ইরান সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-কে শত্রুপক্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে দেশটির নৌ ও বিমানবাহিনীকেও ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তেহরান জানিয়েছে, লন্ডনের ক্রমবর্ধমান ‘শত্রুতাপূর্ণ’ পদক্ষেপের জবাব হিসেবে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতে যুক্তরাজ্যের অংশগ্রহণ এবং ২০২৬ সালের ‘স্টেট থ্রেটস অ্যাক্ট’ আইনের আওতায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
গত এক বছরে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এসব ঘোষণা এসেছে। উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে যুক্তরাজ্য আইআরজিসি-কে ‘স্টেট থ্রেটস অ্যাক্ট’ আইনের আওতায় তালিকাভুক্ত করে।
এই আইন বিদেশি রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ দেয়। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে কেউ আইআরজিসিকে সমর্থন বা সহায়তা করলে তার সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রিটিশ সরকারের ‘ইরানবিরোধী নীতিমালার’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, যা জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতিমালার লঙ্ঘন বলে তারা মনে করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানে হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়ছে।
সেই হামলার জবাবে ইরানও অঞ্চলজুড়ে পাল্টা আঘাত হেনেছিল। যদিও এরপর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তবুও নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে এই অঞ্চলে উত্তেজনা এখনো কমেনি।
তেহরান জানিয়েছে, লন্ডনের ক্রমবর্ধমান ‘শত্রুতাপূর্ণ’ পদক্ষেপের জবাব হিসেবে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতে যুক্তরাজ্যের অংশগ্রহণ এবং ২০২৬ সালের ‘স্টেট থ্রেটস অ্যাক্ট’ আইনের আওতায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
গত এক বছরে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এসব ঘোষণা এসেছে। উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে যুক্তরাজ্য আইআরজিসি-কে ‘স্টেট থ্রেটস অ্যাক্ট’ আইনের আওতায় তালিকাভুক্ত করে।
এই আইন বিদেশি রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ দেয়। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে কেউ আইআরজিসিকে সমর্থন বা সহায়তা করলে তার সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রিটিশ সরকারের ‘ইরানবিরোধী নীতিমালার’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, যা জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতিমালার লঙ্ঘন বলে তারা মনে করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানে হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়ছে।
সেই হামলার জবাবে ইরানও অঞ্চলজুড়ে পাল্টা আঘাত হেনেছিল। যদিও এরপর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তবুও নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে এই অঞ্চলে উত্তেজনা এখনো কমেনি।