Tue 25th Aug 2026, 11:35 am

খোলাবাজারে ডলারের বিনিময় হার ১২৬.৫০ টাকা নির্ধারণ

খোলাবাজারে ডলারের বিনিময় হার ১২৬.৫০ টাকা নির্ধারণ
দেশের খোলাবাজারে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করেছে মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি)। এই নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে প্রতি ডলার ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায় ক্রয় করবে এবং এর চেয়ে ১ টাকা বেশি অর্থাৎ ১২৬ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি করবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি খোলাবাজারে ডলারের মূল্য ১২৮ টাকায় উন্নীত হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক মানি চেঞ্জারদের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করে। এই প্রেক্ষাপটেই আজ ডলারের নতুন বিনিময় হার ঘোষণা করা হলো।

আজ সোমবার এমসিএবি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই নতুন দর ঘোষণা করেন সংগঠনের সভাপতি এম এস জামান। এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী গৌতম দে এবং বিভিন্ন মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারগণ উপস্থিত ছিলেন।

এমসিএবি সভাপতি এম এস জামান জানান, এই নির্ধারিত বিনিময় হার সংগঠনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের সকল মানি চেঞ্জারকে অবগত করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, ডলারের বাজারে অনৈতিক কারসাজির জন্য মানি চেঞ্জাররা দায়ী নয়, বরং ব্যাংকগুলোই এর জন্য দায়ী। তার মতে, মানি চেঞ্জার খাতের পরিধি অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় এ খাতে বাজার কারসাজির কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, করোনা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ব্যাংক ডলারের বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে বিপুল পরিমাণ মুনাফা অর্জন করেছে, অথচ বাজারের অস্থিরতার জন্য প্রায়শই মানি চেঞ্জারদের উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করা হয়।

এমসিএবি সভাপতি আরও বলেন যে, মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল নগদ বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করে থাকে। তারা কোনো ইলেকট্রনিক বা ভার্চ্যুয়াল মুদ্রার লেনদেনে জড়িত নয় এবং সরাসরি প্রবাসী আয় আনতেও অক্ষম। বিদেশফেরত যাত্রী এবং প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে আসা নগদ বৈদেশিক মুদ্রাই তাদের ব্যবসার প্রধান উৎস। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তব্যাংক বাজারে ডলার ক্রয়-বিক্রয় করে এবং ব্যাংকগুলোর জন্য ডলারের মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও, মানি চেঞ্জারদের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয় না। এই বৈষম্য দূর করে বৈধভাবে ডলার লেনদেনের সুযোগ বৃদ্ধি এবং অবৈধ বাজার বন্ধে নীতি সহজীকরণের দাবি জানান তিনি।