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়েছে।”
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মাঠে নামবে বাংলাদেশ, এবং দ্বিতীয় টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে। দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। মিরাজ মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ শুরু হওয়ার আগে এমন একটি শতরান তাকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে।
মিরাজের নিজস্ব বক্তব্য অনুযায়ী, “যেহেতু আমাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট ম্যাচ রয়েছে, এই সেঞ্চুরি আমাকে বিপুল আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। আমি যে মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে খেলছিলাম, সেটি যদি ধরে রাখতে পারি, তবে তা আমার এবং দলের উভয়ের জন্যই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।”
সেই সংকটময় মুহূর্তে, মিরাজ একাই দলকে টেনে তোলার নিরন্তর চেষ্টা করেন। যদিও অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে তিনি উল্লেখযোগ্য সমর্থন পাননি, এবং একপর্যায়ে ১৯৪ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর দুইশ রানের নিচেই ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। তবে অদম্য মিরাজ, শেষ উইকেটে খালেদ আহমেদের সাথে এক মূল্যবান ৬৯ রানের জুটি গড়ে তোলেন, যা বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহকে সম্মানজনক ২৬৩ রানে পৌঁছে দেয়।
দিনের খেলা শেষে, বিসিবি কর্তৃক প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় মিরাজ তার ব্যাটিং কৌশল এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তিনি বলেন, “শুরুটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমি শুধু বলের যোগ্যতা অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি। প্রতিপক্ষের বোলাররা চমৎকার লাইনে এবং লেন্থে বোলিং করেছে।”
ইনিংসের শুরুতে, মিরাজ কিছুটা সতর্কতার সাথে খেলেন এবং ৭৫ বলে তার অর্ধশতক পূরণ করেন। এরপর, শতরানের লক্ষ্যে পৌঁছাতে তিনি পরের পঞ্চাশ রান সংগ্রহ করেন মাত্র ৫৩ বলে, যা তার আক্রমণাত্মক মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা এই ব্যাটসম্যান, ১৪১ বলে ১১টি চার এবং ৪টি ছক্কার সাহায্যে অসাধারণ ১০৯ রান করেন।
অস্ট্রেলিয়ায় প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে মিরাজের এই শতরান নিঃসন্দেহে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস। দিন শেষে, এই অসামান্য পারফরম্যান্স কতটা কঠিন ছিল, সে বিষয়ে মিরাজ অকপটে বলেন, “এটা আমার জন্য কিছুটা কঠিন ছিল, কারণ এই প্রথম আমি এমন কন্ডিশনে খেলছি। আমি উইকেটের সাথে মানিয়ে নেওয়ার এবং ভালো জুটি গড়ার চেষ্টা করেছি। শুরুর দিকে আমি রান করার চেয়ে উইকেটে টিকে থাকার ওপরই বেশি মনোযোগ দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে যখন সুযোগ পেয়েছি, তখন রান করা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়েছে।”
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মাঠে নামবে বাংলাদেশ, এবং দ্বিতীয় টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে। দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। মিরাজ মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ শুরু হওয়ার আগে এমন একটি শতরান তাকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে।
মিরাজের নিজস্ব বক্তব্য অনুযায়ী, “যেহেতু আমাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট ম্যাচ রয়েছে, এই সেঞ্চুরি আমাকে বিপুল আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। আমি যে মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে খেলছিলাম, সেটি যদি ধরে রাখতে পারি, তবে তা আমার এবং দলের উভয়ের জন্যই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।”
