Tue 27th Oct 2026, 3:01 pm
|

উচ্চমাধ্যমিকে বাংলা প্রথম পত্র: পাঠ্যসূচিতে ২৪ সাহিত্যিকের ১২ গদ্য ও পদ্য, থাকছে উপন্যাস-নাটকও

উচ্চমাধ্যমিকে বাংলা প্রথম পত্র: পাঠ্যসূচিতে ২৪ সাহিত্যিকের ১২ গদ্য ও পদ্য, থাকছে উপন্যাস-নাটকও
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্রের নতুন পাঠ্যসূচি ঘোষণা করেছে। এই নতুন সিলেবাসে মোট ২৪ জন কবি ও সাহিত্যিকের সাহিত্যকর্ম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এনসিটিবি-র প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের জন্য ১২টি গদ্য, ১২টি পদ্য, একটি উপন্যাস এবং একটি নাটক নির্ধারিত হয়েছে। গদ্য অংশে শিক্ষার্থীরা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অপরিচিতা’ এবং প্রমথ চৌধুরীর ‘সাহিত্যে খেলা’ পড়বেন।

এই তালিকায় আরও রয়েছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘অর্ধাঙ্গী’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘যৌবনের গান’ এবং মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘জীবন ও বৃক্ষ’। এছাড়া শিক্ষার্থীরা সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘গন্তব্য কাবুল’, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মাসি-পিসি’, শওকত আলীর ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’, গী দ্য মোপাসাঁর ‘নেকলেস’ এবং আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘রেইনকোট’ পাঠ করবেন।

কবিতা অংশে আলাওলের ‘ঋতু বর্ণন’, মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ এবং কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ পাঠ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। জীবনানন্দ দাশের ‘সুচেতনা’ ও জসীমউদ্‌দীনের ‘প্রতিদান’ কবিতাও শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচিতে থাকছে।

নির্ধারিত কবিতার অন্যান্য রচনাগুলোর মধ্যে রয়েছে সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘তাহারেই পড়ে মনে’ ও ‘আঠারো বছর বয়স’। ফররুখ আহমদের ‘পদ্মা’, শামসুর রাহমানের ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ এবং আল মাহমুদের ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাগুলোও উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

উপন্যাস অংশে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘লালসালু’ শিক্ষার্থীদের পাঠ্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। অন্যদিকে, নাটক অংশে সিকান্দার আবু জাফরের বিখ্যাত নাটক ‘সিরাজ-উদ-দৌলা’ পাঠ্যসূচিতে স্থান পেয়েছে।