শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা করেছেন যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা শিগগিরই নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেলের আওতায় আসছেন। গত রোববার (১ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানান।
ইতিমধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী তাঁদের বেতন হাতে পেয়েছেন। সকাল থেকেই তাঁদের অনেকেই মোবাইলে বেতন প্রাপ্তির বার্তা পেয়েছেন।
অক্টোবর মাসের বেতনের সাথে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বকেয়া বর্ধিত বেতনও তাঁদের প্রদান করা হয়েছে। ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৮ লাখ পেনশনভোগীর প্রায় সবাই বর্ধিত বেতন পেলেও, বেতন নির্ধারণ (পে ফিক্সেশন) করতে না পারায় কিছু সংখ্যক কর্মচারী এখনো বেতন পাননি।
২৫ অক্টোবর পর্যন্ত যাঁরা বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন, তাঁরাই আজ বেতন পেয়েছেন। বাকিরা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁদের পাওনা বুঝে পাবেন।
অন্যদিকে, প্রায় ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সরকার বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডের মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং ১২ থেকে ২০ নম্বর গ্রেডের মূল বেতন ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
এই নতুন বেতন কাঠামো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হলেও, এটি একবারে নয়, ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হচ্ছে। নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চলতি বছর ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামোয় বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে পেয়েছেন।
এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সাথে যুক্ত হয়েছে। পরবর্তীতে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত তাঁরা এই বৃদ্ধির ৭৫ শতাংশ পাবেন এবং ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধিসহ নতুন বেতন স্কেলের শতভাগ কার্যকর হবে।
অন্যান্য সকল ভাতা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত বিদ্যমান হারেই দেওয়া হচ্ছে। সংশোধিত ভাতার হার ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে, ২০১৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় বেতনকাঠামো চালু হয়েছিল, যা ছিল সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধির একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সেই সময় সর্বোচ্চ গ্রেডে মূল বেতন ৯৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন গ্রেডে ১০১ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।
ইতিমধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী তাঁদের বেতন হাতে পেয়েছেন। সকাল থেকেই তাঁদের অনেকেই মোবাইলে বেতন প্রাপ্তির বার্তা পেয়েছেন।
অক্টোবর মাসের বেতনের সাথে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বকেয়া বর্ধিত বেতনও তাঁদের প্রদান করা হয়েছে। ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৮ লাখ পেনশনভোগীর প্রায় সবাই বর্ধিত বেতন পেলেও, বেতন নির্ধারণ (পে ফিক্সেশন) করতে না পারায় কিছু সংখ্যক কর্মচারী এখনো বেতন পাননি।
২৫ অক্টোবর পর্যন্ত যাঁরা বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন, তাঁরাই আজ বেতন পেয়েছেন। বাকিরা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁদের পাওনা বুঝে পাবেন।
অন্যদিকে, প্রায় ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সরকার বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডের মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং ১২ থেকে ২০ নম্বর গ্রেডের মূল বেতন ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
এই নতুন বেতন কাঠামো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হলেও, এটি একবারে নয়, ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হচ্ছে। নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চলতি বছর ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামোয় বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে পেয়েছেন।
এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সাথে যুক্ত হয়েছে। পরবর্তীতে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত তাঁরা এই বৃদ্ধির ৭৫ শতাংশ পাবেন এবং ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধিসহ নতুন বেতন স্কেলের শতভাগ কার্যকর হবে।
অন্যান্য সকল ভাতা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত বিদ্যমান হারেই দেওয়া হচ্ছে। সংশোধিত ভাতার হার ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে, ২০১৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় বেতনকাঠামো চালু হয়েছিল, যা ছিল সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধির একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সেই সময় সর্বোচ্চ গ্রেডে মূল বেতন ৯৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন গ্রেডে ১০১ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।