একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে যে স্বপ্ন দেখতে হলে বড় করেই দেখা উচিত। বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ সেই প্রবাদকে যেন অনুসরণ করেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের এক সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন বুনছেন। এই স্বপ্নপূরণ হলে আগামী বছরে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হবে।
গতকাল ডারউইন টেস্টে চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে বিধ্বস্ত করে বাংলাদেশ দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এই জয়ের পরপরই আইসিসির ওয়েবসাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিরাজ নিজের সিরিজ জয়ের স্বপ্নের কথা অকপটে ব্যক্ত করেছেন।
এই অভিজ্ঞ স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে বাংলাদেশ দল দ্বিতীয় টেস্টেও অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর সক্ষমতা রাখে। প্রথম টেস্টের এই ঐতিহাসিক জয়ের পর এমন আত্মবিশ্বাস স্বাভাবিকভাবেই দলের মধ্যে বিরাজ করছে। মিরাজ বলেছেন, ‘আমরা অবশ্যই সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছি এবং আমরা বর্তমানে যে প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি, তাতে আমাদের পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে চাই।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রথম ম্যাচ জেতার পর আমাদের সামনে এখন আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। তবে টেস্ট ম্যাচ জেতা কখনোই সহজ কাজ নয়। এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জয়ের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। পরবর্তী ম্যাচের পরিকল্পনা আমরা পরবর্তীতে করব।’
আগামী শনিবার ম্যাকাইয়ে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে। ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের জয়ে মিরাজের পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত উজ্জ্বল। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে টেলএন্ডারদের সাথে নিয়ে তিনি অসাধারণ লড়াই করে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। এরপর অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। মিরাজের এই অনবদ্য পারফরম্যান্স এবং তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন হাসান মাহমুদ, যিনি অস্ট্রেলিয়ার দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন।
ডারউইন টেস্টের পূর্বে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়ে হেরেছিল বাংলাদেশ। মিরাজ উল্লেখ করেন যে, প্রস্তুতি ম্যাচের এই পরাজয় দিয়ে সফর শুরু হলেও টিম ম্যানেজমেন্ট দলের প্রকৃত সামর্থ্যের ওপর থেকে কখনোই আস্থা হারায়নি।
মিরাজ জানান, ‘যখন আমি নিজেই প্রত্যাশিত ছন্দে ছিলাম না, তখন আমাদের টিম ম্যানেজার নাফিস ইকবাল এই কন্ডিশনে কীভাবে সেরা খেলাটা উপহার দেওয়া যায়, সে বিষয়ে আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন। মানসিকভাবে আমি বেশ শান্ত ছিলাম এবং তাঁর সাথে অনেক আলোচনা করেছি। এমনকি একপর্যায়ে তিনি নেটেও আমাকে বল করে অনুশীলন করিয়েছেন।’
মিরাজ বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদকেও এই সাফল্যের কৃতিত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘আমি মুশতাক আহমেদ ভাইয়ের অবদানও বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই। প্রথম ম্যাচে (প্রস্তুতি ম্যাচ) হেরে যাওয়ার পর তিনি দলের প্রতিটি ক্রিকেটারের কাছে গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, “নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো। যদি তোমরা বিশ্বাস করো, তবে জয় সম্ভব এবং এই বিশ্বাস তোমাদের অনেক দূর নিয়ে যেতে পারবে।” এই ছোট ছোট বিষয়গুলো থেকেই আমরা পুনরায় নিজেদের ওপর আস্থা ফিরে পাই এবং এর ফলাফল আপনারা সবাই দেখতে পাচ্ছেন।’
যদি বাংলাদেশ ম্যাকাই টেস্ট জয় করতে পারে, তবে তারা অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে। নাজমুল হোসেনের দল এই লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে কিনা, তা সময়ই বলে দেবে। তবে অস্ট্রেলিয়া সফরে আপাতত একটি বিষয় সুস্পষ্ট: দুই ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশ হারছে না।
গতকাল ডারউইন টেস্টে চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে বিধ্বস্ত করে বাংলাদেশ দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এই জয়ের পরপরই আইসিসির ওয়েবসাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিরাজ নিজের সিরিজ জয়ের স্বপ্নের কথা অকপটে ব্যক্ত করেছেন।
এই অভিজ্ঞ স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে বাংলাদেশ দল দ্বিতীয় টেস্টেও অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর সক্ষমতা রাখে। প্রথম টেস্টের এই ঐতিহাসিক জয়ের পর এমন আত্মবিশ্বাস স্বাভাবিকভাবেই দলের মধ্যে বিরাজ করছে। মিরাজ বলেছেন, ‘আমরা অবশ্যই সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছি এবং আমরা বর্তমানে যে প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি, তাতে আমাদের পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে চাই।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রথম ম্যাচ জেতার পর আমাদের সামনে এখন আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। তবে টেস্ট ম্যাচ জেতা কখনোই সহজ কাজ নয়। এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জয়ের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। পরবর্তী ম্যাচের পরিকল্পনা আমরা পরবর্তীতে করব।’
আগামী শনিবার ম্যাকাইয়ে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে। ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের জয়ে মিরাজের পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত উজ্জ্বল। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে টেলএন্ডারদের সাথে নিয়ে তিনি অসাধারণ লড়াই করে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। এরপর অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। মিরাজের এই অনবদ্য পারফরম্যান্স এবং তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন হাসান মাহমুদ, যিনি অস্ট্রেলিয়ার দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন।
ডারউইন টেস্টের পূর্বে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়ে হেরেছিল বাংলাদেশ। মিরাজ উল্লেখ করেন যে, প্রস্তুতি ম্যাচের এই পরাজয় দিয়ে সফর শুরু হলেও টিম ম্যানেজমেন্ট দলের প্রকৃত সামর্থ্যের ওপর থেকে কখনোই আস্থা হারায়নি।
মিরাজ জানান, ‘যখন আমি নিজেই প্রত্যাশিত ছন্দে ছিলাম না, তখন আমাদের টিম ম্যানেজার নাফিস ইকবাল এই কন্ডিশনে কীভাবে সেরা খেলাটা উপহার দেওয়া যায়, সে বিষয়ে আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন। মানসিকভাবে আমি বেশ শান্ত ছিলাম এবং তাঁর সাথে অনেক আলোচনা করেছি। এমনকি একপর্যায়ে তিনি নেটেও আমাকে বল করে অনুশীলন করিয়েছেন।’
মিরাজ বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদকেও এই সাফল্যের কৃতিত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘আমি মুশতাক আহমেদ ভাইয়ের অবদানও বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই। প্রথম ম্যাচে (প্রস্তুতি ম্যাচ) হেরে যাওয়ার পর তিনি দলের প্রতিটি ক্রিকেটারের কাছে গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, “নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো। যদি তোমরা বিশ্বাস করো, তবে জয় সম্ভব এবং এই বিশ্বাস তোমাদের অনেক দূর নিয়ে যেতে পারবে।” এই ছোট ছোট বিষয়গুলো থেকেই আমরা পুনরায় নিজেদের ওপর আস্থা ফিরে পাই এবং এর ফলাফল আপনারা সবাই দেখতে পাচ্ছেন।’
যদি বাংলাদেশ ম্যাকাই টেস্ট জয় করতে পারে, তবে তারা অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে। নাজমুল হোসেনের দল এই লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে কিনা, তা সময়ই বলে দেবে। তবে অস্ট্রেলিয়া সফরে আপাতত একটি বিষয় সুস্পষ্ট: দুই ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশ হারছে না।