যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জোরালোভাবে ঘোষণা করেছেন যে, তাঁর প্রশাসনের নির্দেশনায় ইরানে পরিচালিত সামরিক অভিযানে দেশটির সামগ্রিক সামরিক সক্ষমতার গুরুতর ক্ষতি সাধিত হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যদিও ইরান মধ্যপ্রাচ্যে একটি প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে, তবে তাঁর শাসনামলে তেহরান তাঁর ওপর কোনো রকম প্রভাব বিস্তারে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সকল বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ‘ইরানের সামরিক শক্তি অনেকটাই খর্ব করা সম্ভব হয়েছে এবং তাদের অবশিষ্ট সামরিক সক্ষমতা বর্তমানে অত্যন্ত সীমিত পর্যায়ে রয়েছে।’ তিনি বিশদভাবে বর্ণনা করে বলেন যে, ইরানের ১৫৯টি যুদ্ধজাহাজ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং দেশটির প্রায় ২০০টি যুদ্ধবিমানও তাদের কার্যকারিতা সম্পূর্ণরূপে হারিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ‘তাদের রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, এবং অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৮৪ শতাংশ বিনষ্ট করা হয়েছে।’ তাঁর মতে, ‘চার মাস পূর্বের ইরান এবং বর্তমান ইরানের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। বিগত চার মাসে আমরা তাদের সামরিক ও প্রযুক্তিগতভাবে অনেকটা প্রস্তর যুগে ঠেলে দিতে সক্ষম হয়েছি।’ তবে, তিনি অবশ্য স্বীকার করেছেন যে, ইরানের হাতে এখনও কিছু সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সীমিত সামরিক সক্ষমতা বিদ্যমান রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে একসময় ইরান তার প্রভাব বিস্তার করলেও, ট্রাম্পের দৃঢ় দাবি, তাঁর প্রশাসনিক আমলে তাঁর ওপর ইরানের যেকোনো রকম আধিপত্য বিস্তারের সমস্ত অপচেষ্টা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।
ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ‘ইরানের সামরিক শক্তি অনেকটাই খর্ব করা সম্ভব হয়েছে এবং তাদের অবশিষ্ট সামরিক সক্ষমতা বর্তমানে অত্যন্ত সীমিত পর্যায়ে রয়েছে।’ তিনি বিশদভাবে বর্ণনা করে বলেন যে, ইরানের ১৫৯টি যুদ্ধজাহাজ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং দেশটির প্রায় ২০০টি যুদ্ধবিমানও তাদের কার্যকারিতা সম্পূর্ণরূপে হারিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ‘তাদের রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, এবং অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৮৪ শতাংশ বিনষ্ট করা হয়েছে।’ তাঁর মতে, ‘চার মাস পূর্বের ইরান এবং বর্তমান ইরানের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। বিগত চার মাসে আমরা তাদের সামরিক ও প্রযুক্তিগতভাবে অনেকটা প্রস্তর যুগে ঠেলে দিতে সক্ষম হয়েছি।’ তবে, তিনি অবশ্য স্বীকার করেছেন যে, ইরানের হাতে এখনও কিছু সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সীমিত সামরিক সক্ষমতা বিদ্যমান রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে একসময় ইরান তার প্রভাব বিস্তার করলেও, ট্রাম্পের দৃঢ় দাবি, তাঁর প্রশাসনিক আমলে তাঁর ওপর ইরানের যেকোনো রকম আধিপত্য বিস্তারের সমস্ত অপচেষ্টা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।