বিজ্ঞাপনগত শনিবার সকাল-দুপুরেও ছিলেন দলের অনুশীলনে, কাজ করেছেন শিষ্যদের ব্যাটিংয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে। সন্ধ্যায় খবর পেলেন কোচিংয়ের দায়িত্বে আর নেই।
সিরিজ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে বিসিবির এমন 'বরখাস্তের' সিদ্ধান্ত অবশ্য মেনে নিয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে সেটা আক্ষেপ নিয়ে নাকি খুশি মনে, সেটা নিয়ে থাকতে পারে বিতর্ক।
কোচিং থেকে বরখাস্তের পরের দিন এক সংবাদ সম্মেলনে আশরাফুল জানান, দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়ার বিষয়টি তিনি নিজেও জানতেন না, 'গতকাল মাগরিবের পরে জানতে পেরেছি জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে এবং বাকি যে তিন মাস সময় আছে, সেটা যখন কোনো অ্যাসাইনমেন্ট থাকবে, তখন জানানো হবে।' আশরাফুলের সঙ্গে বিসিবির চুক্তি ছিল ২০২৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই চুক্তির আগেই তাকে ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।
এখন নিজের ভবিষ্যৎ অ্যাসাইনমেন্ট সম্পর্কেও কোনো ধারণা নেই বলে জানিয়েছেন সাবেক এই ক্রিকেটার, 'আমার চুক্তি জানুয়ারির ৩১ তারিখ পর্যন্ত, এই ৩ মাস আমাকে হয়তো অন্য কাজে লাগানো হবে। আপাতত শুধু জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে থাকছি না, এটাই বলা হচ্ছে।
তবে আক্ষেপ না করে বাস্তবতাকে মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আশরাফুল, 'আমার চুক্তিটা এভাবেই ছিল যে তারা যদি মনে করেন আমাকে অন্য জায়গায় কাজে লাগাবেন, সেটাও করতে পারেন। তো অবশ্যই আমি মনে করি না (কোনো অন্যায় হয়েছে)।' বরখাস্ত মেনে নিলেও নিজের দায়িত্বের সময়ে পরিসংখ্যান নিয়ে খুশি আশরাফুল।
আর সে কারণেই দায়িত্ব থেকে বাদ পড়ার কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না সাবেক এই ক্রিকেটার। তিনি বলেন, 'আমাদের দল ভালো ট্র্যাকেই আছে।
যদিও আমরা ওয়ানডেতে ভালো করতে পারিনি; কিন্তু আমাদের টেস্ট দলটা খুবই গোছানো। আমি যখন ২০২৫ নভেম্বরে প্রথম ঢুকেছিলাম, আয়ারল্যান্ডের সাথে দুইটা টেস্ট ম্যাচে, তখনই বলেছিলাম যে আমাদের টেস্ট দলটা সবচেয়ে গোছানো, অভিজ্ঞ।
ফলাফলও যদি দেখেন, আমি আসার পরে ৮টা টেস্ট ম্যাচে পাঁচ জয়, একটাতে ড্র। ব্যাটারদের সবারই গড় ৫০ থেকে ৫২ এবং ৪৫-৪৫ এরকম।
ব্যাটাররা সবাই ভালো করছেন, ৮ ম্যাচে ৯টা সেঞ্চুরি, ২২টা বা ২৩টা ফিফটি করেছেন, ১০০ রানের জুটি প্রায় ম্যাচেই হয়েছে। যে দুটো টেস্ট ম্যাচে আমরা জুটি গড়তে পারিনি; জিম্বাবুয়ে এবং ম্যাকাওতে, ওই দুটো ম্যাচে আমরা ফলাফল পাইনি।
এছাড়া কিন্তু প্রত্যেকটা ম্যাচেই আমাদের ব্যাটাররা ভালো করেছে। এটা ক্রিকেট বোর্ড ভালো বলতে পারবেন, কেন নাই।
কিন্তু যেহেতু আমি পেশাদার কোচ, আমার ক্যারিয়ারের মাত্র শুরু। হয়তোবা আরও অনেক কিছু শিখব।' বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে ১১ মাস কাজ করেছেন আশরাফুল।
শেষটা আশানুরূপ না হলেও গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে কাজ করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আক্ষেপ নাই, 'আলহামদুলিল্লাহ আমি খুবই খুশি।
বাংলাদেশের হয়ে একদিন কাজ করাটাও গর্বের বিষয়। আলহামদুলিল্লাহ আমি ১১ মাস কাজ করতে পেরেছি এবং ভালো-খারাপ সবকিছু মিলেই সময় কাটিয়েছি।
