কোয়ার্টার ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর লিওনেল মেসি মাঠের দিকে তাকিয়ে যেনো গভীর চিন্তায় মগ্ন ছিলেন। অতিরিক্ত সময়ে সুইসদের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছালেও, আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স মোটেও সন্তোষজনক ছিল না। নির্ধারিত সময়ে প্রতিপক্ষের পোস্টে মাত্র দুটি শট নিতে পেরেছিল দল, যখন ম্যাচটি ১-১ গোলে সমতায় ছিল। জাতীয় দলের হয়ে দুই শতাধিক ম্যাচ এবং ছয়টি বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মেসির জন্য এই ধরণের পারফরম্যান্স চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়, সে কথা তিনি ভালো করেই জানেন।
আসন্ন সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। আটলান্টায় বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় দুই দল মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচটি আরও একটি বিশেষ কারণে উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি বিস্তৃত ক্যারিয়ারে মেসি এর আগে কখনো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হননি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর ২০৬তম ম্যাচটি হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর প্রথম মহারণ। অন্যভাবে বললে, ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তির সঙ্গে এটি হবে ইংল্যান্ডের এক ঐতিহাসিক প্রথম সাক্ষাৎ।
ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, ২১ বছর পর আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড আবারও প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল মঞ্চে একে অপরের বিপক্ষে খেলবে। সর্বশেষ ২০০৫ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে ইংল্যান্ড ৩-২ গোলে জয়লাভ করেছিল। সেই ম্যাচের কয়েক মাস আগে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হওয়া মেসি লাল কার্ড দেখে পরের ম্যাচ থেকে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পর্যায়ে এর আগে কখনো মুখোমুখি হয়নি ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শেষবার ২০০২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে একে অপরের বিপক্ষে খেলেছিল। তবে, ১৯৮৬ এবং ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল।
১৯৬৬ সালের আসরে জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড, আর ১৯৮৬ সালের আসরে ডিয়েগো ম্যারাডোনার জাদুতে আর্জেন্টিনা জয়লাভ করে। ১৯৮৬ সালের সেই কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যারাডোনা ইংল্যান্ডের জালে দুটি গোল করেছিলেন – যার একটি বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোল এবং অন্যটি বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে বিবেচিত।
আসন্ন সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। আটলান্টায় বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় দুই দল মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচটি আরও একটি বিশেষ কারণে উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি বিস্তৃত ক্যারিয়ারে মেসি এর আগে কখনো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হননি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর ২০৬তম ম্যাচটি হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর প্রথম মহারণ। অন্যভাবে বললে, ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তির সঙ্গে এটি হবে ইংল্যান্ডের এক ঐতিহাসিক প্রথম সাক্ষাৎ।
ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, ২১ বছর পর আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড আবারও প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল মঞ্চে একে অপরের বিপক্ষে খেলবে। সর্বশেষ ২০০৫ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে ইংল্যান্ড ৩-২ গোলে জয়লাভ করেছিল। সেই ম্যাচের কয়েক মাস আগে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হওয়া মেসি লাল কার্ড দেখে পরের ম্যাচ থেকে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পর্যায়ে এর আগে কখনো মুখোমুখি হয়নি ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শেষবার ২০০২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে একে অপরের বিপক্ষে খেলেছিল। তবে, ১৯৮৬ এবং ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল।
১৯৬৬ সালের আসরে জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড, আর ১৯৮৬ সালের আসরে ডিয়েগো ম্যারাডোনার জাদুতে আর্জেন্টিনা জয়লাভ করে। ১৯৮৬ সালের সেই কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যারাডোনা ইংল্যান্ডের জালে দুটি গোল করেছিলেন – যার একটি বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোল এবং অন্যটি বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে বিবেচিত।