Fri 7th Aug 2026, 4:39 am

মাদক এখন জেলখানায়

মাদক এখন জেলখানায়

দেশের কারা কর্তৃপক্ষ বলছে দেশের কারাবন্দী মানুষদের মধ্যে ৩৫ শতাংশের বেশি মাদক সংক্রান্ত অপরাধের সাথে জড়িত। জাতীয় জীবনে মাদকের সমস্যার মত কারাগারের ভেতরেও এটি একটি সংকটে রূপ নিয়েছে। আর এমন প্রেক্ষাপটেই মঙ্গলবার থেকে পালিত হচ্ছে কারা সপ্তাহ ২০১৮।

‘সংশোধন ও প্রশিক্ষণ, বন্দির হবে পুনর্বাসন’ এই শ্লোগান সামনে রেখে ২৬শে মার্চ পর্যন্ত চলবে কারা সপ্তাহ। বাংলাদেশের ৬৮টি কারাগারে বন্দির সংখ্যা ৭৭ হাজার ১২৪ জন। খবর বিবিসির

কারা মহাপদির্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখারউদ্দিন বলেন, কারাবন্দীদের মধ্যে ৩৫ শতাংশ মাদক সংক্রান্ত অপরাধের সাথে জড়িত। কেউ কেউ আসক্ত আর কেউ পাচার ও ব্যবসার সাথে জড়িত।

তিনি জানান, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৫০ শয্যার হাসপাতাল হবে শুধুমাত্র মাদকাসক্তদের চিকিৎসার জন্য।

কারা অধিদপ্তরের কিছু কর্মচারীও মাদকের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে, জানান কারা মহাপরিদর্শক। তাদের ব্যাপারে জেল কর্তৃপক্ষ কী ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে?

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখারউদ্দিন বলেন, ‘শনাক্ত করার সাথে সাথে তাদের অনেককে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। বিশেষ অভিযান চালিয়েও তাদের কাউকে কাউকে ধরা হয়েছে এবং বরখাস্ত করা হয়েছে কয়েকজনকে। কারো কারো বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে কারাগারের ভেতরে বিভিন্ন উপায়ে গাঁজা, ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক দ্রব্য বহন করে নেয়া হয়। সেগুলো বন্দীদের কাছে কাছে কেনা-বেচাও চলে জেলখানার ভেতরে। কিন্তু কারাগারে মাদক যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ কতটা তৎপর?

এই প্রশ্নে কারা মহাপরিদর্শক ইফতেখারউদ্দিন বলেন, কারাগারে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে একটা পথ বন্ধ হলে অন্য পথ ব্যবহার করছে অপরাধীরা।

অবৈধভাবে যাতে মাদক জেলখানার ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য লাগেজ স্ক্যানার ও বডি স্ক্যানার বসানো হয়েছে বলেও জানান কারা মহাপরিদর্শক।