দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতিবঞ্চনার শিকার বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা তাঁদের ন্যায্য দাবির সুরাহা ও পদোন্নতিসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর, ২০২৬) থেকে আন্দোলনে নেমেছেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রাঙ্গণে 'বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ'-এর ব্যানারে শুরু হয়েছে তাঁদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি।
সাত দফা দাবিতে এই কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর, ২০২৬) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনকারীরা জানান, ১৬, ১৭ ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি (ডিপিসি)-এর সভার সুপারিশ অনুযায়ী যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সরকারি আদেশ (জিও) অবিলম্বে জারি করতে হবে।
তাঁদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে: প্রযোজ্য বিধিমালা, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা অনুসারে ২৪ থেকে ৩৮তম বিসিএসের পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের আর্থিক সুবিধাসহ ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি নিশ্চিত করা; নিয়মিত, স্বচ্ছ ও সময়বদ্ধ পদোন্নতি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা; সুপারনিউমারারি পদ সৃষ্টি করা এবং সব অধ্যাপককে গ্রেড-৩-এ উন্নীত করা। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক পদে মোট ৯ হাজার ৭৮২টি পদ থাকলেও, সহকারী অধ্যাপক পদে পদের সংখ্যা মাত্র ৪ হাজার ৪৫১টি।
এই বিশাল অসামঞ্জস্যের কারণে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে তীব্র সাংগঠনিক পদসংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তার জন্য প্রথম পদোন্নতির সুযোগ অত্যন্ত সীমিত হয়ে পড়েছে, যা দীর্ঘদিনের বঞ্চনার মূল কারণ।
পদোন্নতিবঞ্চিত বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁদের পদোন্নতির সরকারি আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত মাউশি প্রাঙ্গণে এই অবস্থান কর্মসূচি লাগাতার চলবে।
সাত দফা দাবিতে এই কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর, ২০২৬) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনকারীরা জানান, ১৬, ১৭ ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি (ডিপিসি)-এর সভার সুপারিশ অনুযায়ী যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সরকারি আদেশ (জিও) অবিলম্বে জারি করতে হবে।
তাঁদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে: প্রযোজ্য বিধিমালা, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা অনুসারে ২৪ থেকে ৩৮তম বিসিএসের পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের আর্থিক সুবিধাসহ ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি নিশ্চিত করা; নিয়মিত, স্বচ্ছ ও সময়বদ্ধ পদোন্নতি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা; সুপারনিউমারারি পদ সৃষ্টি করা এবং সব অধ্যাপককে গ্রেড-৩-এ উন্নীত করা। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক পদে মোট ৯ হাজার ৭৮২টি পদ থাকলেও, সহকারী অধ্যাপক পদে পদের সংখ্যা মাত্র ৪ হাজার ৪৫১টি।
এই বিশাল অসামঞ্জস্যের কারণে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে তীব্র সাংগঠনিক পদসংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তার জন্য প্রথম পদোন্নতির সুযোগ অত্যন্ত সীমিত হয়ে পড়েছে, যা দীর্ঘদিনের বঞ্চনার মূল কারণ।
পদোন্নতিবঞ্চিত বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁদের পদোন্নতির সরকারি আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত মাউশি প্রাঙ্গণে এই অবস্থান কর্মসূচি লাগাতার চলবে।