৩০ বছর বা তার বেশি বয়সী মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য প্রতি বছর বাধ্যতামূলক টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তার মতে, টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি অনেক সময় বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই সময়মতো এ ঘাটতি শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় হেগসেথ জানান, পরীক্ষায় কোনো সেনাসদস্যের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কম পাওয়া গেলে তাকে টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির (TRT) পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। এর ফলে সেনাসদস্যরা আরও ভালো শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক মানুষের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যায়, যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি বিষয়। নতুন নীতিমালার আওতায় ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সী সেনাসদস্যদের বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তবে কারও শরীরে টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি শনাক্ত হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসা গ্রহণ করবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিই নেবেন। এছাড়া ৩০ বছরের কম বয়সী সেনাসদস্যরাও ইচ্ছা করলে এই পরীক্ষা করাতে পারবেন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন সময়ে এ সিদ্ধান্ত এলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ বয়সজনিত টেস্টোস্টেরনের ঘাটতির ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ব্যবহারের ওপর থাকা কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করার উদ্যোগ নিয়েছে। গত মাসে বিভাগটি এ বিষয়ে সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, টেস্টোস্টেরন পুরুষদের বয়ঃসন্ধি, পেশি গঠন, শুক্রাণু উৎপাদন এবং যৌন আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গবেষকদের ধারণা, অতিরিক্ত ওজন ও ডায়াবেটিসের মতো সমস্যাও শরীরে এই হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।
বুধবার (১৫ জুলাই) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় হেগসেথ জানান, পরীক্ষায় কোনো সেনাসদস্যের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কম পাওয়া গেলে তাকে টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির (TRT) পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। এর ফলে সেনাসদস্যরা আরও ভালো শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক মানুষের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যায়, যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি বিষয়। নতুন নীতিমালার আওতায় ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সী সেনাসদস্যদের বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তবে কারও শরীরে টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি শনাক্ত হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসা গ্রহণ করবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিই নেবেন। এছাড়া ৩০ বছরের কম বয়সী সেনাসদস্যরাও ইচ্ছা করলে এই পরীক্ষা করাতে পারবেন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন সময়ে এ সিদ্ধান্ত এলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ বয়সজনিত টেস্টোস্টেরনের ঘাটতির ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ব্যবহারের ওপর থাকা কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করার উদ্যোগ নিয়েছে। গত মাসে বিভাগটি এ বিষয়ে সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, টেস্টোস্টেরন পুরুষদের বয়ঃসন্ধি, পেশি গঠন, শুক্রাণু উৎপাদন এবং যৌন আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গবেষকদের ধারণা, অতিরিক্ত ওজন ও ডায়াবেটিসের মতো সমস্যাও শরীরে এই হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।