স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকে সামনে রেখে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ১৯টি সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, শিল্পের উৎপাদনশীলতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে এ কর্মপরিকল্পনায়।
এর আওতায় ২০২৯ সালের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশে নামিয়ে আনা, কর-জিডিপি অনুপাত কমপক্ষে ৯ শতাংশে উন্নীত করা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছয় মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণে নেওয়া এবং খেলাপি ঋণের হার ২০ শতাংশের নিচে নামানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে মোট রপ্তানিতে তৈরি পোশাকের বাইরের পণ্যের অংশ ২৫ শতাংশের বেশি করা এবং বন্দরে কনটেইনার খালাসের গড় সময় ৯.৪৪ দিন থেকে কমিয়ে এক থেকে দুদিনে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
‘ন্যাশনাল রোডম্যাপ ফর স্মুথ, সাসটেইনেবল অ্যান্ড ইররিভার্সিবল এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন (২০২৬-২০২৯)’ শীর্ষক এ কর্মপরিকল্পনায় তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি ও উত্তরণ-পরবর্তী প্রস্তুতি—এ তিন পর্যায়ে সংস্কারগুলো সাজানো হয়েছে। এতে ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্কারের সময়সীমা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।
শেষ ছয় মাসে অগ্রগতি পর্যালোচনা, অসমাপ্ত সংস্কার সম্পন্ন এবং চূড়ান্ত প্রস্তুতি মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞাপনবাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতির জন্য আরো তিন বছর সময় পেয়েছে বাংলাদেশ। অর্থনীতিতে এখন নানামুখী চাপ আছে।
এ চাপের সময় প্রস্তুতির জন্য বাড়তি সময় নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেবে। এলডিসি উত্তরণ হলে যেসব বাণিজ্য সুবিধা উঠে যেত, সেসব সুবিধা অন্তত ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।
সুবিধা পাওয়ার তালিকায় আছে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা, ভর্তুকি, নগদ সহায়তার সুযোগ, নমনীয় শর্তে ঋণ পাওয়া ইত্যাদি। এদিকে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকালে বাড়তি তিন বছরের মধ্যে রাজস্ব ও আর্থিক খাত, ব্যবসাসহায়ক পরিবেশ, বৈচিত্র্যময় রপ্তানি খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে চলমান সংস্কারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্বম্ভ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমত, সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক স্থিতিশীলতার অংশ হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ বৃদ্ধি করা।
দ্বিতীয়ত, বাণিজ্য রূপান্তর ও রপ্তানি প্রতিযোগিতা জোরদার করতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখা, জাতীয় মান অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং ট্রিপস বা মেধাস্বত্ব সুবিধা সুরক্ষিত করা। তৃতীয়ত, উৎপাদন সক্ষমতা ও শিল্প আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তির ব্যবহার, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা।
চতুর্থত, মানব পুঁজি ও ভবিষ্যৎ দক্ষতার বিকাশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, ডিজিটাল ও গ্রিন স্কিল এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদার করা। পঞ্চমত, সুশাসন ও অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে জাতীয় এলডিসি মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব সুদৃঢ় করা।
জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনের জন্য সরকার তিন ধাপের সংস্কার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২০২৬ থেকে জুন ২০২৭ সালের মধ্যে কুইক-উইন পদক্ষেপ হিসেবে রাজস্ব ও মুদ্রানীতির সমন্বয়ে মূল্যস্ফীতি কমানো, ব্যাংক খাতে ডিসট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক কার্যকর করা এবং ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবসা শুরুর লাইসেন্স প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ইন্টিগ্রেটেড ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করার কার্যক্রম চলছে।
দ্বিতীয় ধাপে ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সম্পূর্ণ অটোমেশন, নন-ট্যাক্স রেভিনিউ বৃদ্ধি এবং শিল্প অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে ইটিপি ও এপিআই পার্কের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তৃতীয় ধাপে ২০২৬ থেকে জুন ২০২৯ সালের মধ্যে ওষুধ, চামড়া, পাট, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আইসিটিসহ উচ্চ-সম্ভাবনাময় খাতের রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বিএসটিআইয়ের সেবাকে ২৪ ঘণ্টা চালুর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নে সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ মালিকানার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত পূর্বাভাস, সময়মতো অনুমোদন এবং কাস্টমস আধুনিকায়নের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন ও চেম্বারগুলো প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, ইএসজি ও শ্রম কমপ্লায়েন্স এবং কর্মসংস্থানের মানদণ্ড বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইতোমধ্যে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জনের লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
জানা গেছে, পুরো রোডম্যাপ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ৪০ শতাংশ আসবে জাতীয় বাজেট বা এডিপি থেকে, ৩০ শতাংশ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে, ২৫ শতাংশ বেসরকারি বিনিয়োগ থেকে এবং বাকি পাঁচ শতাংশ ব্লেন্ডেড ও গ্রিন ফাইন্যান্সের মাধ্যমে সংগৃহীত হবে। বিশ্বব্যাপী মন্দা, জ্বালানি মূল্য সংকট এবং ব্যাংক খাতের অস্থিরতার মতো সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট কৌশল রোডম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে গঠিত পাবলিক-প্রাইভেট টাস্কফোর্স এবং এসএসজিপির মাধ্যমে এই পুরো কার্যক্রম নিয়মিত মনিটর করা হচ্ছে। ের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
