আসন্ন ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সরকার এবার ১০০ জন গুণী শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতীতে এই সম্মাননা প্রদানের সংখ্যা ছিল মাত্র ১২ জন। সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬’ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে গঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার প্রারম্ভিক ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন যৌথভাবে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
জাতি গঠনে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। পূর্বে সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষককে দুই লক্ষ টাকা করে প্রদান করা হলেও, এবার সম্মাননার আওতাধীন শিক্ষকদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনপ্রতি অর্থের পরিমাণ এক লক্ষ টাকায় হ্রাস করার একটি প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
তবে, সংবাদ সম্মেলনের সমাপ্তির পর শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন Desi Media Point-কে দূরভাষে জানান যে, সম্মানির পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করছেন।
এর পূর্বে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘকাল যাবৎ জাতীয় পর্যায়ে মাত্র ১২ জন শিক্ষক ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ লাভ করতেন। এবারই প্রথম প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত মোট ১০০ জন কৃতী শিক্ষককে এই সম্মাননার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। তিনি দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন যে, সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ শিক্ষক সমাজের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে এবং একইসাথে শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে শিক্ষকদের আরও অধিক অনুপ্রাণিত করবে। তিনি আরও জানান যে, আগামী ৫ অক্টোবর ইউনেসকো কর্তৃক ঘোষিত বিশ্ব শিক্ষক দিবস মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে উদযাপন করা হবে এবং উক্ত অনুষ্ঠানেই ১০০ জন গুণী শিক্ষকের হাতে এই সম্মাননা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হবে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল ও মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ।
জাতি গঠনে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। পূর্বে সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষককে দুই লক্ষ টাকা করে প্রদান করা হলেও, এবার সম্মাননার আওতাধীন শিক্ষকদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনপ্রতি অর্থের পরিমাণ এক লক্ষ টাকায় হ্রাস করার একটি প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
তবে, সংবাদ সম্মেলনের সমাপ্তির পর শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন Desi Media Point-কে দূরভাষে জানান যে, সম্মানির পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করছেন।
এর পূর্বে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘকাল যাবৎ জাতীয় পর্যায়ে মাত্র ১২ জন শিক্ষক ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ লাভ করতেন। এবারই প্রথম প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত মোট ১০০ জন কৃতী শিক্ষককে এই সম্মাননার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। তিনি দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন যে, সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ শিক্ষক সমাজের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে এবং একইসাথে শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে শিক্ষকদের আরও অধিক অনুপ্রাণিত করবে। তিনি আরও জানান যে, আগামী ৫ অক্টোবর ইউনেসকো কর্তৃক ঘোষিত বিশ্ব শিক্ষক দিবস মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে উদযাপন করা হবে এবং উক্ত অনুষ্ঠানেই ১০০ জন গুণী শিক্ষকের হাতে এই সম্মাননা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হবে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল ও মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ।
