চিত্রনায়িকা পূজা চেরি সম্প্রতি তার ব্যক্তিগত জীবন এবং বিয়ে সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ভিত্তিহীন খবর ও গুজবের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নিজের বিয়ে নিয়ে চলমান বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “আমার এখনো বিয়ে হয়নি। যখন তা হবে, আপনারাই সর্বপ্রথম জানতে পারবেন।”
গত সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে অভিনেত্রী এই বিষয়টি জনসমক্ষে আনেন। পূজা চেরি জানান যে, গত কয়েকদিন ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। কখনও কোনো নির্দিষ্ট পেশার ব্যক্তির সঙ্গে, আবার কখনও অন্য কারো সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে যে ধরনের সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে, তা তাঁর জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও বেদনাদায়ক।
অভিনেত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, তিনি এর আগেও একাধিক সাক্ষাৎকারে পারিবারিকভাবে তাঁর বিয়ের বাগদান সম্পন্ন হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি আরও যোগ করেন, “আমি আগে থেকেই বলে আসছি যে আমি এনগেজড এবং পারিবারিকভাবেই বিয়ে ঠিক করা আছে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে আমি নিজেই আনন্দের সঙ্গে সবাইকে তা জানাব।”
বর্তমানে নতুন প্রকল্পের প্রস্তুতির জন্য নিজেকে কিছুটা সময় দিচ্ছেন জানিয়ে পূজা বলেন যে, এই মুহূর্তে তিনি ক্যামেরার সামনে কিছুটা কম আসছেন। তবে তাঁর এই সাময়িক নীরবতাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে অযৌক্তিক মিথ্যা খবর প্রচার না করার জন্য তিনি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।
ভিত্তিহীন সংবাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে পূজা চেরি বলেন, “আমার নীরবতাকে যদি কেউ মিথ্যা সংবাদের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে, তবে আমি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হব।” তিনি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৪৩ অনুচ্ছেদের অধীনে তাঁর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সম্মান রক্ষার অধিকারের কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে, সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর ২৫ ধারা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ইন্টারনেটে মিথ্যা ও অপমানজনক তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।
গণমাধ্যমের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এই অভিনেত্রী সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের প্রতি বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশন করার এবং যাচাই না করে কোনো অসত্য সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।
গত সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে অভিনেত্রী এই বিষয়টি জনসমক্ষে আনেন। পূজা চেরি জানান যে, গত কয়েকদিন ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। কখনও কোনো নির্দিষ্ট পেশার ব্যক্তির সঙ্গে, আবার কখনও অন্য কারো সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে যে ধরনের সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে, তা তাঁর জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও বেদনাদায়ক।
অভিনেত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, তিনি এর আগেও একাধিক সাক্ষাৎকারে পারিবারিকভাবে তাঁর বিয়ের বাগদান সম্পন্ন হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি আরও যোগ করেন, “আমি আগে থেকেই বলে আসছি যে আমি এনগেজড এবং পারিবারিকভাবেই বিয়ে ঠিক করা আছে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে আমি নিজেই আনন্দের সঙ্গে সবাইকে তা জানাব।”
বর্তমানে নতুন প্রকল্পের প্রস্তুতির জন্য নিজেকে কিছুটা সময় দিচ্ছেন জানিয়ে পূজা বলেন যে, এই মুহূর্তে তিনি ক্যামেরার সামনে কিছুটা কম আসছেন। তবে তাঁর এই সাময়িক নীরবতাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে অযৌক্তিক মিথ্যা খবর প্রচার না করার জন্য তিনি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।
ভিত্তিহীন সংবাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে পূজা চেরি বলেন, “আমার নীরবতাকে যদি কেউ মিথ্যা সংবাদের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে, তবে আমি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হব।” তিনি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৪৩ অনুচ্ছেদের অধীনে তাঁর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সম্মান রক্ষার অধিকারের কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে, সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর ২৫ ধারা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ইন্টারনেটে মিথ্যা ও অপমানজনক তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।
গণমাধ্যমের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এই অভিনেত্রী সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের প্রতি বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশন করার এবং যাচাই না করে কোনো অসত্য সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।