আবার ভবিষ্যতে দেখা হবে।' ের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
সিরিজ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে বিসিবির এমন 'বরখাস্তের' সিদ্ধান্ত অবশ্য মেনে নিয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে সেটা আক্ষেপ নিয়ে নাকি খুশি মনে, সেটা নিয়ে থাকতে পারে বিতর্ক।
কোচিং থেকে বরখাস্তের পরের দিন এক সংবাদ সম্মেলনে আশরাফুল জানান, দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়ার বিষয়টি তিনি নিজেও জানতেন না, 'গতকাল মাগরিবের পরে জানতে পেরেছি জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে এবং বাকি যে তিন মাস সময় আছে, সেটা যখন কোনো অ্যাসাইনমেন্ট থাকবে, তখন জানানো হবে।' আশরাফুলের সঙ্গে বিসিবির চুক্তি ছিল ২০২৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই চুক্তির আগেই তাকে ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।
এখন নিজের ভবিষ্যৎ অ্যাসাইনমেন্ট সম্পর্কেও কোনো ধারণা নেই বলে জানিয়েছেন সাবেক এই ক্রিকেটার, 'আমার চুক্তি জানুয়ারির ৩১ তারিখ পর্যন্ত, এই ৩ মাস আমাকে হয়তো অন্য কাজে লাগানো হবে। আপাতত শুধু জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে থাকছি না, এটাই বলা হচ্ছে।
তবে আক্ষেপ না করে বাস্তবতাকে মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আশরাফুল, 'আমার চুক্তিটা এভাবেই ছিল যে তারা যদি মনে করেন আমাকে অন্য জায়গায় কাজে লাগাবেন, সেটাও করতে পারেন। তো অবশ্যই আমি মনে করি না (কোনো অন্যায় হয়েছে)।' বরখাস্ত মেনে নিলেও নিজের দায়িত্বের সময়ে পরিসংখ্যান নিয়ে খুশি আশরাফুল।
আর সে কারণেই দায়িত্ব থেকে বাদ পড়ার কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না সাবেক এই ক্রিকেটার। তিনি বলেন, 'আমাদের দল ভালো ট্র্যাকেই আছে।
যদিও আমরা ওয়ানডেতে ভালো করতে পারিনি; কিন্তু আমাদের টেস্ট দলটা খুবই গোছানো। আমি যখন ২০২৫ নভেম্বরে প্রথম ঢুকেছিলাম, আয়ারল্যান্ডের সাথে দুইটা টেস্ট ম্যাচে, তখনই বলেছিলাম যে আমাদের টেস্ট দলটা সবচেয়ে গোছানো, অভিজ্ঞ।
ফলাফলও যদি দেখেন, আমি আসার পরে ৮টা টেস্ট ম্যাচে পাঁচ জয়, একটাতে ড্র। ব্যাটারদের সবারই গড় ৫০ থেকে ৫২ এবং ৪৫-৪৫ এরকম।
ব্যাটাররা সবাই ভালো করছেন, ৮ ম্যাচে ৯টা সেঞ্চুরি, ২২টা বা ২৩টা ফিফটি করেছেন, ১০০ রানের জুটি প্রায় ম্যাচেই হয়েছে। যে দুটো টেস্ট ম্যাচে আমরা জুটি গড়তে পারিনি; জিম্বাবুয়ে এবং ম্যাকাওতে, ওই দুটো ম্যাচে আমরা ফলাফল পাইনি।
এছাড়া কিন্তু প্রত্যেকটা ম্যাচেই আমাদের ব্যাটাররা ভালো করেছে। এটা ক্রিকেট বোর্ড ভালো বলতে পারবেন, কেন নাই।
কিন্তু যেহেতু আমি পেশাদার কোচ, আমার ক্যারিয়ারের মাত্র শুরু। হয়তোবা আরও অনেক কিছু শিখব।' বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে ১১ মাস কাজ করেছেন আশরাফুল।
শেষটা আশানুরূপ না হলেও গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে কাজ করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আক্ষেপ নাই, 'আলহামদুলিল্লাহ আমি খুবই খুশি।
বাংলাদেশের হয়ে একদিন কাজ করাটাও গর্বের বিষয়। আলহামদুলিল্লাহ আমি ১১ মাস কাজ করতে পেরেছি এবং ভালো-খারাপ সবকিছু মিলেই সময় কাটিয়েছি।
আবার ভবিষ্যতে দেখা হবে।' ের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন