Wed 5th Aug 2026, 3:10 am

উষ্ণায়নের গ্রাসে বরিশাল: জনজীবনে গভীর সংকট ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ

উষ্ণায়নের গ্রাসে বরিশাল: জনজীবনে গভীর সংকট ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগরী বরিশাল সাম্প্রতিক সময়ে উষ্ণায়নের কবলে পড়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি অস্বাভাবিকভাবে কমছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, যা জনজীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। এই পরিবর্তিত আবহাওয়া শুধু দৈনন্দিন অস্বস্তিই বাড়াচ্ছে না, মানুষের কর্মক্ষমতা ও জনস্বাস্থ্য খাতেও গুরুতর সংকট সৃষ্টি করছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক মো. আবদুল্লাহ সালমান ও ফয়সাল আহমেদের একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় এই উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিগত ষাট বছরে বরিশালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ০.৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে, বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত কমেছে ০.১৮ মিলিমিটার।

‘তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বায়ুর গতি এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতার তথ্যের একটি ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ’ (A Historical Analysis of Temperature, Rainfall, Wind Speed, and Relative Humidity Data) শিরোনামের এই গবেষণাপত্রটি ২০২০ সালে মালয়েশিয়ান জার্নাল অব জিওসায়েন্সেস-এ প্রকাশিত হয়। গবেষকরা তাঁদের বিশ্লেষণে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, নাসা (NASA) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NOAA)-এর ১৯৬১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যাদি ব্যবহার করেছেন।

গবেষণা ফলাফলে দেখা যায়, বরিশালে বার্ষিক গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ০.০০৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ০.০০৮৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ইঙ্গিত করে যে দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা দ্রুততর গতিতে উষ্ণ হচ্ছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার জুন মাসে সর্বাধিক লক্ষ্য করা গেছে, অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ফেব্রুয়ারি মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এছাড়া, শীতকাল, প্রাক-বর্ষা এবং বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হ্রাসের প্রবণতা স্পষ্ট। বিশেষভাবে জুন মাসে বৃষ্টিপাত সবচেয়ে বেশি কমেছে।

গবেষণা আরও নির্দেশ করে যে, বায়ুর গতিতে সামান্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতায় ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে, যা বছরে গড়ে ০.৩৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষকদের সতর্কবাণী অনুযায়ী, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা একই সাথে বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে তাপপ্রবাহ আরও বেশি অস্বস্তিকর এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা-লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশগত ভূপদার্থবিদ্যায় পিএইচডি গবেষণারত মো. আবদুল্লাহ সালমান Desi Media Point-কে বলেন, "তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় মাটির আর্দ্রতা কমে যাচ্ছে, যার ফলস্বরূপ সেচনির্ভরতা ও উপকূলীয় লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলাবদ্ধতা, ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা এবং অনিয়মিত বৃষ্টিপাত সম্মিলিতভাবে জনস্বাস্থ্যের জন্য এক জটিল ঝুঁকির সৃষ্টি করছে।" তাঁর মতে, বরিশাল দ্রুত একটি উষ্ণ ও অধিক আর্দ্র জলবায়ুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ, নগরে সবুজায়ন ও জলাশয় সংরক্ষণ, এবং জলবায়ু-সহনশীল কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

**জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও কর্মক্ষমতা হ্রাস**
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বরিশাল নগরীর মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এখন সুস্পষ্ট। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা প্রায়শই ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করছে। এমনকি বর্ষাকালেও বৃষ্টিপাত অনিয়মিত এবং বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাচ্ছে না। এই অবস্থা কেবল মানুষের অস্বস্তিই বাড়াচ্ছে না, বরং জীবনযাত্রার ব্যয়ও বাড়িয়ে তুলছে।

নগরীর রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাক জানান, বর্তমানে গ্রীষ্ম বা বর্ষা নির্বিশেষে সারাক্ষণ বৈদ্যুতিক পাখা চালাতে হয়। তিনি বলেন, "চব্বিশ ঘণ্টাই ফ্যান চালিয়ে রাখতে হয়, তবুও স্বস্তি পাওয়া যায় না। যেভাবে গরম বাড়ছে, তাতে এসি ছাড়া টিকে থাকা কঠিন।"

