হাড়ের সুদৃঢ়তা বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি পরিপূরকের ব্যবহার ব্যাপক প্রচলিত, বিশেষ করে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর মধ্যে। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ হাড় ভাঙা বা ভারসাম্যহীনতার কারণে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কার্যকারিতা প্রদর্শন করে না।
চিকিৎসাবিষয়ক বিশ্বখ্যাত সাময়িকী 'দ্য বিএমজে'-তে প্রকাশিত এই গবেষণাটি ৬৯টি সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রণীত হয়েছে, যেখানে মোট ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯০২ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশগ্রহণ করেছিলেন।
হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ক্যালসিয়াম হাড়ের গাঠনিক উপাদানের অন্যতম প্রধান অংশ, আর ভিটামিন ডি শরীরে এর সঠিক শোষণ নিশ্চিত করে, যা শক্তিশালী ও সুস্থ হাড়ের জন্য অত্যাবশ্যক।
পূর্ববর্তী গবেষণার পর্যালোচনাগুলোতে দেখা গেছে, ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি এককভাবে হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমাতে ফলপ্রসূ নয়। দুটি একসঙ্গে গ্রহণের সুফল নিয়েও গবেষণার ফলাফল ছিল অসংগতিপূর্ণ। একইভাবে, ভিটামিন ডি সেবনে ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কতটা কমে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা বিদ্যমান ছিল।
এইসব প্রশ্নের উত্তর পুরোপুরি স্পষ্ট না হওয়া সত্ত্বেও, বহু চিকিৎসক, স্বাস্থ্য নির্দেশিকা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা হাড়ের স্বাস্থ্যোন্নয়নে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি একসঙ্গে বা পৃথকভাবে গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব পরিপূরকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে, নতুন গবেষণার ফলাফল ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। এতে দেখা যায়, ক্যালসিয়াম এককভাবে গ্রহণে হাড় ভাঙার সামগ্রিক ঝুঁকিতে কোনো তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন আসে না। ভিটামিন ডি এককভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ফলাফল পরিলক্ষিত হয়েছে। এমনকি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি যুগপৎ গ্রহণেও হাড় ভাঙা কিংবা ভারসাম্যহীনতার কারণে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাসে কোনো সুস্পষ্ট উপকারের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স, লিঙ্গ, পূর্ববর্তী হাড় ভাঙার ইতিহাস, পড়ে যাওয়ার ঘটনা এবং খাদ্যাভ্যাস থেকে প্রাপ্ত ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সহ বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরও ফলাফলে বড় কোনো তারতম্য দেখা যায়নি।
গবেষকেরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এই ফলাফল সকলের ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। বিশেষত, নির্দিষ্ট ধরনের হাড়ের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বা অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসাধীন রোগীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিরেকে নিয়মিত গ্রহণ করা কোনো পরিপূরক হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়।
গবেষণার লেখকেরা মনে করেন, সবার জন্য নিয়মিত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি গ্রহণের সুপারিশ পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। হাড় ভাঙা ও ভারসাম্যহীনতার কারণে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে ব্যক্তির বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং ঝুঁকির মাত্রার ওপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা যেতে পারে।
গবেষণায় পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাসে ব্যায়ামের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ভারসাম্য ও পেশী শক্তি বৃদ্ধির অনুশীলন শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়াও, ঘরের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহ চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও বলা হয়েছে।
চিকিৎসাবিষয়ক বিশ্বখ্যাত সাময়িকী 'দ্য বিএমজে'-তে প্রকাশিত এই গবেষণাটি ৬৯টি সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রণীত হয়েছে, যেখানে মোট ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯০২ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশগ্রহণ করেছিলেন।
হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ক্যালসিয়াম হাড়ের গাঠনিক উপাদানের অন্যতম প্রধান অংশ, আর ভিটামিন ডি শরীরে এর সঠিক শোষণ নিশ্চিত করে, যা শক্তিশালী ও সুস্থ হাড়ের জন্য অত্যাবশ্যক।
পূর্ববর্তী গবেষণার পর্যালোচনাগুলোতে দেখা গেছে, ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি এককভাবে হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমাতে ফলপ্রসূ নয়। দুটি একসঙ্গে গ্রহণের সুফল নিয়েও গবেষণার ফলাফল ছিল অসংগতিপূর্ণ। একইভাবে, ভিটামিন ডি সেবনে ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কতটা কমে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা বিদ্যমান ছিল।
এইসব প্রশ্নের উত্তর পুরোপুরি স্পষ্ট না হওয়া সত্ত্বেও, বহু চিকিৎসক, স্বাস্থ্য নির্দেশিকা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা হাড়ের স্বাস্থ্যোন্নয়নে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি একসঙ্গে বা পৃথকভাবে গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব পরিপূরকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে, নতুন গবেষণার ফলাফল ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। এতে দেখা যায়, ক্যালসিয়াম এককভাবে গ্রহণে হাড় ভাঙার সামগ্রিক ঝুঁকিতে কোনো তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন আসে না। ভিটামিন ডি এককভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ফলাফল পরিলক্ষিত হয়েছে। এমনকি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি যুগপৎ গ্রহণেও হাড় ভাঙা কিংবা ভারসাম্যহীনতার কারণে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাসে কোনো সুস্পষ্ট উপকারের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স, লিঙ্গ, পূর্ববর্তী হাড় ভাঙার ইতিহাস, পড়ে যাওয়ার ঘটনা এবং খাদ্যাভ্যাস থেকে প্রাপ্ত ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সহ বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরও ফলাফলে বড় কোনো তারতম্য দেখা যায়নি।
গবেষকেরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এই ফলাফল সকলের ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। বিশেষত, নির্দিষ্ট ধরনের হাড়ের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বা অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসাধীন রোগীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিরেকে নিয়মিত গ্রহণ করা কোনো পরিপূরক হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়।
গবেষণার লেখকেরা মনে করেন, সবার জন্য নিয়মিত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি গ্রহণের সুপারিশ পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। হাড় ভাঙা ও ভারসাম্যহীনতার কারণে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে ব্যক্তির বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং ঝুঁকির মাত্রার ওপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা যেতে পারে।
গবেষণায় পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাসে ব্যায়ামের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ভারসাম্য ও পেশী শক্তি বৃদ্ধির অনুশীলন শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়াও, ঘরের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহ চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও বলা হয়েছে।