একীভূত শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক নিয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমে ফিরে আসছে। দ্বিতীয় কার্যদিবসে, আজ মঙ্গলবার, ৭,৮৯৬ জন গ্রাহক ব্যাংকটি থেকে ৩২৭ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। এর আগে, প্রথম দিনে, গতকাল সোমবার, ৫,৫৩২ জন গ্রাহক ২৫৪ কোটি টাকা উত্তোলন করেছিলেন। এই দুই দিনে মোট ১৩,৪২৮ জন গ্রাহক সম্মিলিতভাবে ৫৮১ কোটি টাকা তুলেছেন।
গতকাল থেকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক তার আমানতকারীদের অর্থ ফেরত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যেসব গ্রাহক আমানত ফেরত চেয়ে আবেদন করেছিলেন, তাদের গত দুই দিন ধরে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।
আমানত ফেরত কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যাংকটি অনলাইন অর্থ স্থানান্তর সেবাও চালু করেছে। এর ফলে, পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রমে দীর্ঘ বিরতির পর উল্লেখযোগ্য গতি ফিরে এসেছে।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক শরিয়াহভিত্তিক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত। সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই একীভূতকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। যদিও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত হয়েছে, এর পাঁচটি প্রাক্তন ব্যাংকের শাখাগুলি এখনও স্বতন্ত্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সারাদেশে একীভূত এই পাঁচটি ব্যাংকের মোট ৭৬১টি শাখা রয়েছে।
সরকারি নির্দেশনায় গতকাল সোমবার থেকে সকল প্রকার আমানতকারীর অর্থ ফেরত প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এর আগে, ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমানত ফেরত নিতে ইচ্ছুক গ্রাহকদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই সময়কালে, ৭৪ হাজার আমানতকারী মোট ৩,৯২৫ কোটি টাকা ফেরত চেয়ে ব্যাংকটিতে আবেদন জমা দিয়েছিলেন।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের আমানত পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এই ব্যাংকটিকে ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। কোনো গ্রাহক যেন অর্থ ফেরত না পেয়ে ফিরে না যান, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করেছে। একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের সকল শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা করে সরকার সম্পূর্ণ মালিকানা গ্রহণ করেছে।
২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংকটাপন্ন পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একত্রিত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে। এই পাঁচটি ব্যাংকের মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক চট্টগ্রামের বিতর্কিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলম, যিনি এস আলম নামে পরিচিত, তার নিয়ন্ত্রণে ছিল। অন্যদিকে, এক্সিম ব্যাংক নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। উভয় ব্যক্তিই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এস আলম এবং নজরুল ইসলাম মজুমদারের নিয়ন্ত্রণে থাকাকালীন ব্যাংকগুলিতে ব্যাপক ঋণ অনিয়মের ঘটনা ঘটে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরিচালিত দেশি-বিদেশি আর্থিক নিরীক্ষায় এই অনিয়মগুলি উন্মোচিত হয়। নিরীক্ষার তথ্য থেকে জানা যায় যে, একীভূত পাঁচটি ব্যাংকের ৮০ শতাংশ ঋণ লুটপাট করা হয়েছে, যার ফলে ব্যাংকগুলি গুরুতর আর্থিক সংকটে নিপতিত হয়। এই সংকটের কারণে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের আমানত পরিশোধে ব্যর্থ হচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিতে, সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। পূর্ববর্তী মালিকদের মালিকানা বাতিল করে সরকারের হাতে এর মালিকানা হস্তান্তর করা হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর বর্তমান বিএনপি সরকারও ব্যাংকটির একীভূতকরণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে।
গতকাল থেকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক তার আমানতকারীদের অর্থ ফেরত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যেসব গ্রাহক আমানত ফেরত চেয়ে আবেদন করেছিলেন, তাদের গত দুই দিন ধরে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।
আমানত ফেরত কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যাংকটি অনলাইন অর্থ স্থানান্তর সেবাও চালু করেছে। এর ফলে, পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রমে দীর্ঘ বিরতির পর উল্লেখযোগ্য গতি ফিরে এসেছে।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক শরিয়াহভিত্তিক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত। সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই একীভূতকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। যদিও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত হয়েছে, এর পাঁচটি প্রাক্তন ব্যাংকের শাখাগুলি এখনও স্বতন্ত্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সারাদেশে একীভূত এই পাঁচটি ব্যাংকের মোট ৭৬১টি শাখা রয়েছে।
সরকারি নির্দেশনায় গতকাল সোমবার থেকে সকল প্রকার আমানতকারীর অর্থ ফেরত প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এর আগে, ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমানত ফেরত নিতে ইচ্ছুক গ্রাহকদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই সময়কালে, ৭৪ হাজার আমানতকারী মোট ৩,৯২৫ কোটি টাকা ফেরত চেয়ে ব্যাংকটিতে আবেদন জমা দিয়েছিলেন।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের আমানত পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এই ব্যাংকটিকে ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। কোনো গ্রাহক যেন অর্থ ফেরত না পেয়ে ফিরে না যান, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করেছে। একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের সকল শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা করে সরকার সম্পূর্ণ মালিকানা গ্রহণ করেছে।
২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংকটাপন্ন পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একত্রিত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে। এই পাঁচটি ব্যাংকের মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক চট্টগ্রামের বিতর্কিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলম, যিনি এস আলম নামে পরিচিত, তার নিয়ন্ত্রণে ছিল। অন্যদিকে, এক্সিম ব্যাংক নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। উভয় ব্যক্তিই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এস আলম এবং নজরুল ইসলাম মজুমদারের নিয়ন্ত্রণে থাকাকালীন ব্যাংকগুলিতে ব্যাপক ঋণ অনিয়মের ঘটনা ঘটে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরিচালিত দেশি-বিদেশি আর্থিক নিরীক্ষায় এই অনিয়মগুলি উন্মোচিত হয়। নিরীক্ষার তথ্য থেকে জানা যায় যে, একীভূত পাঁচটি ব্যাংকের ৮০ শতাংশ ঋণ লুটপাট করা হয়েছে, যার ফলে ব্যাংকগুলি গুরুতর আর্থিক সংকটে নিপতিত হয়। এই সংকটের কারণে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের আমানত পরিশোধে ব্যর্থ হচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিতে, সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। পূর্ববর্তী মালিকদের মালিকানা বাতিল করে সরকারের হাতে এর মালিকানা হস্তান্তর করা হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর বর্তমান বিএনপি সরকারও ব্যাংকটির একীভূতকরণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে।