সাম্প্রতিক হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্ট ২০২৬ অনুযায়ী, এক বছরে আনুমানিক ২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি সম্পদ হ্রাস পেলেও, শাহরুখ খান ভারতের ধনীতম অভিনেতার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। বর্তমানে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি রুপি। এই তালিকায় তাঁর পরে রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন, সালমান খান এবং হৃতিক রোশন।
পূর্ববর্তী বছরের তালিকা অনুসারে, শাহরুখ খান ও তাঁর পরিবারের সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি। এক বছরের ব্যবধানে নতুন হিসাবে এই পরিমাণ ২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি কমেছে, যা প্রায় ২০ শতাংশের সমতুল্য। তবে, এই উল্লেখযোগ্য পতন সত্ত্বেও অভিনেতাদের মধ্যে তাঁর শীর্ষস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
শাহরুখ খানের সম্পদের হিসাব কেবল তাঁর অভিনয় পারিশ্রমিকের উপর নির্ভরশীল নয়। তাঁর বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের অন্যতম স্তম্ভ হলো রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট, যা তিনি তাঁর স্ত্রী গৌরী খানের সাথে যৌথভাবে পরিচালনা করেন। এই প্রতিষ্ঠানটি চলচ্চিত্র প্রযোজনার পাশাপাশি ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসের জগতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
ক্রীড়া জগতেও শাহরুখ খানের উল্লেখযোগ্য পদচারণা রয়েছে। তিনি নাইট রাইডার্স স্পোর্টসের সাথে যুক্ত, যার অধীনে কলকাতা নাইট রাইডার্স সহ একাধিক ক্রিকেট ফ্র্যাঞ্চাইজি পরিচালিত হয়। ফলস্বরূপ, অভিনয় ছাড়াও বিনোদন এবং ক্রীড়া উভয় খাতের ব্যবসায়িক বিনিয়োগ তাঁর সম্পদের এক গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
তবে, হুরুন কর্তৃক প্রকাশিত সম্পদের এই পরিসংখ্যানকে নিশ্চিত নগদ অর্থ হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। এটি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন বিনিয়োগ, স্থাবর সম্পত্তি এবং অন্যান্য সম্পদের আনুমানিক মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে গণনা করা হয়। এ কারণে, প্রতি বছর বা ভিন্ন ভিন্ন তালিকায় একই ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণে ভিন্নতা দেখা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, চলতি বছরের শুরুতে প্রকাশিত হুরুন গ্লোবাল রিচ লিস্টে শাহরুখের সম্পদের পরিমাণ ১০ হাজার ৮০০ কোটি রুপি দেখানো হয়েছিল।
অমিতাভ বচ্চনের সম্পদ বৃদ্ধি
২০২৬ সালের তালিকায় অভিনেতাদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কিংবদন্তি অমিতাভ বচ্চন। তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ৪ হাজার কোটি রুপি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের তালিকায় অমিতাভ ও তাঁর পরিবারের সম্মিলিত সম্পদ ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৬৩০ কোটি রুপি। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে তাঁর ঘোষিত সম্পদে এক উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে।
অমিতাভ বচ্চনের সম্পদের উৎস কেবল তাঁর দীর্ঘ অভিনয় জীবনের উপার্জন নয়। বিভিন্ন বিনিয়োগ, স্থাবর সম্পত্তি এবং তাঁর পরিবারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার অধীনস্থ সম্পদও এর অন্তর্ভুক্ত।
এই তালিকার তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান। ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি রুপি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের তালিকায় তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। ফলস্বরূপ, এই বছর তাঁর অন্তর্ভুক্তি তালিকাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চতুর্থ স্থানে রয়েছেন অভিনেতা হৃতিক রোশন। তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ২ হাজার ৫০০ কোটি রুপি। গত বছর তাঁর সম্পদের হিসাব ছিল ২ হাজার ১৬০ কোটি রুপি। অভিনয় জীবনের বাইরে হৃতিকের ফিটনেস ও জীবনযাপন-ভিত্তিক ব্র্যান্ড এইচআরএক্স তাঁর ব্যবসায়িক পরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তালিকা থেকে জুহি চাওলা ও করণ জোহরের অনুপস্থিতি
