আলাভেসের আগে থেকেই জানা ছিল যে, এই মৌসুমে বার্সেলোনা প্রতিপক্ষদের গোলবন্যায় ভাসাচ্ছে। তাদের এও জানা ছিল যে, টানা দুই হারে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে হান্সি ফ্লিকের দল, সর্বশেষ লা লিগার ম্যাচে যাদের গোলসংখ্যা ছিল সবচেয়ে কম।
কিন্তু পরাজয়ের ধাক্কা সামলে কাতালান জায়ান্টরা কতটা বিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারে, সেই ধারণাই ছিল না আলাভেসের। ন্যু ক্যাম্পে এসে সেই অভিজ্ঞতাই হলো লা লিগার এই ক্লাবটির।
প্রথমার্ধে চার এবং দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি মিলিয়ে মোট ছয়বার আলাভেসের জালে বল পাঠায় বার্সেলোনা। এই ৬ গোলের সুবাদে চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার গোলসংখ্যা দাঁড়াল ৫৭-তে, যা মাত্র ১৪ ম্যাচেই অর্জিত।
এই গোলবন্যায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন রাফিনিয়া ও তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল, দুজনেই করেছেন জোড়া গোল। এছাড়া ফেরমিন লোপেজ ও বদলি হিসেবে নামা অ্যান্থনি গর্ডনও একটি করে গোল যোগ করেন স্কোরশিটে।
আলাভেসের হয়ে একমাত্র সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেছেন মারিয়ানো দিয়াস। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল বার্সেলোনা।
অষ্টম মিনিটেই ফেরমিন লোপেজের নিখুঁত পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রাফিনিয়া। ২৩ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের বাড়ানো বল পেয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফেরমিন।
এরপর ৪১ মিনিটে ফেরমিনের পাস থেকেই নিজের দ্বিতীয় গোলটি আদায় করে নেন রাফিনিয়া। বিরতির ঠিক আগে অসাধারণ এক দলীয় আক্রমণের ফলস্বরূপ গোল করে ব্যবধান ৪-০ করেন ইয়ামাল।
দ্বিতীয়ার্ধেও বার্সেলোনার গোলের ক্ষুধা বিন্দুমাত্র কমেনি। ৬৬তম মিনিটে ইয়ামালের আরও একটি গোল প্রথমে অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও, ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি তার সিদ্ধান্ত পাল্টে গোলের বৈধতা দেন।
এরপর বদলি হিসেবে মাঠে নামা গর্ডন ৮১ মিনিটে দলের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন। খেলার ৮৪ মিনিটে আলাভেসের হয়ে ব্যবধান কিছুটা কমান মারিয়ানো দিয়াস।
পিএসজির কাছে চ্যাম্পিয়নস লিগে এবং চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছে লা লিগায় হারের পর এই বিশাল জয় বার্সেলোনার জন্য নিঃসন্দেহে এক স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। টানা ১১ জয়ের পর দুই ম্যাচে হোঁচট খেয়েছিল ফ্লিকের দল; এই জয়ে তারা আবার ফিরেছে জয়ের চেনা ধারায়।
টানা দুই হারের পর আক্রমণভাগের এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স কোচ হান্সি ফ্লিকের জন্যও এনে দিয়েছে স্বস্তি। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, "টানা দুটি হারের পর দল কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়, সেটাই আমি দেখতে চেয়েছিলাম।
আমার খেলোয়াড়েরা মাঠে সঠিক জবাব দিয়েছে।" আলাভেসের বিপক্ষে জোড়া গোল করে রাফিনিয়ার এই মৌসুমের লা লিগায় গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪-তে, মাত্র ১০ ম্যাচ খেলেই। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে চলতি মৌসুমে আর কোনো খেলোয়াড়ের গোল এই মুহূর্তে এত বেশি নেই।
একবিংশ শতাব্দীতে লা লিগার প্রথম ১০ ম্যাচে তার চেয়ে বেশি গোল করতে পেরেছিলেন কেবল একজন – ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ২০১৪-১৫ মৌসুমে রোনালদোর গোল ছিল ১৮টি।
তরুণ প্রতিভা লামিনে ইয়ামালও রয়েছেন দারুণ ছন্দে। আলাভেসের বিপক্ষে এই দুই গোলসহ চলতি মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে তার গোল-অবদান ২৩টি (১২ গোল ও ১১ অ্যাসিস্ট)।
এই মুহূর্তে শীর্ষ পাঁচ লিগের আর কোনো খেলোয়াড়ের এমন উচ্চ গোল-অবদান নেই। বার্সেলোনার পরের ম্যাচ মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়নস লিগে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ অ্যাস্টন ভিলা।
