রাজধানী ঢাকা থেকে পর্যটননগরী কক্সবাজার পর্যন্ত ভ্রমণকে আরও সহজ ও আরামদায়ক করতে আজ সোমবার থেকে যুক্ত হলো নতুন ট্রেন সার্ভিস ‘মহানগর এক্সপ্রেস’। পূর্বে শুধু চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলাচলকারী এই ট্রেনটির যাত্রাপথ এখন পর্যটননগরী কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে।
এর ফলে নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনীসহ মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর যাত্রীরা এখন থেকে ট্রেন পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি কক্সবাজার যাতায়াতের সুবিধা পাবেন। বর্তমানে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটন এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিরতিহীন ট্রেন সার্ভিস চালু আছে, যা কেবল চট্টগ্রাম ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে।
তবে নতুন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ সার্ভিসটি কক্সবাজার-ঢাকা রুটে অন্তত ১৪টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে নির্ধারিত নতুন রুট ও সময়সূচি অনুযায়ী, ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে এবং পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজারের আইকনিক স্টেশনে থামবে।
ফিরতি পথে কক্সবাজার থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টায় ছেড়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামে যাত্রাবিরতি দিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকায় পৌঁছাবে। তবে প্রতি রোববার এই ট্রেনটির চলাচল বন্ধ থাকবে।
‘মহানগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনটিতে মোট ১৬টি কোচ রয়েছে এবং এর আসনসংখ্যা ৭০০ থেকে বাড়িয়ে ৭৩৬টিতে উন্নীত করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সিটের ধরন ও রুটের ওপর ভিত্তি করে ভাড়া নির্ধারণ করেছে।
এই রুটে সর্বনিম্ন ভাড়া (শোভন চেয়ার) ৬৮৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া (এসি ক্যাটাগরি) ১,৫৭০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এছাড়াও, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম অংশের জন্য সর্বনিম্ন ভাড়া ২৪০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ৫৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। তবে এই বর্ধিত নতুন রুটে সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশনে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়মানুযায়ী অনলাইনে (RailSeba App/Web) এবং রেলওয়ে স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট কেনা যাবে। ঢাকা থেকে আজকের যাত্রার জন্য টিকিট আগেই বিক্রি শুরু হয়েছে।
এছাড়া, কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার জন্য ২৭ অক্টোবরের যাত্রার টিকিট বুকিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে সরাসরি রেল যোগাযোগ চালুর ফলে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদীর যাত্রীদের ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনি কক্সবাজারের হোটেল, রেস্তোরাঁ ও স্থানীয় পর্যটন খাতে আয়ের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক জয়নাল আবেদীন বলেন, “প্রতিদিন মহানগর এক্সপ্রেসের দুটি ট্রেন কক্সবাজার-ঢাকা রুটে চলাচল করবে। এর পাশাপাশি আগের মতোই কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস এই রুটে নিয়মিত চলাচল করবে।”
এর ফলে নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনীসহ মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর যাত্রীরা এখন থেকে ট্রেন পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি কক্সবাজার যাতায়াতের সুবিধা পাবেন। বর্তমানে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটন এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিরতিহীন ট্রেন সার্ভিস চালু আছে, যা কেবল চট্টগ্রাম ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে।
তবে নতুন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ সার্ভিসটি কক্সবাজার-ঢাকা রুটে অন্তত ১৪টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে নির্ধারিত নতুন রুট ও সময়সূচি অনুযায়ী, ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে এবং পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজারের আইকনিক স্টেশনে থামবে।
ফিরতি পথে কক্সবাজার থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টায় ছেড়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামে যাত্রাবিরতি দিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকায় পৌঁছাবে। তবে প্রতি রোববার এই ট্রেনটির চলাচল বন্ধ থাকবে।
‘মহানগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনটিতে মোট ১৬টি কোচ রয়েছে এবং এর আসনসংখ্যা ৭০০ থেকে বাড়িয়ে ৭৩৬টিতে উন্নীত করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সিটের ধরন ও রুটের ওপর ভিত্তি করে ভাড়া নির্ধারণ করেছে।
এই রুটে সর্বনিম্ন ভাড়া (শোভন চেয়ার) ৬৮৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া (এসি ক্যাটাগরি) ১,৫৭০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এছাড়াও, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম অংশের জন্য সর্বনিম্ন ভাড়া ২৪০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ৫৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। তবে এই বর্ধিত নতুন রুটে সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশনে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়মানুযায়ী অনলাইনে (RailSeba App/Web) এবং রেলওয়ে স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট কেনা যাবে। ঢাকা থেকে আজকের যাত্রার জন্য টিকিট আগেই বিক্রি শুরু হয়েছে।
এছাড়া, কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার জন্য ২৭ অক্টোবরের যাত্রার টিকিট বুকিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে সরাসরি রেল যোগাযোগ চালুর ফলে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদীর যাত্রীদের ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনি কক্সবাজারের হোটেল, রেস্তোরাঁ ও স্থানীয় পর্যটন খাতে আয়ের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক জয়নাল আবেদীন বলেন, “প্রতিদিন মহানগর এক্সপ্রেসের দুটি ট্রেন কক্সবাজার-ঢাকা রুটে চলাচল করবে। এর পাশাপাশি আগের মতোই কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস এই রুটে নিয়মিত চলাচল করবে।”