২০২৫ সালের তালিকার সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণে আরও একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। গত বছর বলিউডের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় শাহরুখ খানের পরেই ছিলেন জুহি চাওলা ও তাঁর পরিবার, যাদের সম্পদের পরিমাণ ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৭৯০ কোটি রুপি। তবে, ২০২৬ সালের অভিনেতাদের তালিকায় জুহি চাওলার নাম অনুপস্থিত।
একইভাবে, গত বছরের তালিকায় ১ হাজার ৮৮০ কোটি রুপি সম্পদের মালিক হিসেবে পরিচালক ও প্রযোজক করণ জোহরের নাম ছিল। কিন্তু এই বছর তিনিও তালিকায় অনুপস্থিত।
জুহি চাওলার বিপুল সম্পদের সাথে নাইট রাইডার্স স্পোর্টসের ব্যবসায়িক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অন্যদিকে, করণ জোহরের সম্পদের অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্মা প্রোডাকশনস। এই কারণে, ২০২৬ সালের তালিকায় তাঁদের অনুপস্থিতি পূর্ববর্তী বছরের হিসাবের সাথে এক বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি করেছে।
চলচ্চিত্র বহির্ভূত ব্যবসায় বিশাল সম্পদ
হুরুন প্রকাশিত এই তালিকা কেবল অভিনেতাদের আর্থিক অবস্থাই উন্মোচন করে না, বরং বলিউডের ব্যবসায়িক কাঠামোর পরিবর্তনশীল চিত্রও তুলে ধরে। অভিনয়ের পাশাপাশি, প্রযোজনা সংস্থা, ক্রীড়া ফ্র্যাঞ্চাইজি, বিভিন্ন ব্র্যান্ড এবং কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে তারকারা এখন তাঁদের সম্পদের পরিধি প্রসার করছেন।
এই তালিকায় চলচ্চিত্র শিল্পের সাথে জড়িত আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ধনী ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 'রামায়ণ'-এর প্রযোজক নমিত মালহোত্রার পিতা নরেশ মালহোত্রার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১৬ হাজার কোটি রুপি। এছাড়াও, টি-সিরিজের ভূষণ কুমার, রনি স্ক্রুওয়ালা এবং সান পিকচার্সের কালানিথি মারানের মতো উল্লেখযোগ্য প্রযোজকেরাও এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
এদিকে, বড় পর্দায় শাহরুখ খানের প্রত্যাবর্তন প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে। তাঁর আসন্ন চলচ্চিত্র ‘কিং’ পরিচালনা করেছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ। এই ছবিতে শাহরুখ খানের সাথে তাঁর মেয়ে সুহানা খানও অভিনয় করছেন। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন, রানী মুখার্জি, অভিষেক বচ্চন, রাঘব জুয়াল, জয়দীপ আহলাওয়াত, আরশাদ ওয়ার্সি এবং জ্যাকি শ্রফ। ছবিটি ২৪ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য নির্ধারিত রয়েছে।
পূর্ববর্তী বছরের তালিকা অনুসারে, শাহরুখ খান ও তাঁর পরিবারের সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি। এক বছরের ব্যবধানে নতুন হিসাবে এই পরিমাণ ২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি কমেছে, যা প্রায় ২০ শতাংশের সমতুল্য। তবে, এই উল্লেখযোগ্য পতন সত্ত্বেও অভিনেতাদের মধ্যে তাঁর শীর্ষস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
শাহরুখ খানের সম্পদের হিসাব কেবল তাঁর অভিনয় পারিশ্রমিকের উপর নির্ভরশীল নয়। তাঁর বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের অন্যতম স্তম্ভ হলো রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট, যা তিনি তাঁর স্ত্রী গৌরী খানের সাথে যৌথভাবে পরিচালনা করেন। এই প্রতিষ্ঠানটি চলচ্চিত্র প্রযোজনার পাশাপাশি ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসের জগতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
ক্রীড়া জগতেও শাহরুখ খানের উল্লেখযোগ্য পদচারণা রয়েছে। তিনি নাইট রাইডার্স স্পোর্টসের সাথে যুক্ত, যার অধীনে কলকাতা নাইট রাইডার্স সহ একাধিক ক্রিকেট ফ্র্যাঞ্চাইজি পরিচালিত হয়। ফলস্বরূপ, অভিনয় ছাড়াও বিনোদন এবং ক্রীড়া উভয় খাতের ব্যবসায়িক বিনিয়োগ তাঁর সম্পদের এক গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
তবে, হুরুন কর্তৃক প্রকাশিত সম্পদের এই পরিসংখ্যানকে নিশ্চিত নগদ অর্থ হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। এটি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন বিনিয়োগ, স্থাবর সম্পত্তি এবং অন্যান্য সম্পদের আনুমানিক মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে গণনা করা হয়। এ কারণে, প্রতি বছর বা ভিন্ন ভিন্ন তালিকায় একই ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণে ভিন্নতা দেখা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, চলতি বছরের শুরুতে প্রকাশিত হুরুন গ্লোবাল রিচ লিস্টে শাহরুখের সম্পদের পরিমাণ ১০ হাজার ৮০০ কোটি রুপি দেখানো হয়েছিল।
