ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া ম্যাচ শুরুর কয়েক ওভার পরেই এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে লিখেছিলেন, ১৭০-এর বেশি রান তাড়া করা কঠিন হতে পারে। তার সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৯৮ রানের বিশাল লক্ষ্য মাত্র ১৩.২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়েই জয় করে নিয়েছে ভারত।
এর মাধ্যমে কিউইদের ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টির এক নতুন ধারা শিখিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ২ ম্যাচ হাতে রেখেই নিজেদের করে নিয়েছে তারা। এই অবিশ্বাস্য জয়ের মূল কারিগর ভারতের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও বৈভব সূর্যবংশী।
রান তাড়ার শুরু থেকেই তাঁরা বোলারদের উপর চড়াও হন। ৪৪ বলেই ১৩৩ রানের এক বিধ্বংসী উদ্বোধনী জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটসম্যান, যা বোলারদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন বলে ৫০ রান তোলার রেকর্ড (২.২ ওভারে) স্পর্শ করে ভারত, আর মাত্র ৫ ওভারেই ১০০ রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলে, যা এই ফরম্যাটে দ্রুততম। পাওয়ার প্লেতে পূর্ণ সদস্য দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১৮ রান তুলে নতুন ইতিহাস রচনা করে ভারত।
এই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের প্রধান নায়ক ছিলেন অভিষেক শর্মা। মাত্র ৩৫ বলে তিনি নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, যা ভারতের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড (যৌথভাবে রোহিত শর্মার সঙ্গে)।
গত মাসেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩০ বলে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটিও অভিষেকের দখলেই রয়েছে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩৫ বলের নিচে সেঞ্চুরির ঘটনা আছে মোট ৭টি।
শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ১১৩ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস খেলে তিনি যখন আউট হন, তখন ভারতের জয়ের জন্য মাত্র ২১ রান দরকার ছিল, যা এসেছিল ৯টি চার ও ১১টি ছক্কার মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি অভিষেকের চতুর্থ সেঞ্চুরি।
এই ফরম্যাটে সর্বোচ্চ ৫টি সেঞ্চুরি রয়েছে রোহিত শর্মা ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের এখন ১১টি সেঞ্চুরি।
এই তালিকায় তার চেয়ে এগিয়ে আছেন বাবর আজম (১৩) ও ক্রিস গেইল (২২)। অভিষেকের এমন মারকুটে ইনিংসে সূর্যবংশীর ১৯ বলে ৪৫ রানের দারুণ ইনিংসটিও যেন কিছুটা ঢাকা পড়ে যায়।
এর আগে ড্যারিল মিচেলের অপরাজিত ৮৯ রানের সুবাদে নিউজিল্যান্ড ৩ উইকেটে ১৯৮ রান তুলেছিল।
এর মাধ্যমে কিউইদের ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টির এক নতুন ধারা শিখিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ২ ম্যাচ হাতে রেখেই নিজেদের করে নিয়েছে তারা। এই অবিশ্বাস্য জয়ের মূল কারিগর ভারতের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও বৈভব সূর্যবংশী।
রান তাড়ার শুরু থেকেই তাঁরা বোলারদের উপর চড়াও হন। ৪৪ বলেই ১৩৩ রানের এক বিধ্বংসী উদ্বোধনী জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটসম্যান, যা বোলারদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন বলে ৫০ রান তোলার রেকর্ড (২.২ ওভারে) স্পর্শ করে ভারত, আর মাত্র ৫ ওভারেই ১০০ রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলে, যা এই ফরম্যাটে দ্রুততম। পাওয়ার প্লেতে পূর্ণ সদস্য দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১৮ রান তুলে নতুন ইতিহাস রচনা করে ভারত।
এই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের প্রধান নায়ক ছিলেন অভিষেক শর্মা। মাত্র ৩৫ বলে তিনি নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, যা ভারতের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড (যৌথভাবে রোহিত শর্মার সঙ্গে)।
গত মাসেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩০ বলে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটিও অভিষেকের দখলেই রয়েছে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩৫ বলের নিচে সেঞ্চুরির ঘটনা আছে মোট ৭টি।
শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ১১৩ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস খেলে তিনি যখন আউট হন, তখন ভারতের জয়ের জন্য মাত্র ২১ রান দরকার ছিল, যা এসেছিল ৯টি চার ও ১১টি ছক্কার মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি অভিষেকের চতুর্থ সেঞ্চুরি।
এই ফরম্যাটে সর্বোচ্চ ৫টি সেঞ্চুরি রয়েছে রোহিত শর্মা ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের এখন ১১টি সেঞ্চুরি।
এই তালিকায় তার চেয়ে এগিয়ে আছেন বাবর আজম (১৩) ও ক্রিস গেইল (২২)। অভিষেকের এমন মারকুটে ইনিংসে সূর্যবংশীর ১৯ বলে ৪৫ রানের দারুণ ইনিংসটিও যেন কিছুটা ঢাকা পড়ে যায়।
এর আগে ড্যারিল মিচেলের অপরাজিত ৮৯ রানের সুবাদে নিউজিল্যান্ড ৩ উইকেটে ১৯৮ রান তুলেছিল।