প্রয়াত স্বামীকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। কন্যার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ছয়টায় মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি লাভ করেন।
ভোরের প্রথম আলো ফোটার সাথে সাথেই কারাগারের ফটকে একটি প্রিজন ভ্যান এবং নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশের গাড়ি এসে পৌঁছায়। ভোর ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে দীপু মনি কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
মুন্সিগঞ্জ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার মো. হাসেম রেজা Desi Media Point-কে জানান, 'গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তির নির্দেশনামা আমরা হাতে পাই। সে অনুযায়ী আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়। আজ ভোরে সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর সকাল ৬টা ১০ মিনিটে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর নিরাপত্তায় দুটি পুলিশ ভ্যান এবং প্রিজন ভ্যানে মোট ৩৮ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন। নির্দেশনা অনুযায়ী, যে পাহারায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, ঠিক সেভাবেই সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে তাঁকে কারাগারে ফিরিয়ে আনতে হবে।'
দীর্ঘদিন ধরে দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ কিডনি ও লিভারের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে রাজধানীর গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এরপর তাঁর মেয়ে তানী দীপাবলি এবং আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম মায়ের প্যারোলে মুক্তির জন্য গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ব্যাপক তৎপরতা চালান। পরবর্তীতে দুপুরে দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির সিদ্ধান্ত জানানো হয়। মুন্সিগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত এই মুক্তির আবেদন অনুমোদন করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত একাধিক মামলার আসামি হিসেবে দীপু মনি মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন। কারাগারের বাইরে স্বামীর সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে তিনি একাধিকবার আবেদন করলেও সেই অনুমতি পাননি। আদালতে তাঁকে উপস্থিত করা হলে, শয্যাশায়ী তৌফিক নেওয়াজকে স্ট্রেচারে করে তাঁর সাথে দেখা করতে নিয়ে আসা হতো।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক, তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ আজ সকালে ঢাকার কলাবাগানে তাঁর নিজস্ব বাসভবনে আনা হয়। সেখানেই দীপু মনি তাঁর প্রয়াত স্বামীর নশ্বর দেহ দর্শন করবেন। এরপর মরদেহ নেওয়া হবে গুলশানের আজাদ মসজিদে। সেখানে বাদ জোহর জানাজা ও দোয়া শেষে তাঁকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
ভোরের প্রথম আলো ফোটার সাথে সাথেই কারাগারের ফটকে একটি প্রিজন ভ্যান এবং নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশের গাড়ি এসে পৌঁছায়। ভোর ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে দীপু মনি কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
মুন্সিগঞ্জ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার মো. হাসেম রেজা Desi Media Point-কে জানান, 'গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তির নির্দেশনামা আমরা হাতে পাই। সে অনুযায়ী আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়। আজ ভোরে সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর সকাল ৬টা ১০ মিনিটে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর নিরাপত্তায় দুটি পুলিশ ভ্যান এবং প্রিজন ভ্যানে মোট ৩৮ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন। নির্দেশনা অনুযায়ী, যে পাহারায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, ঠিক সেভাবেই সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে তাঁকে কারাগারে ফিরিয়ে আনতে হবে।'
দীর্ঘদিন ধরে দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ কিডনি ও লিভারের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে রাজধানীর গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এরপর তাঁর মেয়ে তানী দীপাবলি এবং আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম মায়ের প্যারোলে মুক্তির জন্য গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ব্যাপক তৎপরতা চালান। পরবর্তীতে দুপুরে দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির সিদ্ধান্ত জানানো হয়। মুন্সিগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত এই মুক্তির আবেদন অনুমোদন করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত একাধিক মামলার আসামি হিসেবে দীপু মনি মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন। কারাগারের বাইরে স্বামীর সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে তিনি একাধিকবার আবেদন করলেও সেই অনুমতি পাননি। আদালতে তাঁকে উপস্থিত করা হলে, শয্যাশায়ী তৌফিক নেওয়াজকে স্ট্রেচারে করে তাঁর সাথে দেখা করতে নিয়ে আসা হতো।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক, তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ আজ সকালে ঢাকার কলাবাগানে তাঁর নিজস্ব বাসভবনে আনা হয়। সেখানেই দীপু মনি তাঁর প্রয়াত স্বামীর নশ্বর দেহ দর্শন করবেন। এরপর মরদেহ নেওয়া হবে গুলশানের আজাদ মসজিদে। সেখানে বাদ জোহর জানাজা ও দোয়া শেষে তাঁকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।