অমিতাভ বচ্চনের সম্পদ বৃদ্ধি
২০২৬ সালের তালিকায় অভিনেতাদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কিংবদন্তি অমিতাভ বচ্চন। তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ৪ হাজার কোটি রুপি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের তালিকায় অমিতাভ ও তাঁর পরিবারের সম্মিলিত সম্পদ ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৬৩০ কোটি রুপি। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে তাঁর ঘোষিত সম্পদে এক উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে।
অমিতাভ বচ্চনের সম্পদের উৎস কেবল তাঁর দীর্ঘ অভিনয় জীবনের উপার্জন নয়। বিভিন্ন বিনিয়োগ, স্থাবর সম্পত্তি এবং তাঁর পরিবারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার অধীনস্থ সম্পদও এর অন্তর্ভুক্ত।
এই তালিকার তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান। ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি রুপি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের তালিকায় তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। ফলস্বরূপ, এই বছর তাঁর অন্তর্ভুক্তি তালিকাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চতুর্থ স্থানে রয়েছেন অভিনেতা হৃতিক রোশন। তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ২ হাজার ৫০০ কোটি রুপি। গত বছর তাঁর সম্পদের হিসাব ছিল ২ হাজার ১৬০ কোটি রুপি। অভিনয় জীবনের বাইরে হৃতিকের ফিটনেস ও জীবনযাপন-ভিত্তিক ব্র্যান্ড এইচআরএক্স তাঁর ব্যবসায়িক পরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তালিকা থেকে জুহি চাওলা ও করণ জোহরের অনুপস্থিতি
২০২৫ সালের তালিকার সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণে আরও একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। গত বছর বলিউডের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় শাহরুখ খানের পরেই ছিলেন জুহি চাওলা ও তাঁর পরিবার, যাদের সম্পদের পরিমাণ ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৭৯০ কোটি রুপি। তবে, ২০২৬ সালের অভিনেতাদের তালিকায় জুহি চাওলার নাম অনুপস্থিত।
একইভাবে, গত বছরের তালিকায় ১ হাজার ৮৮০ কোটি রুপি সম্পদের মালিক হিসেবে পরিচালক ও প্রযোজক করণ জোহরের নাম ছিল। কিন্তু এই বছর তিনিও তালিকায় অনুপস্থিত।
জুহি চাওলার বিপুল সম্পদের সাথে নাইট রাইডার্স স্পোর্টসের ব্যবসায়িক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অন্যদিকে, করণ জোহরের সম্পদের অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্মা প্রোডাকশনস। এই কারণে, ২০২৬ সালের তালিকায় তাঁদের অনুপস্থিতি পূর্ববর্তী বছরের হিসাবের সাথে এক বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি করেছে।
চলচ্চিত্র বহির্ভূত ব্যবসায় বিশাল সম্পদ
হুরুন প্রকাশিত এই তালিকা কেবল অভিনেতাদের আর্থিক অবস্থাই উন্মোচন করে না, বরং বলিউডের ব্যবসায়িক কাঠামোর পরিবর্তনশীল চিত্রও তুলে ধরে। অভিনয়ের পাশাপাশি, প্রযোজনা সংস্থা, ক্রীড়া ফ্র্যাঞ্চাইজি, বিভিন্ন ব্র্যান্ড এবং কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে তারকারা এখন তাঁদের সম্পদের পরিধি প্রসার করছেন।
এই তালিকায় চলচ্চিত্র শিল্পের সাথে জড়িত আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ধনী ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 'রামায়ণ'-এর প্রযোজক নমিত মালহোত্রার পিতা নরেশ মালহোত্রার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১৬ হাজার কোটি রুপি। এছাড়াও, টি-সিরিজের ভূষণ কুমার, রনি স্ক্রুওয়ালা এবং সান পিকচার্সের কালানিথি মারানের মতো উল্লেখযোগ্য প্রযোজকেরাও এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
এদিকে, বড় পর্দায় শাহরুখ খানের প্রত্যাবর্তন প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে। তাঁর আসন্ন চলচ্চিত্র ‘কিং’ পরিচালনা করেছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ। এই ছবিতে শাহরুখ খানের সাথে তাঁর মেয়ে সুহানা খানও অভিনয় করছেন। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন, রানী মুখার্জি, অভিষেক বচ্চন, রাঘব জুয়াল, জয়দীপ আহলাওয়াত, আরশাদ ওয়ার্সি এবং জ্যাকি শ্রফ। ছবিটি ২৪ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য নির্ধারিত রয়েছে।
