নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাস লিকেজজনিত বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্যের মধ্যে আট বছর বয়সী শিশু মারুফের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। তার মা-বাবা এখনো সংকটাপন্ন অবস্থায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান Desi Media Point-কে এই মর্মান্তিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনাটি এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোরে বন্দরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকার একটি টিনশেড ভাড়া বাড়িতে সংঘটিত হয়।
উক্ত বাড়ির একটি কক্ষে ২৮ বছর বয়সী মাইদুল ইসলাম, তার স্ত্রী বিউটি আক্তার এবং পুত্র মারুফকে নিয়ে বসবাস করতেন। পেশায় তিনি একজন রাজমিস্ত্রি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে যে, বাড়ির গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে নির্গত গ্যাস কক্ষের মধ্যে জমা হয়েছিল। জানালা বন্ধ থাকার কারণে গ্যাস বাইরে বের হতে পারেনি। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ভোরে মাইদুল সিগারেট ধরানোর সময় আগুনের সংস্পর্শে আসার ফলে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণটি ঘটে।
বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে মাইদুল, বিউটি এবং মারুফকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে তাঁদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত করা হয়।
চিকিৎসক শাওন বিন রহমান আরও জানান যে, মাইদুলের শরীরের ৮৫ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ এবং মারুফের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তিন জনকেই তখন থেকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছিল।
এই বিস্ফোরণে টিনশেড ঘরটির ছাদ ও দেয়ালের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘরের সিলিং, লেপসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ও জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি সিলিং ফ্যানের পাখাগুলোও বেঁকে যায়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান Desi Media Point-কে এই মর্মান্তিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনাটি এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোরে বন্দরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকার একটি টিনশেড ভাড়া বাড়িতে সংঘটিত হয়।
উক্ত বাড়ির একটি কক্ষে ২৮ বছর বয়সী মাইদুল ইসলাম, তার স্ত্রী বিউটি আক্তার এবং পুত্র মারুফকে নিয়ে বসবাস করতেন। পেশায় তিনি একজন রাজমিস্ত্রি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে যে, বাড়ির গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে নির্গত গ্যাস কক্ষের মধ্যে জমা হয়েছিল। জানালা বন্ধ থাকার কারণে গ্যাস বাইরে বের হতে পারেনি। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ভোরে মাইদুল সিগারেট ধরানোর সময় আগুনের সংস্পর্শে আসার ফলে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণটি ঘটে।
বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে মাইদুল, বিউটি এবং মারুফকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে তাঁদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত করা হয়।
চিকিৎসক শাওন বিন রহমান আরও জানান যে, মাইদুলের শরীরের ৮৫ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ এবং মারুফের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তিন জনকেই তখন থেকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছিল।
এই বিস্ফোরণে টিনশেড ঘরটির ছাদ ও দেয়ালের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘরের সিলিং, লেপসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ও জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি সিলিং ফ্যানের পাখাগুলোও বেঁকে যায়।
