নেত্রকোনার মদন উপজেলায় আলোড়ন সৃষ্টিকারী এক ঘটনায়, ১১ বছর বয়সী এক নাবালিকার জন্ম দেওয়া নবজাতকের ডিএনএর সঙ্গে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএর অভিন্নতা নিশ্চিত হয়েছে। ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে সংগৃহীত নমুনা বিশ্লেষণের পর এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটিত হয়। ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে জেলা পুলিশের নিকট পৌঁছেছে।
পুলিশ কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া বর্তমানে শেষ ধাপে উপনীত। আগামী তিন থেকে চার কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম আজ সোমবার সন্ধ্যায় Desi Media Point-কে টেলিফোনে জানান, ‘ফরেনসিক ল্যাবে ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের সঙ্গে নবজাতকের ডিএনএ নমুনার অভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়েছে। আমরা গত বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা না থাকে, তা নিশ্চিত করতে কয়েকজন অভিজ্ঞ পরিদর্শককে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। আশা করা যায়, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে আমরা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করতে সক্ষম হব।’
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার টেলিফোনে যোগাযোগের প্রচেষ্টা চালানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।
৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নুরুল কবীর Desi Media Point-কে অবহিত করেন যে, নবজাতকের ডিএনএ-তে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএর সাদৃশ্য নিশ্চিত হয়েছে। অভিযোগপত্র আদালতে উপস্থাপনের পূর্বে রাষ্ট্রপক্ষের পিপির আইনগত মতামত গ্রহণ করা হয়। তিনি আজ এই বিষয়ে তার মতামত প্রদান করেছেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করা হবে এবং আদালত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
মামলার নথি পর্যালোচনা করে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় চার বছর পূর্বে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা স্থাপন করেন। নাবালিকাটি তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর নানার তত্ত্বাবধানে থেকে উক্ত মাদ্রাসায় লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছিল। তার মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। শিশুটি শারীরিক অসুস্থতা ও দৈহিক পরিবর্তন অনুভব করলে তার মা দ্রুত বাড়িতে প্রত্যাবর্তন করেন। পরবর্তীতে গত ১৮ এপ্রিল মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা শিশুটিকে গর্ভবতী হিসেবে শনাক্ত করেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে গত ৬ মে র্যাব অভিযান চালিয়ে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতের নির্দেশে গত ১৭ মে অভিযুক্ত ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার স্বার্থে গত ১২ মে আদালতের আদেশক্রমে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সিলেটের একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে (সেফ হোম) পাঠানো হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই নবজাতক এবং তার মায়ের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক বর্তমানে কারাবন্দী রয়েছেন এবং নবজাতকসহ নাবালিকাটি সিলেটের ওই নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রেই অবস্থান করছে।
পুলিশ কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া বর্তমানে শেষ ধাপে উপনীত। আগামী তিন থেকে চার কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম আজ সোমবার সন্ধ্যায় Desi Media Point-কে টেলিফোনে জানান, ‘ফরেনসিক ল্যাবে ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের সঙ্গে নবজাতকের ডিএনএ নমুনার অভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়েছে। আমরা গত বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা না থাকে, তা নিশ্চিত করতে কয়েকজন অভিজ্ঞ পরিদর্শককে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। আশা করা যায়, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে আমরা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করতে সক্ষম হব।’
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার টেলিফোনে যোগাযোগের প্রচেষ্টা চালানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।
৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নুরুল কবীর Desi Media Point-কে অবহিত করেন যে, নবজাতকের ডিএনএ-তে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএর সাদৃশ্য নিশ্চিত হয়েছে। অভিযোগপত্র আদালতে উপস্থাপনের পূর্বে রাষ্ট্রপক্ষের পিপির আইনগত মতামত গ্রহণ করা হয়। তিনি আজ এই বিষয়ে তার মতামত প্রদান করেছেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করা হবে এবং আদালত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
মামলার নথি পর্যালোচনা করে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় চার বছর পূর্বে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা স্থাপন করেন। নাবালিকাটি তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর নানার তত্ত্বাবধানে থেকে উক্ত মাদ্রাসায় লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছিল। তার মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। শিশুটি শারীরিক অসুস্থতা ও দৈহিক পরিবর্তন অনুভব করলে তার মা দ্রুত বাড়িতে প্রত্যাবর্তন করেন। পরবর্তীতে গত ১৮ এপ্রিল মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা শিশুটিকে গর্ভবতী হিসেবে শনাক্ত করেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে গত ৬ মে র্যাব অভিযান চালিয়ে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতের নির্দেশে গত ১৭ মে অভিযুক্ত ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার স্বার্থে গত ১২ মে আদালতের আদেশক্রমে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সিলেটের একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে (সেফ হোম) পাঠানো হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই নবজাতক এবং তার মায়ের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক বর্তমানে কারাবন্দী রয়েছেন এবং নবজাতকসহ নাবালিকাটি সিলেটের ওই নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রেই অবস্থান করছে।