শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষাগুলো পুনরায় গ্রহণ করা হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, শুধুমাত্র যেসব শিক্ষার্থী সেদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারেননি, তারাই নিবন্ধনের মাধ্যমে এই পুনঃপরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরেন, যেখানে তিনি পুনরায় জোর দেন যে, কেবলমাত্র ১৩ জুলাই অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীরাই এই সুযোগ পাবেন।
যাদের পরীক্ষা আশানুরূপ হয়নি, তারা কি এই সুযোগ পাবেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেন, ‘না। এটা তো সম্ভব না। যারা পরীক্ষা দিয়েছে, তাদের আর পরীক্ষা দিতে হবে না। প্রশ্নে ভুল ছিল, সে কারণে আমরা সবাইকে নম্বর প্রদান করছি। সুতরাং, এ বিষয়ে আর কোনো আলোচনার অবকাশ নেই।’
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই চট্টগ্রামের ৫টি জেলা ব্যতীত দেশের ৫৯টি জেলায় একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই দিন প্রবল বৃষ্টিপাত ও ভয়াবহ জলাবদ্ধতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি, যা ব্যাপক অসন্তোষের জন্ম দেয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৪ জুলাই সারা দেশে পরীক্ষার্থীরা ব্যাপক আন্দোলনে নেমে আসে। শিক্ষার্থীদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে শিক্ষামন্ত্রী গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত উল্লিখিত তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণের ঘোষণা দেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরেন, যেখানে তিনি পুনরায় জোর দেন যে, কেবলমাত্র ১৩ জুলাই অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীরাই এই সুযোগ পাবেন।
যাদের পরীক্ষা আশানুরূপ হয়নি, তারা কি এই সুযোগ পাবেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেন, ‘না। এটা তো সম্ভব না। যারা পরীক্ষা দিয়েছে, তাদের আর পরীক্ষা দিতে হবে না। প্রশ্নে ভুল ছিল, সে কারণে আমরা সবাইকে নম্বর প্রদান করছি। সুতরাং, এ বিষয়ে আর কোনো আলোচনার অবকাশ নেই।’
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই চট্টগ্রামের ৫টি জেলা ব্যতীত দেশের ৫৯টি জেলায় একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই দিন প্রবল বৃষ্টিপাত ও ভয়াবহ জলাবদ্ধতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি, যা ব্যাপক অসন্তোষের জন্ম দেয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৪ জুলাই সারা দেশে পরীক্ষার্থীরা ব্যাপক আন্দোলনে নেমে আসে। শিক্ষার্থীদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে শিক্ষামন্ত্রী গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত উল্লিখিত তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণের ঘোষণা দেন।