তৈরি পোশাকের উপর রপ্তানি নির্ভরতা হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জোরদার করার লক্ষ্যে সরকার নতুন পণ্য ও বাজারের সন্ধানে বিশ্বের ২০টি কৌশলগত দেশ চিহ্নিত করেছে। এই দেশগুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জাপান, চীন, ভারত, কানাডা, বেলজিয়াম, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, ইরান, ব্রাজিল, তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ফিজি।
এই প্রেক্ষাপটে, সোমবার সচিবালয়ে 'বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ কৌশল: ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য গন্তব্যে পণ্য ও বাজারের বৈচিত্র্য' শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা আয়োজিত হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে উল্লিখিত সম্ভাব্য নতুন বাজারগুলির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে।
কর্মশালায় এসব চিহ্নিত বাজারের সম্ভাবনা, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, প্রতিযোগী দেশগুলোর অবস্থান এবং বাংলাদেশের করণীয় বিষয়গুলি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করার উপর জোর দেওয়া হয়। এই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে একটি সুসংহত রপ্তানি বহুমুখীকরণ কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হবে। এছাড়াও, প্রতিটি বাজারের জন্য পৃথক রপ্তানি কৌশলপত্র তৈরির পরিকল্পনাও কর্মশালায় ঘোষণা করা হয়।
বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), ওয়ালটন গ্রুপ, বাংলাদেশ অ্যাগ্রোপ্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতিসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা রপ্তানি সম্প্রসারণে তাদের মূল্যবান প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
কর্মশালা সমাপ্তির পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, অংশগ্রহণকারীরা তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অন্যান্য সেবা খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে অধিকতর প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তাঁদের মতে, চিহ্নিত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক গন্তব্যগুলিকে কেন্দ্র করে একটি সমন্বিত কৌশল গ্রহণ করা হলে তা বাংলাদেশের রপ্তানির ভিত্তি সুদৃঢ় করবে। এছাড়াও, এটি নতুন পণ্য ও বাজার সৃষ্টি, বিদ্যমান বাজারে অংশীদারত্ব বৃদ্ধি এবং দীর্ঘ মেয়াদে একটি বহুমুখী ও টেকসই রপ্তানি কাঠামো প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করবে।
বাণিজ্যসচিব তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে অধিকতর শক্তিশালী ও টেকসই করতে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ এবং বাজার বৈচিত্র্যকরণ—উভয় ক্ষেত্রেই সমগুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান জোর দিয়ে বলেন যে, রপ্তানি বহুমুখীকরণে কেবল পণ্য রপ্তানি নয়, সেবা রপ্তানিকেও সমান অগ্রাধিকার দিতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি, দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতি এবং সক্ষমতাবর্ধক সেবা খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সারদের প্রবৃদ্ধির জন্যও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য।
মোস্তাফিজুর রহমান আরও অভিমত ব্যক্ত করেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হলে উৎপাদন ও সেবা খাতে প্রযুক্তির প্রয়োগ বৃদ্ধি করা অত্যাবশ্যক। একইসাথে, ভৌগোলিক নৈকট্য ও বিদ্যমান সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবা রপ্তানি বৃদ্ধির প্রচেষ্টা আরও বেগবান করা প্রয়োজন।
এই প্রেক্ষাপটে, সোমবার সচিবালয়ে 'বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ কৌশল: ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য গন্তব্যে পণ্য ও বাজারের বৈচিত্র্য' শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা আয়োজিত হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে উল্লিখিত সম্ভাব্য নতুন বাজারগুলির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে।
কর্মশালায় এসব চিহ্নিত বাজারের সম্ভাবনা, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, প্রতিযোগী দেশগুলোর অবস্থান এবং বাংলাদেশের করণীয় বিষয়গুলি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করার উপর জোর দেওয়া হয়। এই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে একটি সুসংহত রপ্তানি বহুমুখীকরণ কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হবে। এছাড়াও, প্রতিটি বাজারের জন্য পৃথক রপ্তানি কৌশলপত্র তৈরির পরিকল্পনাও কর্মশালায় ঘোষণা করা হয়।
বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), ওয়ালটন গ্রুপ, বাংলাদেশ অ্যাগ্রোপ্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতিসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা রপ্তানি সম্প্রসারণে তাদের মূল্যবান প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
কর্মশালা সমাপ্তির পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, অংশগ্রহণকারীরা তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অন্যান্য সেবা খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে অধিকতর প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তাঁদের মতে, চিহ্নিত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক গন্তব্যগুলিকে কেন্দ্র করে একটি সমন্বিত কৌশল গ্রহণ করা হলে তা বাংলাদেশের রপ্তানির ভিত্তি সুদৃঢ় করবে। এছাড়াও, এটি নতুন পণ্য ও বাজার সৃষ্টি, বিদ্যমান বাজারে অংশীদারত্ব বৃদ্ধি এবং দীর্ঘ মেয়াদে একটি বহুমুখী ও টেকসই রপ্তানি কাঠামো প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করবে।
বাণিজ্যসচিব তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে অধিকতর শক্তিশালী ও টেকসই করতে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ এবং বাজার বৈচিত্র্যকরণ—উভয় ক্ষেত্রেই সমগুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান জোর দিয়ে বলেন যে, রপ্তানি বহুমুখীকরণে কেবল পণ্য রপ্তানি নয়, সেবা রপ্তানিকেও সমান অগ্রাধিকার দিতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি, দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতি এবং সক্ষমতাবর্ধক সেবা খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সারদের প্রবৃদ্ধির জন্যও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য।
মোস্তাফিজুর রহমান আরও অভিমত ব্যক্ত করেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হলে উৎপাদন ও সেবা খাতে প্রযুক্তির প্রয়োগ বৃদ্ধি করা অত্যাবশ্যক। একইসাথে, ভৌগোলিক নৈকট্য ও বিদ্যমান সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবা রপ্তানি বৃদ্ধির প্রচেষ্টা আরও বেগবান করা প্রয়োজন।
