ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক ম্যাচে ২৪২ রানের একটি অনবদ্য ও অপরাজিত ইনিংস খেলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তরুণ ক্রিকেটার তাওহিদ হৃদয়। এই বিশাল স্কোর বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে, যা দেশের ক্রিকেটে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।
তার এই পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে তাকে জাতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে এক বিশেষ স্থানে অধিষ্ঠিত করবে। হৃদয়ের এই চোখ ধাঁধানো ইনিংসের পর ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে কৌতুহল জাগা স্বাভাবিক যে, বিশ্বের অন্যান্য টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডগুলো কেমন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে, বিশেষ করে টেস্ট অঙ্গনে, এমন অনেক কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান রয়েছেন যারা তাদের দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছেন। চলুন, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেইসব অসাধারণ কীর্তি।
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারা, যিনি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ৪০০ রান করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ম্যাথু হেইডেনের দখলে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তার সংগ্রহ ছিল ৩৮০ রান।
এছাড়া শ্রীলঙ্কার হয়ে মাহেলা জয়াবর্ধনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেন ৩৭৪ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডটি হানিফ মোহাম্মদের, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনি করেছিলেন ৩৩৭ রান।
ইংল্যান্ডের পক্ষে গ্রায়েম গুচ ভারতের বিপক্ষে ৩৩৩ রান করে এই রেকর্ড ধারণ করে আছেন। আর ভারতের ব্যাটিং তারকা বীরেন্দ্র শেবাগ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩১৯ রান করে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়ে রেখেছেন।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, ভারতের বিপক্ষে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৩০২ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এই রেকর্ডটি গ্রায়েম স্মিথের, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ২৭৭ রানের ইনিংস।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের দখলে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অপরাজিত ২৩২ রান করেছিলেন তিনি। তুলনামূলক নতুন টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তানের হয়ে হাসমতুল্লাহ শাহিদি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অপরাজিত ২০০ রান করে রেকর্ড গড়েছেন।
অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক কেভিন ও'ব্রায়েন, পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি করেছিলেন ১১৮ রান। এই রেকর্ডগুলোই প্রমাণ করে যে, প্রতিটি ক্রিকেট খেলুড়ে দেশেই নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য ব্যাটসম্যানরা মুখিয়ে থাকেন।
তার এই পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে তাকে জাতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে এক বিশেষ স্থানে অধিষ্ঠিত করবে। হৃদয়ের এই চোখ ধাঁধানো ইনিংসের পর ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে কৌতুহল জাগা স্বাভাবিক যে, বিশ্বের অন্যান্য টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডগুলো কেমন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে, বিশেষ করে টেস্ট অঙ্গনে, এমন অনেক কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান রয়েছেন যারা তাদের দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছেন। চলুন, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেইসব অসাধারণ কীর্তি।
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারা, যিনি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ৪০০ রান করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ম্যাথু হেইডেনের দখলে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তার সংগ্রহ ছিল ৩৮০ রান।
এছাড়া শ্রীলঙ্কার হয়ে মাহেলা জয়াবর্ধনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেন ৩৭৪ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডটি হানিফ মোহাম্মদের, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনি করেছিলেন ৩৩৭ রান।
ইংল্যান্ডের পক্ষে গ্রায়েম গুচ ভারতের বিপক্ষে ৩৩৩ রান করে এই রেকর্ড ধারণ করে আছেন। আর ভারতের ব্যাটিং তারকা বীরেন্দ্র শেবাগ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩১৯ রান করে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়ে রেখেছেন।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, ভারতের বিপক্ষে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৩০২ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এই রেকর্ডটি গ্রায়েম স্মিথের, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ২৭৭ রানের ইনিংস।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের দখলে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অপরাজিত ২৩২ রান করেছিলেন তিনি। তুলনামূলক নতুন টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তানের হয়ে হাসমতুল্লাহ শাহিদি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অপরাজিত ২০০ রান করে রেকর্ড গড়েছেন।
অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক কেভিন ও'ব্রায়েন, পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি করেছিলেন ১১৮ রান। এই রেকর্ডগুলোই প্রমাণ করে যে, প্রতিটি ক্রিকেট খেলুড়ে দেশেই নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য ব্যাটসম্যানরা মুখিয়ে থাকেন।