বিশ্বব্যাংকের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদন, যার শিরোনাম ‘অসহনীয় জীবন: তাপের প্রভাব, স্বাস্থ্য ও বাংলাদেশের অর্থনীতি’, অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে তাপপ্রবাহের কারণে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ কর্মদিবস নষ্ট হয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতিতে প্রায় ১৭৮ কোটি মার্কিন ডলার (২২ হাজার কোটি টাকার বেশি) ক্ষতি হয়েছে, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) প্রায় ০.৪ শতাংশের সমান।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে খোলা আকাশের নিচে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষের ওপর। নগরীর সাগরদি এলাকার রিকশাচালক আবুল কালাম (৪৮) জানান, পূর্বে তিনি সকাল থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত রিকশা চালাতে পারতেন, কিন্তু বর্তমানে অত্যধিক গরমের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। গরমে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যাওয়ায় তাঁর দৈনিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

**ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যঝুঁকি**
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ধারাবাহিক বৃদ্ধি হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা, হৃদ্‌রোগ এবং শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা বৃদ্ধি করছে। একই সাথে, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত এবং ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগ বিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

নগরীর পলাশপুর বস্তিতে প্রায় ছয় হাজারেরও বেশি মানুষের বাস। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে এই বস্তিতে চর্মরোগ স্ক্যাবিস ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল। বস্তির বাসিন্দা রুবিনা খাতুন উল্লেখ করেন যে, এর আগে তাঁদের এলাকায় এই রোগের প্রকোপ দেখা যায়নি; গত বছরেই প্রথম এর ব্যাপক বিস্তার ঘটে এবং এ বছরও কমবেশি ছড়িয়েছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, স্ক্যাবিস একটি গুরুতর ছোঁয়াচে চর্মরোগ, যার জন্য দায়ী পরজীবীর বংশবৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া অত্যন্ত অনুকূল।

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ শিখা রাণী সাহা জানান, বর্তমানে প্রচণ্ড গরমের কারণে জননতন্ত্রের প্রদাহ, চর্মরোগ এবং গর্ভকালীন জটিলতা, বিশেষত গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে অতিরিক্ত বমি ও ঘামের ফলে পানিশূন্যতা ও লবণশূন্যতার সমস্যা নিয়ে অধিক সংখ্যক রোগী আসছেন।

**ডায়রিয়া ও ডেঙ্গুর বিস্তার**
২০২১ সালে বরিশাল বিভাগে আকস্মিকভাবেই ডায়রিয়ার ব্যাপক প্রকোপ দেখা দেয়, যেখানে এক লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হন এবং ৩৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০২২ সালে এই বিভাগে ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন, এবং ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালেও প্রতি বছর ৫০ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রেও একই ধরনের উদ্বেগজনক চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে। ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর বড় প্রাদুর্ভাব ঘটে, যখন ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হন এবং ১৮ জনের মৃত্যু হয়। পরবর্তী বছরগুলোতেও এর ধারাবাহিকতা দেখা যায়, যেখানে ২০২২ সালে ১১ জন, ২০২৩ সালে ৫০ জন এবং ২০২৪ সালে ৩৮ জন মারা যান।

২০২৫ সালে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ২১ হাজার ৮১৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা গ্রহণ করেন এবং ৫১ জনের মৃত্যু হয়। চলতি বছর ২০ জুলাই পর্যন্ত, এই বিভাগে ৩ হাজার ১৫০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং তিনজন মৃত্যুবরণ করেছেন।

উষ্ণ আবহাওয়ার সাথে ডায়রিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, কারণ এ সময়ে খাদ্য ও পানি দ্রুত দূষিত হয় এবং ব্যাকটেরিয়ার দ্রুত বংশবৃদ্ধি ঘটে। নিরাপদ পানির সংকট এবং দুর্বল স্যানিটেশন ব্যবস্থা এই ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তোলে। অন্যদিকে, গরমের মধ্যে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার বংশবৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে।

