গত প্রায় পনেরো দিন আশানুরূপ ইলিশের দেখা না মেলায় যে স্থবিরতা বিরাজ করছিল, বঙ্গোপসাগরের উদারতায় তা কেটে গেছে। বর্তমানে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ, যা চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহ্যবাহী রাসমণি ইলিশ ঘাটে ফিরিয়ে এনেছে প্রাণবন্ত কর্মচাঞ্চল্য। বুধবার সকাল থেকেই জেলেরা তাদের ইলিশভর্তি নৌকা নিয়ে ঘাটে ভিড়তে শুরু করেন।
ঘাটে নামার সাথে সাথেই শুরু হয় এক উৎসবমুখর কর্মযজ্ঞ। আকার ও মানভেদে প্রতিটি মণ ইলিশ পনেরো হাজার টাকা থেকে শুরু করে সত্তর হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। জেলেরা গভীর সমুদ্র থেকে কষ্টার্জিত মাছ নিয়ে আসার পর তা দ্রুত ঘাটে নামানো হয়। এরপর পাইকারদের মধ্যে শুরু হয় তীব্র প্রতিযোগিতা – ডাকের মাধ্যমে ইলিশের কেনাবেচা। বিক্রেতারা আগ্রহ ভরে বিভিন্ন আকারের মাছ প্রদর্শন করছেন, আর ক্রেতারা তাদের চাহিদামতো মাছ ঝুড়িতে তুলে নিচ্ছেন। ওজন, হিসাব-নিকাশ এবং বিক্রির এই সার্বক্ষণিক ব্যস্ততা রাসমণি ঘাটকে করে তুলেছে সরব ও মুখরিত। আড়তদারেরা দ্রুত হাতে হিসাব নিকাশ সম্পন্ন করছেন, যা বাণিজ্যের সুষ্ঠু প্রবাহ নিশ্চিত করছে। শুধু ঘাটেই নয়, সাগরপাড়েও খুচরা বিক্রির ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। এই ইলিশের সমারোহ কেবল জেলেদের মুখেই হাসি ফোটায়নি, বরং সমগ্র মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী মহলে এনে দিয়েছে এক নতুন উদ্দীপনা।
ঘাটে নামার সাথে সাথেই শুরু হয় এক উৎসবমুখর কর্মযজ্ঞ। আকার ও মানভেদে প্রতিটি মণ ইলিশ পনেরো হাজার টাকা থেকে শুরু করে সত্তর হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। জেলেরা গভীর সমুদ্র থেকে কষ্টার্জিত মাছ নিয়ে আসার পর তা দ্রুত ঘাটে নামানো হয়। এরপর পাইকারদের মধ্যে শুরু হয় তীব্র প্রতিযোগিতা – ডাকের মাধ্যমে ইলিশের কেনাবেচা। বিক্রেতারা আগ্রহ ভরে বিভিন্ন আকারের মাছ প্রদর্শন করছেন, আর ক্রেতারা তাদের চাহিদামতো মাছ ঝুড়িতে তুলে নিচ্ছেন। ওজন, হিসাব-নিকাশ এবং বিক্রির এই সার্বক্ষণিক ব্যস্ততা রাসমণি ঘাটকে করে তুলেছে সরব ও মুখরিত। আড়তদারেরা দ্রুত হাতে হিসাব নিকাশ সম্পন্ন করছেন, যা বাণিজ্যের সুষ্ঠু প্রবাহ নিশ্চিত করছে। শুধু ঘাটেই নয়, সাগরপাড়েও খুচরা বিক্রির ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। এই ইলিশের সমারোহ কেবল জেলেদের মুখেই হাসি ফোটায়নি, বরং সমগ্র মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী মহলে এনে দিয়েছে এক নতুন উদ্দীপনা।