পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পীরপুরস্থ একটি আবাসিক হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর উপর চুরির মিথ্যা অভিযোগে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এই গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত এক শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করা পর্যন্ত, আহত শিক্ষার্থীকে পাবনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মারফত জানা গেছে যে, পাবনা সদর থানাধীন পীরপুর গ্রামের ‘জামিয়াতুস সুন্নাহ আবাসিক হাফিজিয়া মাদ্রাসা’র ২৫ বছর বয়সী শিক্ষক মো. সোহানুর রহমান সোহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তিনি গত ২০ জুলাই রাতে শুরু করে ২১ জুলাই সকাল পর্যন্ত দিনাজপুরের কোতোয়ালী এলাকার নতুনপাড়া গণির মোড়ের বাসিন্দা এবং ওই মাদ্রাসার ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মো. মাহফুজুর রহমানকে চুরির অভিযোগে বেত ও লোহার রড ব্যবহার করে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করেছেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ঘটনাটি প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ২১ জুলাই সন্ধ্যায় স্থানীয় জনগণ অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণেই আটকে রাখেন। পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে পাবনা সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং আহত শিক্ষার্থীকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম অবহিত করেছেন যে, এ পর্যন্ত ভুক্তভোগী অথবা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। ফলস্বরূপ, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করা পর্যন্ত, আহত শিক্ষার্থীকে পাবনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মারফত জানা গেছে যে, পাবনা সদর থানাধীন পীরপুর গ্রামের ‘জামিয়াতুস সুন্নাহ আবাসিক হাফিজিয়া মাদ্রাসা’র ২৫ বছর বয়সী শিক্ষক মো. সোহানুর রহমান সোহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তিনি গত ২০ জুলাই রাতে শুরু করে ২১ জুলাই সকাল পর্যন্ত দিনাজপুরের কোতোয়ালী এলাকার নতুনপাড়া গণির মোড়ের বাসিন্দা এবং ওই মাদ্রাসার ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মো. মাহফুজুর রহমানকে চুরির অভিযোগে বেত ও লোহার রড ব্যবহার করে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করেছেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ঘটনাটি প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ২১ জুলাই সন্ধ্যায় স্থানীয় জনগণ অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণেই আটকে রাখেন। পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে পাবনা সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং আহত শিক্ষার্থীকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম অবহিত করেছেন যে, এ পর্যন্ত ভুক্তভোগী অথবা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। ফলস্বরূপ, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।