এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে কাঙ্ক্ষিত ফল না আসায় যে সকল পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট, তাদের জন্য ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণ বা খাতা চ্যালেঞ্জ করার একটি সুযোগ উন্মোচিত হয়েছে। মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। বর্তমান নতুন পদ্ধতিতে প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি প্রদান করে অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য পরীক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। পরবর্তীতে ড্রপডাউন মেনু থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে ‘সাবমিট’ বোতামে ক্লিক করে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিতে হবে। পরবর্তী ধাপে একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর প্রদান করা আবশ্যক। পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশের পর, প্রদত্ত এই নম্বরেই এসএমএসের মাধ্যমে ফলফল সম্পর্কে অবগত করা হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া:
আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করার পর, শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে। যে সকল বিষয়ে পুনর্নিরীক্ষণ করতে ইচ্ছুক, সেগুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বোতামে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য নির্ধারিত ফি ১৫০ টাকা। যদি কোনো বিষয়ে দুটি পত্র থাকে এবং পরীক্ষার্থী উভয় পত্রের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, তবে দুটি পত্রের জন্যই আলাদাভাবে আবেদন দাখিল করতে হবে।
ফি পরিশোধের পদ্ধতি:
বিষয় নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর, পরবর্তী স্ক্রিনে মোট পরিশোধযোগ্য ফি-এর পরিমাণ প্রদর্শিত হবে। পরীক্ষার্থীরা বিকাশ, নগদ অথবা সোনালী সেবার মাধ্যমে এই ফি পরিশোধ করতে পারবেন। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নির্দেশিকা পুনর্নিরীক্ষণ পোর্টালেই সহজলভ্য হবে। ফি সফলভাবে পরিশোধ করার পর, পরীক্ষার্থীকে পুনরায় আবেদন পোর্টালে ফিরে এসে ‘জমা দিন’ বোতামে ক্লিক করে আবেদন প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত করতে হবে।
নতুন বিষয় সংযোজনের সুযোগ:
একবার ফি প্রদান করে আবেদন জমা দেওয়ার পরেও, কোনো শিক্ষার্থী চাইলে একই পদ্ধতিতে নতুন কোনো বিষয় পুনর্নিরীক্ষণের জন্য যুক্ত করতে পারবেন। এক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর প্রদান করার কোনো প্রয়োজন হবে না। অন্যদিকে, ফি পরিশোধের পূর্বে যদি আবেদন পরিবর্তন বা সংশোধন করার প্রয়োজন হয়, তবে ‘মুছে ফেলুন’ বোতামে ক্লিক করে যে সকল বিষয়ের জন্য এখনো ফি পরিশোধ করা হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করা যাবে। এরপর নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা সম্ভব হবে। তবে, একবার কোনো বিষয়ের ফি পরিশোধ হয়ে গেলে সেটি আর বাতিল করার সুযোগ থাকবে না। পরিশোধকৃত ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরতযোগ্য হবে না।
আবেদনের শেষ তারিখ ১৭ আগস্ট:
পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। উল্লেখ্য, এবার কোনো প্রকার ম্যানুয়াল বা হাতে লেখা আবেদন গ্রহণ করা হবে না। অতএব, ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের সময়ক্ষেপণ না করে নির্ধারিত অনলাইন পদ্ধতি অনুসরণ করে খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন দাখিল করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য পরীক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। পরবর্তীতে ড্রপডাউন মেনু থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে ‘সাবমিট’ বোতামে ক্লিক করে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিতে হবে। পরবর্তী ধাপে একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর প্রদান করা আবশ্যক। পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশের পর, প্রদত্ত এই নম্বরেই এসএমএসের মাধ্যমে ফলফল সম্পর্কে অবগত করা হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া:
আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করার পর, শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে। যে সকল বিষয়ে পুনর্নিরীক্ষণ করতে ইচ্ছুক, সেগুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বোতামে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য নির্ধারিত ফি ১৫০ টাকা। যদি কোনো বিষয়ে দুটি পত্র থাকে এবং পরীক্ষার্থী উভয় পত্রের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, তবে দুটি পত্রের জন্যই আলাদাভাবে আবেদন দাখিল করতে হবে।
ফি পরিশোধের পদ্ধতি:
বিষয় নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর, পরবর্তী স্ক্রিনে মোট পরিশোধযোগ্য ফি-এর পরিমাণ প্রদর্শিত হবে। পরীক্ষার্থীরা বিকাশ, নগদ অথবা সোনালী সেবার মাধ্যমে এই ফি পরিশোধ করতে পারবেন। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নির্দেশিকা পুনর্নিরীক্ষণ পোর্টালেই সহজলভ্য হবে। ফি সফলভাবে পরিশোধ করার পর, পরীক্ষার্থীকে পুনরায় আবেদন পোর্টালে ফিরে এসে ‘জমা দিন’ বোতামে ক্লিক করে আবেদন প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত করতে হবে।
নতুন বিষয় সংযোজনের সুযোগ:
একবার ফি প্রদান করে আবেদন জমা দেওয়ার পরেও, কোনো শিক্ষার্থী চাইলে একই পদ্ধতিতে নতুন কোনো বিষয় পুনর্নিরীক্ষণের জন্য যুক্ত করতে পারবেন। এক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর প্রদান করার কোনো প্রয়োজন হবে না। অন্যদিকে, ফি পরিশোধের পূর্বে যদি আবেদন পরিবর্তন বা সংশোধন করার প্রয়োজন হয়, তবে ‘মুছে ফেলুন’ বোতামে ক্লিক করে যে সকল বিষয়ের জন্য এখনো ফি পরিশোধ করা হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করা যাবে। এরপর নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা সম্ভব হবে। তবে, একবার কোনো বিষয়ের ফি পরিশোধ হয়ে গেলে সেটি আর বাতিল করার সুযোগ থাকবে না। পরিশোধকৃত ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরতযোগ্য হবে না।
আবেদনের শেষ তারিখ ১৭ আগস্ট:
পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। উল্লেখ্য, এবার কোনো প্রকার ম্যানুয়াল বা হাতে লেখা আবেদন গ্রহণ করা হবে না। অতএব, ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের সময়ক্ষেপণ না করে নির্ধারিত অনলাইন পদ্ধতি অনুসরণ করে খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন দাখিল করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।