**চিকিৎসায় বর্ধিত ব্যয়**
সাধারণ মানুষ এই সকল রোগের চিকিৎসা করাতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়ছেন। বরিশাল নগরীর উপকণ্ঠের কাগাশুরা এলাকার আশিকুর রহমান (২৮) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ১৩ জুলাই বরিশাল সদর হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ছয় দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি জানান যে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ইনজেকশন বাইরে থেকে কিনতে হয়েছে, যার ফলে তাঁর ২০ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছে।

**শহরের অভ্যন্তরেই সম্ভাব্য সমাধান**
কংক্রিটের উত্তপ্ত নগরীর মাঝেও বরিশালের ঐতিহাসিক রাজা বাহাদুর সড়ক ও এর সংলগ্ন এলাকাটি যেন একটি প্রাকৃতিক শীতল দ্বীপের মতো। দুটি বৃক্ষশোভিত সড়ক, দুটি দিঘি, একটি বিশাল উদ্যান এবং ব্রিটিশ আমলের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিশাল চত্বরজুড়ে বিস্তৃত শতবর্ষী বৃক্ষরাজির ঘন ক্যানোপি (গাছগুলোর ওপরের ডালপালা ও পাতার প্রাকৃতিক ছাদ) পুরো এলাকাটিকে আচ্ছাদিত করে রেখেছে। এর ফলস্বরূপ, গরমের দিনেও এখানকার পরিবেশ তুলনামূলকভাবে শীতল থাকে। নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশবিদদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রেক্ষাপটে এমন সবুজ করিডর শহরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

নগরীর এই প্রাকৃতিক শীতল অঞ্চলটি কেবল নান্দনিকই নয়, বরং আধুনিক গবেষণার ফলাফলের সাথেও এর চমৎকার সঙ্গতি রয়েছে। ‘আরবান ফরেস্ট্রি অ্যান্ড আরবান গ্রিনিং’ জার্নালে ২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে নগরে সবুজায়নের প্রভাব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। গবেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, শহরের তাপমাত্রা হ্রাসের জন্য শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ যথেষ্ট নয়; বরং স্তরযুক্ত সবুজায়ন (stratified greening) এবং সুপরিকল্পিত নগর নকশা অপরিহার্য।

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রিন মুভমেন্ট’-এর সমন্বয়ক কাজী মিজানুর রহমান বলেন, "এই প্রেক্ষাপটে বরিশাল শহরের রাজা বাহাদুর সড়ক এবং এর আশপাশের এলাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কারণ, এই সড়কে বিদ্যমান ঘন ক্যানোপি সরাসরি সূর্যালোককে বাধা দেয় এবং দুই পাশের বৃক্ষরাজি বিকিরিত তাপ কমিয়ে দেয়। এর ফলে বায়ুর স্বাভাবিক চলাচল বজায় থাকে এবং সামগ্রিকভাবে একটি তুলনামূলক শীতল ও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়।"

বরিশাল নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের নগর পরিকল্পনাবিদ মো. বায়েজিদ জানান, রাজা বাহাদুর সড়কের মতো ছায়াঘেরা সবুজ পথকে ভিত্তি ধরে শহরের প্রধান সড়কগুলোকে একটি সমন্বিত সবুজ নেটওয়ার্কে রূপান্তরিত করা সম্ভব। তাঁর মতে, সদর রোড, বান্দ রোড, পুলিশ লাইনস রোড এবং সিঅ্যান্ডবি রোডকে সংযুক্ত করে একটি ধারাবাহিক নগর সবুজ করিডর গড়ে তোলা যেতে পারে। এক্ষেত্রে, প্রতিটি এলাকায় ভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করে একটি বিশেষ বৈচিত্র্য আনা সম্ভব।

মো. বায়েজিদ আরও উল্লেখ করেন, এই মডেল অনুসরণ করে নতুন সড়ক ও উন্নয়ন প্রকল্পগুলিতে স্তরযুক্ত সবুজায়ন (গাছ, ঝোপঝাড় ও নিচু গাছপালা) নিশ্চিত করা গেলে শহরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ফলাফল পাওয়া যাবে এবং একই সাথে জীববৈচিত্র্যও বৃদ্ধি পাবে।