এর আওতায় ২০২৯ সালের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশে নামিয়ে আনা, কর-জিডিপি অনুপাত কমপক্ষে ৯ শতাংশে উন্নীত করা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছয় মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণে নেওয়া এবং খেলাপি ঋণের হার ২০ শতাংশের নিচে নামানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে মোট রপ্তানিতে তৈরি পোশাকের বাইরের পণ্যের অংশ ২৫ শতাংশের বেশি করা এবং বন্দরে কনটেইনার খালাসের গড় সময় ৯.৪৪ দিন থেকে কমিয়ে এক থেকে দুদিনে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
‘ন্যাশনাল রোডম্যাপ ফর স্মুথ, সাসটেইনেবল অ্যান্ড ইররিভার্সিবল এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন (২০২৬-২০২৯)’ শীর্ষক এ কর্মপরিকল্পনায় তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি ও উত্তরণ-পরবর্তী প্রস্তুতি—এ তিন পর্যায়ে সংস্কারগুলো সাজানো হয়েছে। এতে ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্কারের সময়সীমা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।
শেষ ছয় মাসে অগ্রগতি পর্যালোচনা, অসমাপ্ত সংস্কার সম্পন্ন এবং চূড়ান্ত প্রস্তুতি মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞাপনবাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতির জন্য আরো তিন বছর সময় পেয়েছে বাংলাদেশ। অর্থনীতিতে এখন নানামুখী চাপ আছে।
এ চাপের সময় প্রস্তুতির জন্য বাড়তি সময় নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেবে। এলডিসি উত্তরণ হলে যেসব বাণিজ্য সুবিধা উঠে যেত, সেসব সুবিধা অন্তত ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।
সুবিধা পাওয়ার তালিকায় আছে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা, ভর্তুকি, নগদ সহায়তার সুযোগ, নমনীয় শর্তে ঋণ পাওয়া ইত্যাদি। এদিকে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকালে বাড়তি তিন বছরের মধ্যে রাজস্ব ও আর্থিক খাত, ব্যবসাসহায়ক পরিবেশ, বৈচিত্র্যময় রপ্তানি খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে চলমান সংস্কারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্বম্ভ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমত, সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক স্থিতিশীলতার অংশ হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ বৃদ্ধি করা।
দ্বিতীয়ত, বাণিজ্য রূপান্তর ও রপ্তানি প্রতিযোগিতা জোরদার করতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখা, জাতীয় মান অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং ট্রিপস বা মেধাস্বত্ব সুবিধা সুরক্ষিত করা। তৃতীয়ত, উৎপাদন সক্ষমতা ও শিল্প আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তির ব্যবহার, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা।
চতুর্থত, মানব পুঁজি ও ভবিষ্যৎ দক্ষতার বিকাশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, ডিজিটাল ও গ্রিন স্কিল এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদার করা। পঞ্চমত, সুশাসন ও অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে জাতীয় এলডিসি মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব সুদৃঢ় করা।
জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনের জন্য সরকার তিন ধাপের সংস্কার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২০২৬ থেকে জুন ২০২৭ সালের মধ্যে কুইক-উইন পদক্ষেপ হিসেবে রাজস্ব ও মুদ্রানীতির সমন্বয়ে মূল্যস্ফীতি কমানো, ব্যাংক খাতে ডিসট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক কার্যকর করা এবং ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবসা শুরুর লাইসেন্স প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ইন্টিগ্রেটেড ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করার কার্যক্রম চলছে।
দ্বিতীয় ধাপে ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সম্পূর্ণ অটোমেশন, নন-ট্যাক্স রেভিনিউ বৃদ্ধি এবং শিল্প অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে ইটিপি ও এপিআই পার্কের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তৃতীয় ধাপে ২০২৬ থেকে জুন ২০২৯ সালের মধ্যে ওষুধ, চামড়া, পাট, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আইসিটিসহ উচ্চ-সম্ভাবনাময় খাতের রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বিএসটিআইয়ের সেবাকে ২৪ ঘণ্টা চালুর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নে সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ মালিকানার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত পূর্বাভাস, সময়মতো অনুমোদন এবং কাস্টমস আধুনিকায়নের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন ও চেম্বারগুলো প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, ইএসজি ও শ্রম কমপ্লায়েন্স এবং কর্মসংস্থানের মানদণ্ড বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইতোমধ্যে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জনের লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
জানা গেছে, পুরো রোডম্যাপ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ৪০ শতাংশ আসবে জাতীয় বাজেট বা এডিপি থেকে, ৩০ শতাংশ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে, ২৫ শতাংশ বেসরকারি বিনিয়োগ থেকে এবং বাকি পাঁচ শতাংশ ব্লেন্ডেড ও গ্রিন ফাইন্যান্সের মাধ্যমে সংগৃহীত হবে। বিশ্বব্যাপী মন্দা, জ্বালানি মূল্য সংকট এবং ব্যাংক খাতের অস্থিরতার মতো সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট কৌশল রোডম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে গঠিত পাবলিক-প্রাইভেট টাস্কফোর্স এবং এসএসজিপির মাধ্যমে এই পুরো কার্যক্রম নিয়মিত মনিটর করা হচ্ছে। ের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন