অ্যাপল আইফোন ব্যবহারকারীদের ফেসটাইম অ্যাপের মাধ্যমে সংঘটিত নতুন ধরনের প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক করেছে। সাইবার অপরাধীরা ভিডিও কলকে হাতিয়ার করে নিজেদের ব্যাংক কর্মকর্তা, প্রযুক্তি সহায়তাকর্মী, সরকারি সংস্থার প্রতিনিধি বা এমনকি পরিচিত ব্যক্তি হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস অর্জন করছে। এই বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে তারা ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য হাতিয়ে নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করছে।
অ্যাপলের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সাধারণ ফোন কলের চেয়ে ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রতারণা করা অপেক্ষাকৃত সহজ। ভিডিওতে সরাসরি কথোপকথনের সুযোগ থাকায় অনেক ব্যবহারকারীই কলকারীর পরিচয় নিয়ে সহজে সন্দেহ করেন না। প্রতারকরা এই মানবীয় প্রবণতারই সুযোগ নিচ্ছে।
এই প্রতারণার সূচনা ঘটে সাধারণত একটি খুদে বার্তার মাধ্যমে, যেখানে ব্যাংক হিসাব বা ক্রেডিট কার্ডে সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ করা হয়। এরপর ব্যবহারকারীকে ফেসটাইমে একটি ভিডিও কলে যুক্ত হতে উৎসাহিত করা হয়, যার উদ্দেশ্য দেখানো হয় সেই লেনদেন যাচাই বা সমাধান করা।
ভিডিও কলে সংযুক্ত হওয়ার পর, প্রতারকরা কৌশলে ব্যবহারকারীকে অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ, অর্থ স্থানান্তর বা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) প্রদানের সময় স্ক্রিন শেয়ার করতে বা স্ক্রিনশট পাঠাতে প্ররোচিত করে। এর ফলে পাসওয়ার্ড, ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য এবং নিরাপত্তা কোড অপরাধীদের হস্তগত হয়, যা ব্যবহার করে তারা দ্রুত ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়।
এই ধরনের প্রতারণা থেকে সুরক্ষিত থাকতে অ্যাপল ব্যবহারকারীদের সন্দেহজনক ফেসটাইম কল বা আমন্ত্রণমূলক লিংক এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। একই সাথে, কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হলে অ্যাপলকে অবহিত করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
অ্যাপল দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেছে যে তাদের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মী কখনোই অপ্রত্যাশিতভাবে ফেসটাইমের মাধ্যমে যোগাযোগ করে পাসওয়ার্ড, ওটিপি বা অন্য কোনো সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চাইবেন না। এমন কোনো অনুরোধ পেলে অবিলম্বে কল বিচ্ছিন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এছাড়াও, অ্যাপল জানিয়েছে যে প্রযুক্তি সহায়তার আড়ালেও একই ধরনের প্রতারণা সংঘটিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে, ব্যবহারকারীকে প্রথমে একটি ভুয়া নিরাপত্তা সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দাবি করা হয় যে তাদের আইফোন হ্যাক হয়েছে বা ক্ষতিকারক সফটওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। এরপর প্রযুক্তি সহায়তাকর্মীর ছদ্মবেশে ভিডিও কলে সংযুক্ত হয়ে নজরদারি সফটওয়্যার ইনস্টল করতে, নিরাপত্তা সেটিংস পরিবর্তন করতে বা লগইন তথ্য সরবরাহ করতে প্ররোচিত করা হয়। এর ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই আইফোনে থাকা বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ সাইবার অপরাধীদের হাতে চলে যেতে পারে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, অনেক ক্ষেত্রে পূর্ব-রেকর্ডকৃত ভিডিও, বিভিন্ন ফিল্টার বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা সৃষ্ট ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা হচ্ছে। তাই, ফেসটাইমে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির সাথে স্ক্রিন শেয়ার না করা এবং সন্দেহজনক ভিডিও কল পেলেই তাৎক্ষণিকভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অ্যাপলের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সাধারণ ফোন কলের চেয়ে ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রতারণা করা অপেক্ষাকৃত সহজ। ভিডিওতে সরাসরি কথোপকথনের সুযোগ থাকায় অনেক ব্যবহারকারীই কলকারীর পরিচয় নিয়ে সহজে সন্দেহ করেন না। প্রতারকরা এই মানবীয় প্রবণতারই সুযোগ নিচ্ছে।
এই প্রতারণার সূচনা ঘটে সাধারণত একটি খুদে বার্তার মাধ্যমে, যেখানে ব্যাংক হিসাব বা ক্রেডিট কার্ডে সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ করা হয়। এরপর ব্যবহারকারীকে ফেসটাইমে একটি ভিডিও কলে যুক্ত হতে উৎসাহিত করা হয়, যার উদ্দেশ্য দেখানো হয় সেই লেনদেন যাচাই বা সমাধান করা।
ভিডিও কলে সংযুক্ত হওয়ার পর, প্রতারকরা কৌশলে ব্যবহারকারীকে অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ, অর্থ স্থানান্তর বা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) প্রদানের সময় স্ক্রিন শেয়ার করতে বা স্ক্রিনশট পাঠাতে প্ররোচিত করে। এর ফলে পাসওয়ার্ড, ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য এবং নিরাপত্তা কোড অপরাধীদের হস্তগত হয়, যা ব্যবহার করে তারা দ্রুত ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়।
এই ধরনের প্রতারণা থেকে সুরক্ষিত থাকতে অ্যাপল ব্যবহারকারীদের সন্দেহজনক ফেসটাইম কল বা আমন্ত্রণমূলক লিংক এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। একই সাথে, কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হলে অ্যাপলকে অবহিত করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
অ্যাপল দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেছে যে তাদের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মী কখনোই অপ্রত্যাশিতভাবে ফেসটাইমের মাধ্যমে যোগাযোগ করে পাসওয়ার্ড, ওটিপি বা অন্য কোনো সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চাইবেন না। এমন কোনো অনুরোধ পেলে অবিলম্বে কল বিচ্ছিন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এছাড়াও, অ্যাপল জানিয়েছে যে প্রযুক্তি সহায়তার আড়ালেও একই ধরনের প্রতারণা সংঘটিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে, ব্যবহারকারীকে প্রথমে একটি ভুয়া নিরাপত্তা সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দাবি করা হয় যে তাদের আইফোন হ্যাক হয়েছে বা ক্ষতিকারক সফটওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। এরপর প্রযুক্তি সহায়তাকর্মীর ছদ্মবেশে ভিডিও কলে সংযুক্ত হয়ে নজরদারি সফটওয়্যার ইনস্টল করতে, নিরাপত্তা সেটিংস পরিবর্তন করতে বা লগইন তথ্য সরবরাহ করতে প্ররোচিত করা হয়। এর ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই আইফোনে থাকা বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ সাইবার অপরাধীদের হাতে চলে যেতে পারে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, অনেক ক্ষেত্রে পূর্ব-রেকর্ডকৃত ভিডিও, বিভিন্ন ফিল্টার বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা সৃষ্ট ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা হচ্ছে। তাই, ফেসটাইমে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির সাথে স্ক্রিন শেয়ার না করা এবং সন্দেহজনক ভিডিও কল পেলেই তাৎক্ষণিকভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