এরপর লা লিগায় শীর্ষস্থান ধরে রাখার কঠিন লড়াইয়ে হান্সি ফ্লিকের দলকে খেলতে হবে আতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠে। বর্তমানে ১১ ম্যাচে বার্সার ৩০ পয়েন্ট, আর সমান ম্যাচে আতলেতিকোর পয়েন্ট ২৮।
কিন্তু পরাজয়ের ধাক্কা সামলে কাতালান জায়ান্টরা কতটা বিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারে, সেই ধারণাই ছিল না আলাভেসের। ন্যু ক্যাম্পে এসে সেই অভিজ্ঞতাই হলো লা লিগার এই ক্লাবটির।
প্রথমার্ধে চার এবং দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি মিলিয়ে মোট ছয়বার আলাভেসের জালে বল পাঠায় বার্সেলোনা। এই ৬ গোলের সুবাদে চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার গোলসংখ্যা দাঁড়াল ৫৭-তে, যা মাত্র ১৪ ম্যাচেই অর্জিত।
এই গোলবন্যায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন রাফিনিয়া ও তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল, দুজনেই করেছেন জোড়া গোল। এছাড়া ফেরমিন লোপেজ ও বদলি হিসেবে নামা অ্যান্থনি গর্ডনও একটি করে গোল যোগ করেন স্কোরশিটে।
আলাভেসের হয়ে একমাত্র সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেছেন মারিয়ানো দিয়াস। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল বার্সেলোনা।
অষ্টম মিনিটেই ফেরমিন লোপেজের নিখুঁত পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রাফিনিয়া। ২৩ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের বাড়ানো বল পেয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফেরমিন।
এরপর ৪১ মিনিটে ফেরমিনের পাস থেকেই নিজের দ্বিতীয় গোলটি আদায় করে নেন রাফিনিয়া। বিরতির ঠিক আগে অসাধারণ এক দলীয় আক্রমণের ফলস্বরূপ গোল করে ব্যবধান ৪-০ করেন ইয়ামাল।
দ্বিতীয়ার্ধেও বার্সেলোনার গোলের ক্ষুধা বিন্দুমাত্র কমেনি। ৬৬তম মিনিটে ইয়ামালের আরও একটি গোল প্রথমে অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও, ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি তার সিদ্ধান্ত পাল্টে গোলের বৈধতা দেন।
এরপর বদলি হিসেবে মাঠে নামা গর্ডন ৮১ মিনিটে দলের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন। খেলার ৮৪ মিনিটে আলাভেসের হয়ে ব্যবধান কিছুটা কমান মারিয়ানো দিয়াস।
পিএসজির কাছে চ্যাম্পিয়নস লিগে এবং চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছে লা লিগায় হারের পর এই বিশাল জয় বার্সেলোনার জন্য নিঃসন্দেহে এক স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। টানা ১১ জয়ের পর দুই ম্যাচে হোঁচট খেয়েছিল ফ্লিকের দল; এই জয়ে তারা আবার ফিরেছে জয়ের চেনা ধারায়।
টানা দুই হারের পর আক্রমণভাগের এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স কোচ হান্সি ফ্লিকের জন্যও এনে দিয়েছে স্বস্তি। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, "টানা দুটি হারের পর দল কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়, সেটাই আমি দেখতে চেয়েছিলাম।
আমার খেলোয়াড়েরা মাঠে সঠিক জবাব দিয়েছে।" আলাভেসের বিপক্ষে জোড়া গোল করে রাফিনিয়ার এই মৌসুমের লা লিগায় গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪-তে, মাত্র ১০ ম্যাচ খেলেই। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে চলতি মৌসুমে আর কোনো খেলোয়াড়ের গোল এই মুহূর্তে এত বেশি নেই।
একবিংশ শতাব্দীতে লা লিগার প্রথম ১০ ম্যাচে তার চেয়ে বেশি গোল করতে পেরেছিলেন কেবল একজন – ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ২০১৪-১৫ মৌসুমে রোনালদোর গোল ছিল ১৮টি।
তরুণ প্রতিভা লামিনে ইয়ামালও রয়েছেন দারুণ ছন্দে। আলাভেসের বিপক্ষে এই দুই গোলসহ চলতি মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে তার গোল-অবদান ২৩টি (১২ গোল ও ১১ অ্যাসিস্ট)।
এই মুহূর্তে শীর্ষ পাঁচ লিগের আর কোনো খেলোয়াড়ের এমন উচ্চ গোল-অবদান নেই। বার্সেলোনার পরের ম্যাচ মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়নস লিগে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ অ্যাস্টন ভিলা।
এরপর লা লিগায় শীর্ষস্থান ধরে রাখার কঠিন লড়াইয়ে হান্সি ফ্লিকের দলকে খেলতে হবে আতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠে। বর্তমানে ১১ ম্যাচে বার্সার ৩০ পয়েন্ট, আর সমান ম্যাচে আতলেতিকোর পয়েন্ট ২৮।