রবিউল ইসলাম, যিনি রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্নিকটে একটি রেস্তোরাঁয় কর্মরত, প্রতিদিন মেট্রোরেলের শেষ ট্রিপে ফার্মগেট হয়ে তাঁর গন্তব্যে পৌঁছান। তবে, রাতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে প্রায়শই তাঁকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। কোনো কারণে শেষ ট্রেনে উঠতে না পারলে বিকল্প গণপরিবহন খুঁজে বের করা তাঁর জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
Desi Media Point-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রবিউল ইসলাম জানান, ফার্মগেটে মেট্রোরেল থেকে নেমে তাঁর বাসা পূর্ব রাজাবাজারের খুব কাছে। তাঁর মতে, এটিই তাঁর জন্য সবচেয়ে সহজ ও সুবিধাজনক যাতায়াত মাধ্যম। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, রাতের ট্রেনের সংখ্যা অথবা চলাচল সময় বৃদ্ধি পেলে তাঁর মতো অসংখ্য যাত্রী উপকৃত হবেন।
রবিউল ইসলামের এই পর্যবেক্ষণ মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গত ৭ জুন থেকে রাতের বেলায় উভয় দিক থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় ২০ মিনিট বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে, শেষ ট্রেনগুলো ২০ মিনিট অন্তর চলাচল করায় যাত্রীদের চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। দুটি ট্রেন বৃদ্ধির ফলে যাত্রীসংখ্যা প্রায় ১০ হাজার বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আরও দুটি ট্রেন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা চলতি মাসের শেষ নাগাদ চালু হবে। এর ফলে শেষ ট্রিপগুলোর মাঝে বিদ্যমান ২০ মিনিটের বিরতি কমে ৭ থেকে ৮ মিনিটে নেমে আসবে, যা যাত্রীদের ভিড় কমাতে সহায়ক হবে।
মেট্রোরেলের নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে মেট্রোরেলের রাতের সেবার সময় আরও ২০ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সম্প্রসারণের ফলে রাত ১১টা পর্যন্ত শেষ ট্রেন চলাচল করবে। প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলেও ওই সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ডিএমটিসিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, রাতের বেলায় মেট্রোরেলের সময়সীমা বাড়াতে অতিরিক্ত ট্রেন চালক (অপারেটর) অপরিহার্য। ইতোমধ্যে নতুন অপারেটরদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং তাঁদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই প্রশিক্ষণ ২৬ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা রয়েছে, যার পরপরই তাঁরা ট্রেন পরিচালনায় যুক্ত হবেন। পাশাপাশি, রাতের বর্ধিত সময়ে রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য অপারেশনাল কার্যক্রম কীভাবে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যাবে, সে বিষয়ে নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
বর্তমানে, রাতের বেলায় মতিঝিল থেকে উত্তরার উদ্দেশ্যে সর্বশেষ ট্রেনটি রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে যায়। অন্যদিকে, উত্তরা থেকে রাতের শেষ ট্রেনটি ছাড়ে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে। দিনের প্রথম মেট্রোরেল উত্তরা থেকে মতিঝিলের দিকে যাত্রা শুরু করে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে, এবং মতিঝিল থেকে উত্তরার দিকে প্রথম ট্রেন ছাড়ে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সকালের বেলায় মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর বিষয়ে আপাতত কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই।
ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের প্রতি সাড়ে তিন মিনিট অন্তর একটি করে ট্রেন পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে। প্রকল্প গ্রহণের প্রাথমিক পর্যায়ে, সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মেট্রোরেল পরিষেবা চালু রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে, পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে সেই লক্ষ্য সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে, পর্যায়ক্রমিকভাবে সেবার সময়সীমা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রতিদিন পাঁচ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করার কথা ছিল। বর্তমানে, মেট্রোরেলে দৈনিক গড়ে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করেন। মেট্রোরেলের কমলাপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে, এবং এই বর্ধিত অংশটি আগামী বছর চালু হতে পারে। তখন দৈনিক যাত্রীসংখ্যা ৬ লক্ষ ৭৭ হাজারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকার প্রথম মেট্রোরেল ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। প্রাথমিক পর্যায়ে এর চলাচল উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। পর্যায়ক্রমিকভাবে স্টেশনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০২৩ সালের শেষ দিনে মতিঝিল পর্যন্ত সকল স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা শুরু হয়।
ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম Desi Media Point-কে নিশ্চিত করেছেন যে, রাতের বেলায় দুটি অতিরিক্ত ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর সুনির্দিষ্ট তারিখ খুব শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে দুটি ট্রেনের মধ্যেকার বিরতি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। তিনি আরও জানান, আগামী মাসে রাতের মেট্রোরেলের সময়সীমা আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে।
