নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এক স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার অভিযোগে অভিযুক্ত কিশোরকে অবশেষে তার পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করেছে পুলিশ। সমাজসেবা বিভাগের একজন প্রবেশন কর্মকর্তার নিবিড় তত্ত্বাবধানে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গত শনিবার বিকেলে কিশোরটিকে তার রংপুরের বাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় আনা হয়। এরপর ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত উভয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন Desi Media Point-কে নিশ্চিত করেছেন যে, স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না করায় এবং উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতেই কিশোরটিকে প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জেলা সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তা নূর ফারজানা জানান, অভিযুক্ত কিশোরকে তার মা-বাবার জিম্মায় রাখা হয়েছে। আগামী ছয় মাস তাকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চালানো হবে। এই সময়ে তাকে প্রতি মাসে দুই থেকে তিনবার মা-বাবার সঙ্গে প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে হাজিরা দিতে হবে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বা তার পরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি যোগ করেন।
গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুলপোশাক পরা এক ছাত্রীকে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়েতে হেঁটে যাওয়ার সময় পেছন থেকে এক কিশোর লাথি মারছে। ছাত্রীটি প্রতিবাদ করলে তাকে আবারও লাথি মারা হয়। ভিডিওটি দ্রুত ফেসবুক ও টিকটকে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে অভিযুক্ত কিশোরকে ধরে সালিশ করা হয়, যেখানে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার জন্য ক্ষমা চাইতে দেখা যায়।
এদিকে, এই ঘটনার শিকার স্কুলছাত্রীকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে টিসি (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল মতিন প্রধান জানিয়েছেন, টিসি দেওয়ার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, 'ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়া এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণের অভিযোগে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, এলাকাবাসী আমরা সবাই বসে ছাত্রীর পরিবারকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছি।' টিসি দেওয়ার বিষয়ে পরিবারের দাবির প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরও যোগ করেন যে, তাদের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্যই এমন কথা বলা হয়েছিল। এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গত শনিবার বিকেলে কিশোরটিকে তার রংপুরের বাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় আনা হয়। এরপর ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত উভয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন Desi Media Point-কে নিশ্চিত করেছেন যে, স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না করায় এবং উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতেই কিশোরটিকে প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জেলা সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তা নূর ফারজানা জানান, অভিযুক্ত কিশোরকে তার মা-বাবার জিম্মায় রাখা হয়েছে। আগামী ছয় মাস তাকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চালানো হবে। এই সময়ে তাকে প্রতি মাসে দুই থেকে তিনবার মা-বাবার সঙ্গে প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে হাজিরা দিতে হবে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বা তার পরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি যোগ করেন।
গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুলপোশাক পরা এক ছাত্রীকে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়েতে হেঁটে যাওয়ার সময় পেছন থেকে এক কিশোর লাথি মারছে। ছাত্রীটি প্রতিবাদ করলে তাকে আবারও লাথি মারা হয়। ভিডিওটি দ্রুত ফেসবুক ও টিকটকে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে অভিযুক্ত কিশোরকে ধরে সালিশ করা হয়, যেখানে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার জন্য ক্ষমা চাইতে দেখা যায়।
এদিকে, এই ঘটনার শিকার স্কুলছাত্রীকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে টিসি (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল মতিন প্রধান জানিয়েছেন, টিসি দেওয়ার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, 'ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়া এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণের অভিযোগে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, এলাকাবাসী আমরা সবাই বসে ছাত্রীর পরিবারকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছি।' টিসি দেওয়ার বিষয়ে পরিবারের দাবির প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরও যোগ করেন যে, তাদের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্যই এমন কথা বলা হয়েছিল। এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