Desi Media Point-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রবিউল ইসলাম জানান, ফার্মগেটে মেট্রোরেল থেকে নেমে তাঁর বাসা পূর্ব রাজাবাজারের খুব কাছে। তাঁর মতে, এটিই তাঁর জন্য সবচেয়ে সহজ ও সুবিধাজনক যাতায়াত মাধ্যম। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, রাতের ট্রেনের সংখ্যা অথবা চলাচল সময় বৃদ্ধি পেলে তাঁর মতো অসংখ্য যাত্রী উপকৃত হবেন।
রবিউল ইসলামের এই পর্যবেক্ষণ মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গত ৭ জুন থেকে রাতের বেলায় উভয় দিক থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় ২০ মিনিট বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে, শেষ ট্রেনগুলো ২০ মিনিট অন্তর চলাচল করায় যাত্রীদের চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। দুটি ট্রেন বৃদ্ধির ফলে যাত্রীসংখ্যা প্রায় ১০ হাজার বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আরও দুটি ট্রেন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা চলতি মাসের শেষ নাগাদ চালু হবে। এর ফলে শেষ ট্রিপগুলোর মাঝে বিদ্যমান ২০ মিনিটের বিরতি কমে ৭ থেকে ৮ মিনিটে নেমে আসবে, যা যাত্রীদের ভিড় কমাতে সহায়ক হবে।
মেট্রোরেলের নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে মেট্রোরেলের রাতের সেবার সময় আরও ২০ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সম্প্রসারণের ফলে রাত ১১টা পর্যন্ত শেষ ট্রেন চলাচল করবে। প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলেও ওই সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ডিএমটিসিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, রাতের বেলায় মেট্রোরেলের সময়সীমা বাড়াতে অতিরিক্ত ট্রেন চালক (অপারেটর) অপরিহার্য। ইতোমধ্যে নতুন অপারেটরদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং তাঁদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই প্রশিক্ষণ ২৬ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা রয়েছে, যার পরপরই তাঁরা ট্রেন পরিচালনায় যুক্ত হবেন। পাশাপাশি, রাতের বর্ধিত সময়ে রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য অপারেশনাল কার্যক্রম কীভাবে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যাবে, সে বিষয়ে নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
বর্তমানে, রাতের বেলায় মতিঝিল থেকে উত্তরার উদ্দেশ্যে সর্বশেষ ট্রেনটি রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে যায়। অন্যদিকে, উত্তরা থেকে রাতের শেষ ট্রেনটি ছাড়ে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে। দিনের প্রথম মেট্রোরেল উত্তরা থেকে মতিঝিলের দিকে যাত্রা শুরু করে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে, এবং মতিঝিল থেকে উত্তরার দিকে প্রথম ট্রেন ছাড়ে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সকালের বেলায় মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর বিষয়ে আপাতত কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই।
ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের প্রতি সাড়ে তিন মিনিট অন্তর একটি করে ট্রেন পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে। প্রকল্প গ্রহণের প্রাথমিক পর্যায়ে, সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মেট্রোরেল পরিষেবা চালু রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে, পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে সেই লক্ষ্য সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে, পর্যায়ক্রমিকভাবে সেবার সময়সীমা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রতিদিন পাঁচ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করার কথা ছিল। বর্তমানে, মেট্রোরেলে দৈনিক গড়ে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করেন। মেট্রোরেলের কমলাপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে, এবং এই বর্ধিত অংশটি আগামী বছর চালু হতে পারে। তখন দৈনিক যাত্রীসংখ্যা ৬ লক্ষ ৭৭ হাজারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকার প্রথম মেট্রোরেল ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। প্রাথমিক পর্যায়ে এর চলাচল উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। পর্যায়ক্রমিকভাবে স্টেশনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০২৩ সালের শেষ দিনে মতিঝিল পর্যন্ত সকল স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা শুরু হয়।
ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম Desi Media Point-কে নিশ্চিত করেছেন যে, রাতের বেলায় দুটি অতিরিক্ত ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর সুনির্দিষ্ট তারিখ খুব শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে দুটি ট্রেনের মধ্যেকার বিরতি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। তিনি আরও জানান, আগামী মাসে রাতের মেট্রোরেলের সময়সীমা আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে।